kalerkantho

শনিবার । ১৬ নভেম্বর ২০১৯। ১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

রায় পেয়ে নগরবাসী খুশি তারেকের ব্যাপারে ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১১ অক্টোবর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



অবশেষে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ে কালের কণ্ঠ’র কাছে সন্তুটি প্রকাশ করেছে রাজধানীর সাধারণ মানুষ। তবে তারেক রহমানের শাস্তি নিয়ে অসন্তুষ্টির কথাও জানিয়েছে অনেকে।

নগরবাসীর মতে, যেকোনো সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিচার হওয়া উচিত। বড় একটি দলের রাজনৈতিক সমাবেশে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা কোনো সভ্য দেশে কাম্য হতে পারে না। মামলাটির বিচাকাজে বিলম্ব হলেও পরবর্তী সময়ে রায়টি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

রাজধানীর বাড্ডা এলাকার বাসেক ভাণ্ডারি বলেন, ‘আজ সকাল থেকেই ঢাকার পরিস্থিতি খুব থমথমে ছিল। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অনেকেই ঘর থেকে বের হয়নি। অনেক দিন পর হলেও মামলাটির বিচার হয়েছে। বিচারের সংস্কৃতি থাকলে অপরাধ অনেকাংশে কমে যায়।’

গণতান্ত্রিক দেশে সব রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশের অধিকার থাকা উচিত বলে মনে করে সাধরাণ মানুষ। তাদের মতে, গণতন্ত্রকে পাকাপোক্ত করতে এবং রাষ্ট্রের অবস্থান সুদৃঢ় করার জন্য বিরোধী দল থাকা উচিত। কিন্তু বিএনপি যেভাবে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের সমাবেশে হামলা চালানোয় মদদ দিয়েছিল, তা খুবই ন্যক্কারজনক। একইভাবে আওয়ামী লীগ সরকারও বিনএনপিসহ অন্যান্য বিরোধী দলের সমাবেশে বাধা দিচ্ছে বলেও জানায় তারা।

এ ব্যাপারে বাবুল মিয়া নামের এক ব্যাংক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি রাজনীতিবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পাস করেছি। আমি মনে করি, রাজনীতিতে সহনশীলতা থাকা উচিত। কিন্তু এ দেশে অনেকাংশেই তা অনুপস্থিত। তবে গ্রেনেড হামলা মামলার রায়ের ফলে ভবিষ্যতে এ ধরনের হামলা করার ক্ষেত্রে অনেকেই ভাববে।’

রায়ে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের ফাঁসি হওয়াতে খুশি নগরবাসী। তবে দলটির শীর্ষ নেতাদের অন্যতম তারেক রহমানেরও একই শাস্তি হওয়া উচিত ছিল—এমনটা মনে করে তারা।

ডিআইটি প্রজেক্টের বাসিন্দা উম্মে কুলসুম বলেন, ‘তারেক রহমান গ্রেনেড হামলার দায় এড়াতে পারেন না। বাবরের ফাঁসি হয়েছে, তারেক রহমানেরও ফাঁসি হলে আরো ভালো লাগত।’ রাজধানীর আগারগাঁও এলাকার বাসিন্দা এস এম রিয়াদ বলেন, ‘আদালতের রায় নিশ্চয়ই আইন অনুযায়ী হয়েছে। আমরা রায়ে সন্তুষ্ট। তবে তারেক রহমানের সর্বোচ্চ সাজা হলে ভালো লাগত।’

২১ আগস্ট শেখ হাসিনার সমাবেশে বর্বরোচিত গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার রায় শুনতে গতকাল নগরবাসীর চোখ ছিল টেলিভিশনের পর্দায়। ঐতিহাসিক এ মামলার রায় জানতে কর্মজীবী সাধারণ মানুষও টেলিভিশনের পর্দা এবং অনলাইন সংবাদপত্রে ছিল তৎপর। রায়কে কেন্দ্র করে সহিংসতার আশঙ্কায় ঘর থেকে বের হয়নি অনেকেই। তবে রায়ের পর সে আশঙ্কা কেটে যাওয়ার পর স্বাভাবিক ছিল রাজপথ।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা