kalerkantho

রবিবার। ১৭ নভেম্বর ২০১৯। ২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

চট্টগ্রাম আয়কর মেলা

এক দিনে ১০৫ কোটি টাকার কর জমা

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১৭ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



চট্টগ্রাম আয়কর মেলায় গতকাল শুক্রবার এক দিনেই ১০৫ কোটি টাকার কর জমা পড়েছে। চট্টগ্রামের চারটি কর অঞ্চল, দুটি বৃহৎ করদাতা ইউনিট, জরিপ রেঞ্জ-৩; কক্সবাজার জেলা, তিন পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি এবং সীতাকুণ্ড উপজেলায় আয়োজিত কর মেলা থেকে মোট এই কর আদায় হয়েছে।

চট্টগ্রাম জিইসি কনভেনশন সেন্টারে ১৩ নভেম্বর থেকে প্রতিদিনই করদাতারা ভিড় করে আয়কর জমা দিয়ে আসছে। গত কয়েক দিনে সর্বোচ্চ ৭১ কোটি টাকা কর জমা পড়ে। গতকালই এক দিনে এত বড় অঙ্কের কর জমার রেকর্ড হলো। গতকাল মেলায় ৫৩ হাজার করদাতা সেবা নিয়েছেন। আয়কর রিটার্ন জমা পড়েছে ছয় হাজার ৯৮ জনের।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মেলার তথ্য ব্যবস্থাপনা উপকমিটির আহ্বায়ক ও অতিরিক্ত কমিশনার মাহমুদুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আজ (গতকাল) সাপ্তাহিক ছুটির দিন থাকায় কর জমার হার অনেক বেশি ছিল। এর আগে প্রতিদিন ৭০ থেকে ৭২ কোটি টাকার রাজস্ব জমা পড়লেও আজ এক দিনেই ১০৫ কোটি টাকা জমা হয়েছে।’ আজ শনিবারও সেবাগ্রহীতা বাড়ার পাশাপাশি রাজস্ব জমা আরো বাড়বে বলে ধারণা করছেন তাঁরা।

জানা গেছে, ১৩ নভেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে কর মেলা শুরুর পর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে প্রথম দিন ইলেকট্রনিক টিআইএন জমা পড়ে ২১৪টি, দ্বিতীয় দিন ২৮৩টি ও তৃতীয় দিন ২৯৭টি। আর গতকাল চতুর্থ দিন জমা পড়ে ১৪৯টি। কর মেলায় ইলেকট্রনিক টিআইএন নেওয়ার হার গত বছরের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

এর কারণ হিসেবে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘গত বছর ব্যাংকারদের মূল বেতন ১৬ হাজার টাকার ওপরে হলে কর দেওয়ার বাধ্যবাধকতা চালু করা হয়েছিল। সে কারণে গত বছর ইলেকট্রনিক টিআইএন নেওয়ার হারও অনেক বেশি ছিল। কিন্তু এবার সে রকম বাধ্যবাধকতা না থাকায় ইটিআইএন নেওয়ার হার কমে গেছে।’

আয়োজকরা জানান, চট্টগ্রাম জিইসি কনভেনশন সেন্টারের কর মেলায় গতকাল এক দিনে কর সেবা নিয়েছেন প্রায় ৫০ হাজার জন। এর মধ্যে রিটার্ন জনা দিয়েছেন পাঁচ হাজার ৯৮ জন। কর জমা পড়েছে ১০৫ কোটি ৩৪ লাখ টাকা।

কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলা থেকে কর জমা পড়েছে প্রায় ৩৪ লাখ টাকা। আর শুধু সীতাকুণ্ড উপজেলা থেকে কর জমা পড়েছে এক লাখ ৮৭ হাজার টাকা। নগরীর জিইসি কনভেনশন সেন্টারে গত ১৩ নভেম্বর সকালে শুরু হওয়া মেলা চলবে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত।

জানা গেছে, কর মেলায় ইটিআইএন রেজিস্ট্রেশন ও রি-রেজিস্ট্রেশন, অনলাইনে রিটার্ন দাখিল (আইডি ও পাসওয়ার্ড), বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিএ), কেন্দ্রীয় জরিপ অঞ্চল, সিনিয়র সিটিজেন ও প্রতিবন্ধী করদাতা, বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর), উেস কর্তিত কর (টিডিএস), কর আপিল অঞ্চল, চট্টগ্রাম চেম্বার, চট্টগ্রাম উইমেন চেম্বার, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন চেম্বার, চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস, চট্টগ্রাম কাস্টমস এক্সাইজ ও ভ্যাট, জাতীয় সঞ্চয় পরিদপ্তর, কর শিক্ষণ ফোরামের বুথ রয়েছে। আর রাজস্ব জমা দেওয়ার জন্য সোনালী ব্যাংক ছাড়াও জনতা ও বেসিক ব্যাংকের বুথ রাখা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা