kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়

খেলাধুলার জন্য উপযুক্ত নয় নিজস্ব মাঠ

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১৫ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র খেলার মাঠটি হয়ে পড়েছে খেলাধুলার অনুপযোগী। ময়লা-আবর্জনা পড়ে থাকায় এ মাঠে খেলতে গিয়ে আহত হয় শিক্ষার্থীরা। কার্যত মাঠটির রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচর্যায় আন্তরিক নয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তার পরও ঝুঁকিপূর্ণ এ মাঠে অনুষ্ঠিত হচ্ছে বিভিন্ন টুর্নামেন্ট।

সংশ্লিষ্টরা জানায়, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ধুপখোলা খেলার মাঠ। উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গ্যালারির মতো করে তৈরি হয়েছে এক তলা মার্কেট। যেটি দক্ষিণ সিটি করপোরেশন মার্কেট হিসেবে পরিচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হল নির্মিত হচ্ছে পাশেই। সেখানকার নির্মাণসামগ্রী ও আবর্জনা ফেলা হয় এ মাঠে। যার ফলে ঐতিহ্যবাহী এই মাঠে পড়ে থাকে ইট, পাথরসহ আবর্জনা। শিক্ষার্থীরা খেলতে নেমে ফেরে হাত-পা কেটে আহত হয়ে। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছাড়াও এখানে খেলাধুলা করে স্থানীয় শিশু-কিশোররা। মাঠের বেহাল দশায় ভলিবল, ব্যাডমিন্টন, বাস্কেটবল প্রতিযোগিতা হয় ক্যাম্পাসের ভেতরে বিজ্ঞান ভবনের সামনে পাকা মাঠে অথবা কলা ভবনের সামনের জায়গায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বাধ্য হয়ে বিভিন্ন স্থানে প্র্যাকটিস করে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়া কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহা. আলী নূর বলেন, ‘মাঠটি আসলে খেলার উপযুক্ত নয়। সেখানে সংস্কারকাজ করা হবে। সমস্যার সমাধানে কমিটি কাজ করছে।’

শরীরচর্চা শিক্ষাকেন্দ্রের সহকারী পরিচালক গৌতম কুমার দাস বলেন, ‘উপযুক্ত মাঠের অভাবে শিক্ষার্থীরা খেলার ব্যাপারে আগ্রহ হারাচ্ছে। তাদের একসঙ্গে খেলার ব্যবস্থা থাকলে বিভাগীয় শিক্ষকদের জন্যও সুবিধা।’

সূত্র জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময় ৩২টি বিভাগে আয়োজন করা হয় খেলাধুলার। তাতে অংশ নেয় প্রায় তিন হাজার শিক্ষার্থী। আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় টুর্নামেন্ট শুরু হলে শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি কর্তৃপক্ষ খুঁজে বেড়ায় অনুশীলনের মাঠ। কমলাপুর বাফুফের মাঠ অথবা শেখ কামাল স্টেডিয়ামে অনেক সময় চলে অনুশীলন। সেখানে সুযোগ না হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝুঁকিপূর্ণ মাঠটিতেই নামতে বাধ্য হয় খেলোয়াড়রা। এ পরিস্থিতির অবসান চায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা