kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২২ আগস্ট ২০১৯। ৭ ভাদ্র ১৪২৬। ২০ জিলহজ ১৪৪০

মহাজোটে জাপার ২৭ ও উন্মুক্ত ১৪৫ প্রার্থী যাঁরা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১০ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৭ মিনিটে



মহাজোটে জাপার ২৭ ও উন্মুক্ত ১৪৫ প্রার্থী যাঁরা

মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টি (জাপা) শেষ পর্যন্ত ২৭টি আসন পেয়েছে। গতকাল রবিবার দুপুর পর্যন্ত জাতীয় পার্টির মহাসচিব মসিউর রহমান রাঙ্গা আরো ১৩টি আসন পেতে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেও আসনসংখ্যা আর বাড়েনি। পরে দুই দলের সমঝোতার ভিত্তিতে ওই ১৩টি আসন উন্মুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। আসন বণ্টন নিয়ে ক্ষুব্ধ জাতীয় পার্টি এ অবস্থায় মহাজোটে প্রাপ্ত ২৭টি আসন বাদে আরো ১৪৫টি আসনে দলীয় প্রার্থী দিয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ স্বাক্ষর করে দলীয় প্রার্থীদের লাঙল প্রতীক দিয়েছেন। সংগঠনটির প্রেসিডিয়ামের এক সদস্য বলেছেন, জাতীয় পার্টির মনোনয়নপ্রাপ্তরা তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন না। জাপার চেয়ারম্যানের ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি খন্দকার দেলোয়ার জালালী গতকাল বিকেলে জাতীয় পার্টির মহাজোট প্রার্থী ছাড়াও তাঁদের দলীয় ১৪৫ প্রার্থীর নাম গণমাধ্যমে পাঠান। এই ১৪৫ জন লাঙল প্রতীকে নির্বাচন করবেন।

২৭ আসন : মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে জাপা থেকে নির্বাচন করবেন মেজর (অব.) রানা মো. সোহেল (নীলফামারী-৩), আহসান আদেলুর রহমান (নীলফামারী-৪), গোলাম মোহাম্মাদ কাদের (লালমনিরহাট-৩), মসিউর রহমান রাঙ্গা (রংপুর-১), হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ (রংপুর-৩), পনিরউদ্দিন আহমেদ (কুড়িগ্রাম-২), ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী (গাইবান্ধা-১), শরিফুল ইসলাম জিন্না (বগুড়া-২), নুরুল ইসলাম তালুকদার (বগুড়া-৩), নুরুল ইসলাম ওমর (বগুড়া-৬), অ্যাডভোকেট আলতাফ আলী (বগুড়া-৭), নাসরিন জাহান রত্না (বরিশাল-৬), রুস্তম আলী ফরাজী (পিরোজপুর-৩), শফিউল্লাহ আলম মুনির (টাঙ্গাইল-৫), রওশন এরশাদ (ময়মনসিংহ-৪), ফকরুল ইমাম (ময়মনসিংহ-৮), মুজিবুল হক চুন্নু (কিশোরগঞ্জ-৩), আবু হোসেন বাবলা (ঢাকা-৪), কাজী ফিরোজ রশীদ (ঢাকা-৬), লিয়াকত হোসেন খোকা (নারায়ণগঞ্জ-৩), সেলিম ওসমান (নারায়ণগঞ্জ-৫), পীর ফজলুর রহমান মেজবাহ (সুনামগঞ্জ-৪), ইয়াহিয়া চৌধুরী (সিলেট-২), জিয়াউল হক মৃধা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), মেজর জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী (ফেনী-৩), মো. নোমান (লক্ষ্মীপুর-২) ও ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ (চট্টগ্রাম-৫)।

সমঝোতার ভিত্তিতে উন্মুক্ত ১৩ আসন : সমঝোতার ভিত্তিতে উন্মুক্ত ঘোষিত ১৩টি আসনের ১২টিতে নৌকা প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। বাকি একটিতে নৌকা নিয়ে নির্বাচন করবেন ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী। এসব আসনের প্রার্থীরা হলেন রংপুর-২ আবুল কালাম আহসানুল হক (আওয়ামী লীগ) ও আছাদুজ্জামান চৌধুরী সাবলু (জাপা), কুড়িগ্রাম-৩ এম এ মতিন (আওয়ামী লীগ) ও ডা. আক্কাস আলী (জাপা), কুড়িগ্রাম-৪ জাকির হোসেন (আওয়ামী লীগ) ও মেজর (অব.) আশরাফ উদ দৌলা (জাপা), গাইবান্ধা-৩ ডা. ইউনুস আলী সরকার (আওয়ামী লীগ) ও ব্যারিস্টার দিলারা খন্দকার (জাপা), খুলনা-১ পঞ্চানন বিশ্বাস (আওয়ামী লীগ) ও সুনীল শুভ রায় (জাপা), সাতক্ষীরা-১ সৈয়দ দিদার বখত (জাপা) ও মোস্তফা লুৎফুল্লাহ (ওয়ার্কার্স পার্টি), সাতক্ষীরা-২ মীর মোস্তাক আহমেদ রবি (আওয়ামী লীগ) ও মতলুব হোসেন লিয়ন (জাপা), সাতক্ষীরা-৪ জগলুল হায়দার (আওয়ামী লীগ) ও আবদুস সাত্তার মোড়ল (জাপা), জামালপুর-৪ ডা. মুরাদ হোসেন (আওয়ামী লীগ) ও মোখলেসুর রহমান (জাপা), শেরপুর-১ আতিকুর রহমান আতিক (আওয়ামী লীগ) ও ইলিয়াস উদ্দিন (জাপা), শেরপুর-৩ এ কে এম ফজলুল হক চান (আওয়ামী লীগ) ও আবু নাসের (জাপা), সিলেট-৫ হাফিজউদ্দিন আহমেদ মজুমদার (আওয়ামী লীগ) ও সেলিম উদ্দিন (জাপা) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ এবাদুল করিম বুলবুল (আওয়ামী লীগ) ও কাজী মামুনুর রশিদ (জাপা)।

সমঝোতার বাইরের ১৩২ আসন : জাতীয় পার্টির আরো ১৩২ জন প্রার্থী মহাজোটের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবেন। তাঁরা হলেন আবু সালেক (পঞ্চগড়-১), লুৎফর রহমান রিপন (পঞ্চগড়-২), হাফিজ উদ্দিন (ঠাকুরগাঁও-৩), শাহীনুর ইসলাম (দিনাজপুর-১), জুলফিকার হোসেন (দিনাজপুর-২), মোনাজাত চৌধুরী (দিনাজপুর-৪), সোলায়মান সামী (দিনাজপুর-৫), দেলোয়ার হোসেন (দিনাজপুর-৬), জাফর ইকবাল সিদ্দিকী (নীলফামারী-১), খালেদ আখতার (লালমনিরহাট-১), মোস্তফা সেলিম বেঙ্গল (রংপুর-৪), ফখরুজ্জামান জাহাঙ্গীর (রংপুর-৫), কাজী মো. মশিউর রহমান (গাইবান্ধা-৪), এ এইচ এম গোলাম শহীদ রঞ্জু (গাইবান্ধা-৫), আ স ম মোক্তাদির তিতাস (জয়পুরহাট-১), কাজী মো. আবুল কাশেম (জয়পুরহাট-২), হাজি নুরুল আমিন বাচ্চু (বগুড়া-৪), তাজ মোহাম্মদ শেখ (বগুড়া-৫), আকবর আলী কালু (নওগাঁ-১), মো. বদিউজ্জামান (নওগাঁ-২), অ্যাডভোকেট তোফাজ্জল হোসেন (নওগাঁ-৩), এনামুল হক (নওগাঁ-৪), খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান (রাজশাহী-২), আবুল হোসেন (রাজশাহী-৫), ইকবাল হোসেন (রাজশাহী-৬), আবু তালহা (নাটোর-১), মুজিবুর রহমান সেন্টু (নাটোর-২), ইঞ্জিনিয়ার আনিসুর রহমান (নাটোর-৩), আলমগীর হোসেন (সিরাজগঞ্জ-৩), সরদার শাহজাহান (পাবনা-১), আব্দুল কাদের খান (পাবনা-৫), আব্দুল হামিদ (মেহেরপুর-১), কেতাব আলী (মেহেরপুর-২), শাহারিয়ার জামিল (কুষ্টিয়া-১), আশরাফুল সোলাইমান (কুষ্টিয়া-৪), অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন (চুয়াডাঙ্গা-১), এ বি এম সেলিম রেজা (যশোর-২), জাহাঙ্গীর হোসেন (যশোর-৩), জহুরুল হক (যশোর-৪), এম এ হালিম (যশোর-৫), মাহাবুব আলম (যশোর-৬), হাসান সিরাজ (মাগুরা-১), মিল্টন মোল্যা (নড়াইল-১), খন্দকার ফায়েকুজ্জামান (নড়াইল-২), সেকেন্দার আলী মনি (বাগেরহাট-৩), সোমনাথ দে (বাগেরহাট-৪), হাদিউজ্জামান (খুলনা-৪), শহীদ আলম (খুলনা-৫), শফিকুল ইসলাম মধু (খুলনা-৬), মিজানুর রহমান মল্লিক (বরগুনা-২), সাইফুল ইসলাম (পটুয়াখালী-৩), আনোয়ার হোসেন (পটুয়াখালী-৪), কেফায়েত উল্লাহ নজিব (ভোলা-১), নুরুন্নবী সুমন (ভোলা-৩), সোহেল রানা (বরিশাল-২), এ কে এম মর্তুজা আবেদীন (বরিশাল-৫), এম এ কুদ্দুস খান (ঝালকাঠি-১), এম এ কুদ্দুস খান (ঝালকাঠি-২), নজরুল ইসলাম (পিরোজপুর-১), সৈয়দ মোস্তাক হোসেন রতন (টাঙ্গাইল-৪), জহিরুল ইসলাম জহির (টাঙ্গাইল-৭), আব্দুস সাত্তার (জামালপুর-১), মোস্তফা আল মাহমুদ (জামালপুর-২), লে. কর্নেল (অব.) মঞ্জুর আহাদ হেলাল (জামালপুর-৩), সালাউদ্দিন আহমেদ মুক্তি (ময়মনসিংহ-৫), ডা. কে আর ইসলাম (ময়মনসিংহ-৬), বেগম রওশন এরশাদ (ময়মনসিংহ-৭), হাসনাত মাহমুদ তালহা (ময়মনসিংহ-৯), জসীম উদ্দিন ভূঁইয়া (নেত্রকোনা-৩), নুরুল কাদের সোহেল (কিশোরগঞ্জ-৬), জহিরুল আলম রুবেল (মানিকগঞ্জ-৩), শেখ সিরাজুল ইসলাম (মুন্সীগঞ্জ-১), গোলাম মোহাম্মদ রাজু (মুন্সীগঞ্জ-৩), শাকিল আহমেদ শাকিল (ঢাকা-২), তারেক আহমেদ আদেল (ঢাকা-৭), ইউনুস আলী আকন্দ (ঢাকা-৮), হেলাল উদ্দিন (ঢাকা-১০), এস এম ফয়সল চিশতী (ঢাকা-১১), নাসির উদ্দিন সরকার (ঢাকা-১২), শফিকুল ইসলাম সেন্টু (ঢাকা-১৩), মোস্তাকুর রহমান (ঢাকা-১৪), শামসুল হক (ঢাকা-১৫), এইচ এম এরশাদ (ঢাকা-১৭), কাজী আবুল কালাম আজাদ (ঢাকা-১৯), খান মো. ইস্রাফিল (ঢাকা-২০), আফতাব উদ্দিন আহমেদ (গাজীপুর-৩), রাহেলা পারভীন শিশির (গাজীপুর-৫), শফিকুল ইসলাম (নরসিংদী-১), আজম খান (নরসিংদী-২), আলমগীর কবির (নরসিংদী-৩), নেওয়াজ আলী ভূঁইয়া (নরসিংদী-৪), এম এ সাত্তার (নরসিংদী-৫), আজম খান (নারায়ণগঞ্জ-১), আক্তারুজ্জামান হাসান (রাজবাড়ী-১), এ বি এম নুরুল ইসলাম (রাজবাড়ী-২), আবুল হাসান (শরীয়তপুর-৩), নাজমুল হুদা (সুনামগঞ্জ-৫), মাহাবুবুর রহমান চৌধুরী (সিলেট-১), ওসমান আলী (সিলেট-৩), আহমেদ তাজউদ্দিন তাজ রহমান (সিলেট-৪), অ্যাডভোকেট মাহাবুবুল আলম শামীম (মৌলভীবাজার-২), আতিকুর রহমান (হবিগঞ্জ-১), শংকর পাল (হবিগঞ্জ-২), আতিকুর রহমান (হবিগঞ্জ-৩), তারেক এ আদেল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪), আবু জায়েদ আল মাহমুদ (কুমিল্লা-১), আমির হোসেন (কুমিল্লা-২), আলমগীর হোসেন (কুমিল্লা-৩), ইকবাল হোসেন রাজু (কুমিল্লা-৪), তাজুল ইসলাম (কুমিল্লা-৫), লুৎফর রেজা (কুমিল্লা-৭), নুরুল ইসলাম মিলন (কুমিল্লা-৮), এ টি এম আলমগীর (কুমিল্লা-৯), খায়ের আহমেদ ভূঁইয়া (কুমিল্লা-১১), এমদাদুল হক (চাঁদপুর-১), এমরান হোসেন মিয়া (চাঁদপুর-২), মাইনুল ইসলাম (চাঁদপুর-৪), আবু নাসের ওয়াহেদ ফারুক (নোয়াখালী-১), হাসান মঞ্জুর (নোয়াখালী-২), ফজলে এলাহী সোহাগ (নোয়াখালী-৩), মোবারক হোসেন (নোয়াখালী-৪), সাইফুল ইসলাম (নোয়াখালী-৫), নাসিম উদ্দিন মো. বায়জিদ (নোয়াখালী-৬), আলমগীর হোসেন (লক্ষ্মীপুর-১), আব্দুর রাজ্জাক চৌধুরী (লক্ষ্মীপুর-৪), জহুরুল ইসলাম রেজা (চট্টগ্রাম-২), দিদারুল কবির (চট্টগ্রাম-৪), ফাতেমা খুরশীদ সোমাইয়া (চট্টগ্রাম-৮), নুরুচ্ছফা সরকার (চট্টগ্রাম-১২), আবু জাফর মোহাম্মদ ওয়ালি উল্লাহ (চট্টগ্রাম-১৪), সোলায়মান আলম শেঠ (খাগড়াছড়ি) এবং এ এ কে পারভেজ তালুকদার (রাঙামাটি)।

মন্তব্য