kalerkantho

ইত্তেহাদ এয়ারলাইনসে বাংলাদেশি নির্যাতন

ফুটেজ চেয়েছেন হাইকোর্ট

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সাড়ে সাত বছর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবি বিমানবন্দরে এক বাংলাদেশিকে নির্যাতনের ঘটনার ভিডিও ফুটেজ চেয়েছেন হাইকোর্ট। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে এই ভিডিও ফুটেজ আদালতে দাখিলের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ভিডিও ফুটেজ পাওয়ার এক মাসের মধ্যে তদন্ত কমিটিকে প্রতিবেদন দাখিল করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আগামী ৬ মার্চ পরবর্তী আদেশের জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।

বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের বেঞ্চ গতকাল বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন। নির্যাতিত তানজীন বৃষ্টির পক্ষে গতকাল আদালতে আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।

২০১১ সালের ১৪ জুলাই এক আদেশে বাংলাদেশিকে নির্যাতনের ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তার কারণ জানতে চেয়ে পররাষ্ট্রসচিবের প্রতি রুল জারি করেন হাইকোর্ট। নির্যাতিত তানজীন বৃষ্টিকে ক্ষতিপূরণ দিতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তারও কারণ জানতে চাওয়া হয়। এ ছাড়া বিমানবন্দরে কী হয়েছে এবং ঘটনার পর কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সে বিষয়ে তদন্ত করে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে পররাষ্ট্রসচিব ও বেসামরিক বিমান চলাচল সচিবকে নির্দেশ দেন আদালত।

পরে ইত্তেহাদ এয়ারলাইনসের পক্ষ থেকে আদালতে দাখিল করা নিজস্ব তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওই যাত্রীকে হয়রানি বা নির্যাতনের ঘটনায় তাদের কোনো দোষ নেই। বরং ওই যাত্রী দুর্ব্যবহার করেছেন। এ অবস্থায় হাইকোর্ট ভিডিও ফুটেজ দাখিল করার নির্দেশ দিলেন।

আদালতের আদেশের আগে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান আদালতকে জানান, ওই ঘটনা তদন্তে কাজ করছে তদন্ত কমিটি। তদন্ত সম্পন্ন করতে আরো সময় লাগবে।

২০১১ সালের ২৮ জুন আবুধাবি বিমানবন্দরে বাংলাদেশি যাত্রী বৃষ্টিকে নির্যাতন, হয়রানি ছাড়াও আট থেকে ১০ ঘণ্টা আটকে রেখে দেশে ফেরত পাঠায় ইত্তেহাদ এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের পক্ষে অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান। কিন্তু সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় হাইকোর্টে রিট আবেদন দাখিল করা হয়।

মন্তব্য