kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

উজিরপুরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ভাড়াটে খুনি নিহত

বরিশাল অফিস   

১৪ নভেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বরিশালের উজিরপুরের জল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু হত্যার ভাড়াটে খুনি রবিউল ইসলাম ওরফে রবিউল আউয়াল কথিত বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। গত সোমবার রাতে জল্লা ইউনিয়নের পীরের পাড় ফুলতলা নামক স্থানে এ ঘটনা ঘটে। রবিউল মাদারীপুরের কালকিনির কুকরির চর গ্রামের লাল চানের ছেলে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি পিস্তল, তিন রাউন্ড গুলি ও তিনটি রামদা উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় উজিরপুর থানায় একটি মামলা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, রবিউল আউয়াল মাদারীপুর বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান করছে—এমন খবর পেয়ে গত রবিবার রাতে সেখানে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে উজিরপুর থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে জল্লার একটি বাড়িতে তার কিছু অস্ত্র রয়েছে বলে পুলিশকে জানায়। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী অস্ত্র উদ্ধারের জন্য রাতে তাকে নিয়ে বের হয় পুলিশ। জল্লা ইউনিয়নের পীরের পাড় ফুলতলা নামক স্থানে তারা পৌঁছতেই রবিউলকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে তার সহযোগীরা। এ সময় রবিউল পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশও পাল্টা গুলি ছোড়ে। একপর্যায়ে রবিউলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখান থেকে তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রবিউলের লাশের ময়নাতদন্তের জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তার নামে মাদারীপুরের বিভিন্ন থানায় ছয়টি হত্যাসহ ১০টি মামলা রয়েছে।

বরিশালের পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, উজিরপুরের জল্লা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ হালদার নান্টু হত্যার সঙ্গে জড়িত মূল পরিকল্পনাকারীর আটজনকে গত মঙ্গলবার ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে নান্টুকে ভাড়াটে খুনি দিয়ে হত্যা করা হয় বলে তারা জানায়। এ সময় ভাড়াটে খুনি রবিউলের নাম-পরিচয় প্রকাশ করা হয়। সেই অনুযায়ী তাকে গত সোমবার রাতে মাদারীপুর থেকে আটক করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদে রবিউল জানিয়েছিল, টাকার বিনিময়ে সে চেয়ারম্যান বিশ্বজিৎ নান্টুকে হত্যা করে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা