kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ জানুয়ারি ২০২০। ১০ মাঘ ১৪২৬। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

‘চা শিল্পের সম্ভাবনা’ নিয়ে গোলটেবিল বৈঠক কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দেশের চা শিল্পের ইতিহাস প্রায় ১৮০ বছরের পুরনো। দেশে চায়ের ভোক্তা বাড়ছে ৫ শতাংশ হারে। দেশের বেশির ভাগ চা বেচাকেনা হচ্ছে অভ্যন্তরীণ বাজারে। আবাদ, ফলন, উৎপাদন, ব্যাংক ঋণনীতি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং মূল্য, শিল্প বা কারখানাসহ পুরো প্রক্রিয়ায় আধুনিকতা ও সমন্বয় দেশের চা শিল্পকে নিয়ে যেতে পারে উন্নতির শিখরে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আরো আধুনিক ও সমন্বয়ের ছোঁয়া এ শিল্পের সম্ভাবনা বাড়াবে। কর্মসংস্থান ও রপ্তানি আয় বাড়ানো এবং গ্রামীণ দারিদ্র্য কমানোর মধ্য দিয়ে চা জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ অবস্থায় ‘চা শিল্পের সম্ভাবনা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করেছে কালের কণ্ঠ। আগামীকাল শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইস্ট ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের কনফারেন্স হলে অনুষ্ঠিত হবে এ বৈঠক। অনুষ্ঠানে সরকারের নীতিনির্ধারক, বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ, শ্রমিক নেতা, চা বাগান মালিকসহ এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অনেকেই উপস্থিত থাকবে।

বাংলাদেশে চা শিল্পের বিকাশে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অবিস্মরণীয় অবদান রয়েছে। ১৯৫৭-৫৮ সালে তিনি ছিলেন চা বোর্ডের চেয়ারম্যান। বঙ্গবন্ু্লই চা বোর্ডের প্রথম বাঙালি চেয়ারম্যান। তিনি ওই দায়িত্বে থাকাকালে চা চাষ, কারখানা উন্নয়ন, অবকাঠামো ও শ্রম কল্যাণের ক্ষেত্রে চা শিল্পে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বঙ্গবন্ধু সরকারের সময় এবং পরে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন সরকারের সময় গৃহীত বিভিন্ন নীতি, কর্মসূচি ও উদ্যোগও এগিয়ে নিয়েছে এ শিল্পকে।

২০১৫ সালে দেশের ১৬২টি বাগানের ৬০ হাজার হেক্টর জমিতে ৬৭ দশমিক ৩৮ মিলিয়ন কেজি চা উৎপন্ন হয়। অভ্যন্তরীণ চাহিদা মিটিয়েও প্রতিবছর কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, পোল্যান্ড, রাশিয়া, ইরান, যুক্তরাজ্য, আফগানিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, বেলজিয়াম, ফ্রান্স, কুয়েত, ওমান, সুদান, সুইজারল্যান্ডসহ অনেক দেশে রপ্তানি হচ্ছে চা। উচ্চ ফলনশীল ও আকর্ষণীয় গুণগত মানের ১৮টি ক্লোন উদ্ভাবন করেছেন বিটিআরআইয়ের গবেষকরা। বাই-ক্লোনাল ও পলিক্লোনাল বীজ উদ্ভাবন করেছে বিটিআরআই। জার্মপ্লাজম সমৃদ্ধ জিন ব্যাংক স্থাপন করেছে পাঁচ শতাধিক। জানা গেছে, সমীক্ষা চালিয়ে রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, নীলফামারী, দিনাজপুর, লালমনিরহাট, জামালপুর, ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইলের মধুপুর, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলায় চাষযোগ্য জমি চিহ্নিত করা হয়েছে।

 

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা