kalerkantho

বড়াইগ্রামে আ. লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষ আহত ১১

নাটোর প্রতিনিধি   

১২ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নাটোরের বড়াইগ্রামে ১৪ দলের জনসভাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে ১১ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষে একপক্ষে ছিল বড়াইগ্রাম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা. সিদ্দিকুর রহমান পাটোয়ারীর লোকজন। আরেকপক্ষ স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুসের অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ঘটনার জন্য দুই পক্ষ একে-অন্যকে দায়ী করেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বড়াইগ্রাম পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১৪ দলের জনসভা হয়। তাতে প্রধান অতিথি ছিলেন ১৪ দলের সমন্ব্বয়ক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

সিদ্দিকুর রহমানের লোকজন দাবি করে, তারা মিছিল নিয়ে জনসভার দিকে যাচ্ছিল। লক্ষ্মীকোল এলাকায় পৌঁছালে এমপি কুদ্দুসের অনুসারী ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মোটরসাইকেল নিয়ে মিছিলের মধ্যে ঢুকে পড়ে। এতে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় চার থেকে পাঁচজন আহত হয়।

পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তাতে আহত হন এমপি কুদ্দুসের অনুসারী নগর ইউপি চেয়ারম্যান নিলুফার ইয়াসমিন ডালু ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মানিক রায়হান (২৭)। আহত হন ডা. সিদ্দিকুর অনুসারী পৌর বনপাড়া পৌর কাউন্সিলর ও মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শরীফুন্নেছা শিরিন (৪০), মহিলা আওয়ামী লীগকর্মী জুলেখা বেগম (৩৫), সখিনা বেগম (৫০) ও সুমি আক্তার (৩২)।

সিদ্দিকুর রহমানের লোকজন অভিযোগ করে, এ ঘটনার পর রাত ১০টার দিকে জোনাইল চৌমোহন বাজারে ডা. সিদ্দিকুরের মিছিলে যোগ দেওয়ায় এমপির অনুসারীরা কয়েকজনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আহত হন জোনাইল যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রবিউল করিম, ওয়ার্ড সহসভাপতি আলাউদ্দিন প্রামাণিক (৪৭), কর্মী গোলাম রাব্বানী ও মোহাব্বত আলী। ডা. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘২৫ হাজারেরও বেশি সমর্থক নিয়ে আমি সমাবেশে প্রবেশ করতে চাইলে প্রধান গেটে বাধাপ্রাপ্ত হই। আর তখন কিছুটা বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হলেও আমার নেতৃত্বে তা শান্ত হয়। কিন্তু রাতে আবারও পরিকল্পিতভাবে আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো উচিত হয়নি।’

অধ্যাপক আব্দুল কুদ্দুস বলেন, ‘লাখো মানুষের ঢল দেখে ঈর্ষান্ব্বিত হয়ে প্রতিপক্ষের লোকজন সমাবেশ পণ্ড করার চেষ্টা করায় ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তা প্রতিহতের চেষ্টা করে। আমার সমর্থকরা কারো ওপর হামলা করেনি; বরং হামলার শিকার হয়েছে।’

মন্তব্য