kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

সাভারে কিশোরীকে চার দিন আটকে রেখে গণধর্ষণ

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



সাভারে কিশোরীকে চার দিন আটকে রেখে গণধর্ষণ

সাভারে সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীকে অপহরণ করে চার দিন আটকে রেখে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ ওই কিশোরীকে রবিবার দুপুরে প্রথমে সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) স্থানান্তরের পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। পরিবারের অভিযোগ, মেয়ে নিখোঁজ হওয়ার পর পুলিশ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। মামলা নিতে দেরি করায় প্রভাবশালীরা এখন ঘটনাটি মীমাংসার জন্য চাপ দিচ্ছে। এ ছাড়া কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে প্রথম শ্রেণিতে পড়া এক ছাত্রী এবং বাগেরহাটের শরণখোলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ যাওয়া গেছে। ফেনীতে চার নারীকে আটকে রেখে ধর্ষণের মামলায় রিমান্ডে নেওয়া আসামি জানিয়েছে, বাসা থেকে মা-বাবাকে বের করে দিয়ে সে সেখানে ইয়াবা ও দেহব্যবসা শুরু করে। টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে দুই ছাত্রীর শ্লীলতাহানির ঘটনায় মামলার বাদীর কাছ থেকে সাদা কাগজে জোরপূর্বক স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে পৌর কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।

সাভার : কিশোরীর বাবা জানান, গত ৭ জানুয়ারি সন্ধ্যার পর পৌর এলাকার নামা গেণ্ডা মহল্লার বাসার সামনের দোকানে চিপস কিনতে গিয়ে নিখোঁজ হয় তাঁর মেয়ে। কোথাও তাকে খুঁজে না পেয়ে তিনি সাভার থানায় অভিযোগ করেন। কিন্তু কোনো প্রতিকার পাননি।

বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজির পর তাঁদের নজরে আসে, প্রতিবেশী মজিবরের বখাটে ছেলে বিল্লাল হোসেনও নিখোঁজ। সন্দেহ থেকে স্থানীয়রা মজিবরের পরিবারকে চাপ দিলে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে অচেতন অবস্থায় ওই কিশোরীকে বাসার সামনে ফেলে রেখে যায় দুর্বৃত্তরা।

চিকিৎসাধীন কিশোরী জানায়, সন্ধ্যার পর সে দোকানে গেলে তাদের মহল্লার বিল্লাল হোসেন দোকানের সামনে থেকে ‘কথা আছে’ বলে তাকে অল্প দূরে ডেকে নিয়ে যায়। কিছু বুঝে ওঠার আগেই সেখানে আগে থেকে অপেক্ষমাণ একটি মাইক্রোবাসে তাকে জোরপূর্বক তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। স্থানটি সম্পর্কে সঠিক ধারণা দিতে না পারলেও সেখানে পৌঁছতে প্রায় চার ঘণ্টার মতো সময় লেগেছিল বলেও জানায় কিশোরী। সে বলে, সেখানে নেওয়ার পর একটি বাড়িতে আটকে রেখে বিল্লাল ও দুই ব্যক্তি তাকে ধর্ষণ করে।

কিশেরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে মো. হৃদয় মিয়া (১৭) নামের এক ইজি বাইক চালকের বিরুদ্ধে প্রথম শ্রেণিতে পড়া ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত হৃদয়কে গতকাল এলাকাবাসী ধরে পুলিশে দিয়েছে। সে উপজেলার পুমদি ইউনিয়নের বিলচাতল গ্রামের আলাল উদ্দিনের ছেলে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শিশুটিকে চকোলেট দেওয়ার লোভ দেখিয়ে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে তার ঘরে নিয়ে পাশবিক নির্যাতন চালায় হৃদয়। এরপর সে এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়।

শিশুটি বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাকে প্রথমে হোসেনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়ে। কয়েক দিন পালিয়ে থাকার পর গতকাল অভিযুক্ত হৃদয় তার ইজি বাইক নিয়ে বের হলে জনতার হাতে আটক হয়।

শরণখোলা (বাগেরহাট) : বাগেরহাটের শরণখোলায় ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে এক কলেজছাত্রের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় শরণখোলা থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত কলেজছাত্র প্রিন্স মোল্লা (২১) উপজেলার উত্তর রাজাপুর গ্রামের শাহ আলম মোল্লার ছেলে।

শরণখোলা থানার ওসি দিলীপ কুমার সরকার জানান, ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে তদন্ত চলছে।

ফেনী : ফেনীতে এক বাসায় চার নারীকে আটকে রেখে ধর্ষণ ও দেহব্যবসার অভিযোগের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত প্রধান আসামি কাশেম বিন কাওসার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে। ফেনী থানা পুলিশের সূত্র জানায়, ফেনী সদরের রামপুর এলাকার সৈয়দ বাড়ি সড়কের কাশেম ম্যানসনের মালিক আবুল কাশেম ও তাঁর স্ত্রীকে বের করে দিয়ে তাঁদের ছেলে কাশেম বিন কাওসার এক বছর আগে সেখানে দেহব্যবসা ও ইয়াবার কারবার শুরু করে। শহরের অনেকেই যেত ওই বাসায়।

মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) : টাঙ্গাইলের মির্জাপুর মহিলা কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে দুই স্কুলছাত্রীর শ্লীলতাহানির মামলার বাদীকে চাপ দিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা