kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কক্সবাজার-৪ আসন

‘ধান চাষি’ এখন জামায়াতের আজাদ

বিএনপি ক্ষুব্ধ, খুশি আ. লীগ

নিজস্ব প্রতিবেদক, কক্সবাজার   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



শেষ মুহূর্তে এসে কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী বদলে গেছে। ‘ধান চাষি’ এখন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা হামিদুর রহমান আজাদ। গতকাল শনিবার বিকেলে ঢাকায় বিএনপি নেতাদের হাত থেকে কারাবন্দি আজাদের পক্ষে মনোনয়নপত্র গ্রহণ করেন জামায়াত নেতারা। রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমির মওলানা মুস্তাফিজুর রহমান।

এর আগে গত শুক্রবার বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয় সাবেক এমপি আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজুল্লাহ ফরিদকে ধানের শীষের প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু এক দিনের মাথায় সেই সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করা হয়েছে। এ নিয়ে চরম ক্ষুব্ধ মহেশখালী-কুতুবদিয়া দ্বীপের বিএনপির নেতাকর্মীরা। অন্যদিকে বেজায় খুশি আওয়ামী লীগের লোকজন। তাদের বিশ্বাস, বিএনপির এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তনে আওয়ামী লীগের জেতার পথ সুগম হয়েছে।

স্থানীয় লোকজন বলছে, আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী আশেক উল্লাহ রফিক ও বিএনপির প্রার্থী সাবেক এমপি আলমগীর সম্পর্কে চাচা-ভাতিজা। একই পরিবার থেকে দুজন ভিন্ন দলের প্রার্থী হওয়ায় বিষয়টি এলাকায় হাস্যরস তৈরি করে। এ কারণে প্রার্থী পরিবর্তন হওয়ায় চাচা-ভাতিজার সম্পর্ক যেমন রক্ষা পেয়েছে, তেমনই ক্ষমতাসীন দলের কর্মীরাও একপ্রকার হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে।

জানতে চাইলে কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শামীম আরা বেগম স্বপ্না কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘কক্সবাজারের চারটি আসনের মধ্যে একটি আসন জামায়াতকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিএনপির ওপর বরাবরই চাপ ছিল। হামিদুর রহমান আজাদ একই আসনে ২০০৮ সালে এমপি ছিলেন। তা ছাড়া তিনি জামায়াতের প্রভাবশালী নেতা। সার্বিক বিবেচনায় শেষ মুহূর্তে তাঁকে জোটের মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে কক্সবাজারের অন্য তিন আসনে বিএনপির জন্য মাঠে মরিয়া হয়ে নামার কথা জামায়াতের।’

কক্সবাজার জেলা জামায়াতের আমির মওলানা মুস্তাফিজুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মহেশখালীর বিএনপি নেতা আলমগীর মো. মাহফুজুল্লাহ ফরিদ আমাদের কারান্তরীণ দলীয় নেতা হামিদুর রহমান আজাদের বিরুদ্ধে একাধিক রিট দায়ের করেছিলেন। এসব রিট করা হয়েছিল যাতে জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আজাদ কোনোভাবেই আসনটিতে প্রার্থী হতে না পারে। সেসব রিট খারিজ হওয়ায় জামায়াত নেতা হামিদুর রহমান আজাদের এখন এমপি পদে নির্বাচন করতে কোনো বাধা থাকল না।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা