kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

আপত্তিকর মন্তব্য

ঢাকার প্রতিবাদের মুখে মিয়ানমারে মন্ত্রীকে তিরস্কার

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

৯ ডিসেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



আপত্তিকর মন্তব্য নিয়ে বাংলাদেশের তীব্র প্রতিবাদের পর মিয়ানমারের ধর্মমন্ত্রী থুরা অং কোকে তিরস্কার করেছেন দেশটির শীর্ষস্থানীয় নেতারা। মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলর অং সান সু চির দপ্তরের মহাপরিচালক য তে গত শুক্রবার নেপিডোতে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। মিয়ানমারের ধর্মমন্ত্রীর মন্তব্য রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় কোনো প্রভাব ফেলবে না বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের ধর্মমন্ত্রী ও সাবেক জেনারেল থুরা অং কো গত মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে বলেন, ইসলাম উগ্রবাদী ধর্ম। বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গা মুসলমান শরণার্থীদের মগজ ধোলাই করে বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ মিয়ানমারের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। রোহিঙ্গাদের ‘বেঙ্গলি’ (তৎকালীন বেঙ্গলের বাসিন্দা বোঝাতে) হিসেবে অভিহিত করে তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের ফিরতে দিচ্ছে না। রোহিঙ্গাদের মগজ ধোলাই করে মিয়ানমার অভিমুখে পাঠানোই বাংলাদেশের লক্ষ্য। তাঁর ওই বক্তব্য নজরে আসার পরপরই বাংলাদেশ সরকার ঢাকায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে তলব করে তীব্র প্রতিবাদ ও মিয়ানমারকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানায়।

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সেলরের দপ্তরের মুখপাত্র গত শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘শীর্ষ নেতারা’ মিয়ানমারের ধর্মমন্ত্রীর বক্তব্যের জন্য তিরস্কার করেছেন। তবে কোন কোন নেতা তিরস্কার করেছেন বা ঠিক কী বলেছেন তা মুখপাত্র জানাননি।

মুখপাত্র বলেন, প্রকাশ্যে বক্তব্য দেওয়ার সময় মন্ত্রীদের সরকারি নীতির আলোকেই কথা বলা উচিত এবং তাঁদের ব্যক্তিগত মতামত নিজেদের মধ্যেই রাখা উচিত।

এদিকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া প্রসঙ্গে সু চির দপ্তরের মুখপাত্র য তে আশা করেন, বাংলাদেশে আগামী জাতীয় নির্বাচনের পর এ প্রক্রিয়া শুরু হবে। চুক্তি অনুযায়ী ধাপে ধাপে এ প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা হবে বলে তিনি জানান।

য তে বলেন, বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের কর্মকর্তারা গত শুক্রবারও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিষয়ে আলোচনা করেছেন। মিয়ানমার বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাবাসনের জন্য প্রথম দলে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের রাখার প্রস্তাব দিয়েছে।

তিনি বলেন, প্রায় ৪৩০ জন হিন্দু সত্যিই মিয়ানমারে ফিরতে চায় বলে বাংলাদেশও মিয়ানমারকে জানিয়েছে। এ কারণে মিয়ানমার তাদের প্রথম দলে মুসলমানদের সঙ্গে রাখতে বলেছে। যেহেতু তারা ফিরতে চায় তাই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ভালোভাবে শুরু করা যাবে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা