kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

শৈত্যপ্রবাহ থাকবে আরো কয়েক দিন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



দেশের দক্ষিণ-উত্তরাঞ্চলে বিরাজমান শৈত্যপ্রবাহ আরো কয়েক দিন থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস। চলতি সপ্তাহজুড়েই থাকবে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তারপর তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য মতে, গত ২৬ ডিসেম্বর থেকে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে উত্তরাঞ্চলজুড়ে। সেটি এখনো অব্যাহত আছে। পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট, চুয়াডাঙ্গা, দিনাজপুর, মাদারীপুর, শ্রীমঙ্গল, যশোর ও বরিশালের ওপর দিয়ে গত কয়েক দিন ধরে শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। চলতি সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতেও তা অব্যাহত থাকবে।

আবহাওয়া কর্মকর্তা রুহুল কুদ্দুস কালের কণ্ঠকে বলেন, উত্তরাঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু ও মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে ২৬ ডিসেম্বর থেকে। এ মাসের বাকি সময়টাও মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ থাকতে পারে। 

আবহাওয়া অফিসের দেওয়া তথ্য মতে, পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলের ওপর দিয়ে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া মৌলভীবাজার, রাজশাহী, দিনাজপুর, নীলফামারী ও চুয়াডাঙ্গা অঞ্চলের ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আরো কয়েক দিন অব্যাহত থাকবে। উপমহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তত্সংলগ্ন এলাকায় বিস্তৃত। মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। গতকাল সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ ছাড়া রাজারহাটে ৮ ডিগ্রি এবং শ্রীমঙ্গলে ৮.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত দেশের কোথাও কোথাও হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

দুর্যোগ নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্মেলন ২৪-২৬ জানুয়ারি : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিয়ে ঢাকায় আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হচ্ছে ২৪ জানুয়ারি। রিজিওনাল কনসালটেটিভ গ্রুপের (আরসিজি) তিন দিনব্যাপী সম্মেলন চলবে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। রাজধানীর ইন্টারকনটিনেন্টাল হোটেলে আরসিজির চতুর্থ সম্মেলনে ৩২টি দেশ অংশ নেওয়ার কথা জানিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সম্মেলন উদ্বোধন করার কথা রয়েছে। টানা তৃতীয় মেয়াদে দায়িত্ব গ্রহণের পর এটি হবে এই সরকারের প্রথম বড় কোনো সম্মেলন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের উপসচিব অজয় কুমার চক্রবর্তী কালের কণ্ঠকে বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় বাংলাদেশ অনেক সক্ষমতা অর্জন করেছে। গত এক দশকে বাংলাদেশ কতটুকু সক্ষমতা অর্জন করেছে, তা বিশ্বের সামনে দেখানো হবে। একই সঙ্গে বিশ্বের অপরাপর দেশ কিভাবে বড় বড় দুর্যোগ প্রতিরোধ করে সে বিষয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় ও সহযোগিতা চাইবে বাংলাদেশ।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রতিটি দেশের অভিজ্ঞতা বিনিময় করে ক্ষয়ক্ষতি আরো কমিয়ে আনতে হবে। এবারের সম্মেলনে বিভিন্ন দেশকে পরস্পরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা