kalerkantho

মঙ্গলবার । ১৫ অক্টোবর ২০১৯। ৩০ আশ্বিন ১৪২৬। ১৫ সফর ১৪৪১       

রাজবাড়ী ও জয়পুরহাটে দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করল প্রশাসন

রাজবাড়ী ও জয়পুরহাট প্রতিনিধি   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি ও জয়পুরহাট সদরে গতকাল শুক্রবার দুটি বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা তখন প্রায় শেষের পথে। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসন গিয়ে বিয়ে দুটি বন্ধ করে দেয়।

এর মধ্যে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করা হয়। বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা চলছে এমন খবর পেয়ে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন গতকাল বিকেলে গিয়ে ওই বিয়ে বন্ধ করে দেয়।

উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তায়েব-উর রহমান আশিক জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাসুম রেজার নির্দেশে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের শামুকখোলা গ্রামে অভিযান পরিচালনা করা হয়। স্থানীয় সংগ্রামপুর দাখিল মাদরাসার ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে বাল্যবিয়ে দেওয়া হচ্ছিল। বিয়ের সব আনুষ্ঠানিকতা প্রায় শেষের দিকে ছিল। এ সময় ওই বাড়িতে গিয়ে মেয়ের মা-বাবার সঙ্গে কথা হয়। পরে মেয়ের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে তাঁরা মুচলেকা দেন।

এদিকে জয়পুরহাট সদরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে নবম শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ হয়। এ সময় ওই ছাত্রীর মা-বাবার কাছ থেকে বয়স ১৮ না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না মর্মে মুচলেকা নেওয়া হয়।

জানা গেছে, সদর উপজেলার কেন্দুলি গ্রামের নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই মেয়ের বিয়ের তারিখ গতকাল ধার্য হয়। খবর পেয়ে জয়পুরহাট সদর থানা থেকে পুলিশ নিয়ে কনের বাড়ি যান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র রায়। এ সময় বাল্যবিয়ের ক্ষতিকর দিক তুলে ধরলে মেয়েপক্ষ ভুল বুঝতে পারে।

জয়পুরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিল্টন চন্দ্র রায় বলেন, ‘আমাদের সমাজের সবচেয়ে বড় অভিশাপ হলো বাল্যবিয়ে। আর এই বাল্যবিয়ে বন্ধের জন্য শুধু প্রশাসন নয়, সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। বাল্যবিয়ে বন্ধ না হলে এর কুফল আমাদেরই ভোগ করতে হবে।’

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা