kalerkantho

বুধবার । ১৩ নভেম্বর ২০১৯। ২৮ কার্তিক ১৪২৬। ১৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

পুলিশ ও দুদক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজধানীর রমনা এলাকায় এক সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি), দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পরিদর্শকসহ বেশ কয়েকজন একটি পরিবারের বাড়ি দখলের পাঁয়তারা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স বহুমুখী সমবায় সমিতি কার্যালয়ে এ অভিযোগ করেন চৌধুরী রাশেদ মাহবুব নামের এক ব্যক্তি ও তাঁর বৃদ্ধা মা নুরজাহান চৌধুরী। তবে অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা বলেছেন, এসব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক।

সংবাদ সম্মেলনে মৃত মোশারফ হোসেন চৌধুরীর পরিবারের দাবি, সিদ্ধেশ্বরী সার্কুলার রোডের মোশারফ গার্ডেন তাদের নিজেদের বাড়ি। তারা ২০০৯ সালে সাত কাঠা জমির ওপর ভবন নির্মাণের জন্য একটি ডেভেলপার কম্পানির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে নির্মাণকাজ অসম্পূর্ণ রেখে তাদের অংশের ফ্ল্যাট কিছু লোকের কাছে বিক্রি করে ডেভেলপার কম্পানি চলে যায়। এর পর থেকে তাদের জীবনে নেমে আসে বিপর্যয়। বর্তমানে ভবনটির ৫/সি নম্বর ফ্ল্যাটে তারা বাস করছে। হাইওয়ে পুলিশের এএসপি ধীরেন মহাপাত্র ও দুদক পরিদর্শক একরামুর ডেভেলপার কম্পানির কাছ থেকে ফ্ল্যাট কেনেন। তাঁরা বাড়ি দখলের জন্য পরিবারটির ওপর নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। 

লিখিত বক্তব্যে নাসিমা শেলী বলেন, ‘গত ১৪ নভেম্বর রাতে আমাদের ফ্ল্যাটের গেরেজে আমার ভাই চৌধুরী রাশেদ মাহবুবকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়। সহকারী পুলিশ সুপার ধীরেন মহাপাত্রের ছেলে প্রতীক মহাপাত্র, সুকুমার চন্দ্র সাহাসহ আর চার-পাঁচজন আমার ভাইয়ের ওপর হামলা করে। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে রমনা থানায় গেলে পুলিশ তাড়াতাড়ি চিকিৎসা নিতে বলে। পরে ভাইকে ঢাকা মেডিক্যালে ভর্তি করে থানায় এলে পুলিশ কোর্টে মামলা করতে বলে।’ তাঁর অভিযোগ, দুষ্কৃতকারীরা প্রভাবশালী হওয়ায় পুলিশ এখনো তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি ব্যবস্থা নেয়নি।

জানতে চাইলে রমনা থানার ওসি মাইনুল ইসলাম বলেন, ‘সেই রাতে তারা থানায় এসে এজাহারও লিখেছিল। তারপর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে গিয়ে আর আসেনি।’

হাইওয়ে পুলিশের এএসপি ধীরেন মহাপাত্র বলেন, ‘রাশেদ মাহবুব জমির মালিক। তাঁরা ডেভেলপার দিয়ে ভবনটি নির্মাণ করিয়েছেন। আমি ডেভেলপার থেকে একটি ফ্ল্যাট নিই। রাশেদ মাহবুবদের সঙ্গে ডেভেলপারদের সমস্যা। এখন আমরা ফ্ল্যাটের মালিকদের সঙ্গে তাঁরা (রাশেদ) একটার পর একটা ঝামেলা সৃষ্টি করছেন।’

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা