kalerkantho

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নিয়োগ

চিতলমারীতে দুই শিক্ষককে মারধর

চিতলমারী-কচুয়া (বাগেরহাট) প্রতিনিধি   

২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) অফিস কক্ষে গত বুধবার সন্ধ্যায় দুই শিক্ষককে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা মারধর করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষক লাঞ্চনার প্রতিবাদে গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রাথমিক শিক্ষকরা চিতলমারী উপজেলা প্রশাসন ভবনের সামনে মানববন্ধন করেছেন। আহত স্কুল শিক্ষক অপু রানী রায় (৩৮) ও তাঁর স্বামী কলেজ শিক্ষক সুকান্ত কীর্ত্তনীয়া (৪০) বিষয়টি চিতলমারী থানার পুলিশকে জানিয়েছেন। পরে পুলিশের ওপর আস্থা না পেয়ে ওই রাতেই আহত অবস্থায় তাঁরা ছুটে যান বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকের কাছে। আহত শিক্ষক সুকান্ত বাগেরহাট সদর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি-কাম-প্রহরী নিয়োগকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি এলাকায় সমালোচনার ঝড় তুলেছে। এদিকে গত বুধবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিয়ন-কাম-নৈশপ্রহরী নিয়োগ স্থগিত করেছেন চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবু সাঈদ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী চিতলমারী সদর ইউনিয়ন পরিষদের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. শহিদ শেখ বলেন, ‘বুধবার ইউএনও অফিসে ওই নিয়োগকে কেন্দ্র করে ৩৭ নম্বর শিবপুর ইউনাইটেড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অপু রানীর সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পীযূষ কান্তি রায়ের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রিয়াদ মুন্সি অপু রানীর স্বামী কলেজের প্রভাষক সুকান্ত কীর্ত্তনীয়ার মুখে ঘুষি মারেন। তাঁর ঠোঁট ফেটে রক্ত বেরিয়ে যায়। ঘটনার সময় চিতলমারী থানার ওসি উপজেলা পরিষদ ভবনের নিচতলায় ছিলেন। ওপরতলায় চিৎকার-চেঁচামেচি শুনে তিনি দ্রুত ওপরে উঠে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।’

চিতলমারী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পীযূষ কান্তি রায় মারধরের ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পিয়ন-কাম-নৈশপ্রহরী নিয়োগ স্থগিত করাকে কেন্দ্র করে শিক্ষক অপু রানীর সঙ্গে বচসা হয়েছে।’

মন্তব্য