kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১                     

সুজনের দাবি

‘নিয়ন্ত্রিত নির্বাচনে’ ইসির প্রতি বেড়েছে আস্থাহীনতা

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



‘খুলনা মডেলেই’ গত ৩০ জুলাই তিন সিটিতে ‘নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন’ হয়েছে বলে দাবি করেছে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)। সংগঠনটি মনে করে, এ কারণে নির্বাচন কমিশনের প্রতি মানুষের আস্থাহীনতা বেড়েছে। সে কারণে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন যাতে অবাধ, নিরপেক্ষ, শান্তিপূর্ণ তথা সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হয়, সে জন্য নির্বাচন কমিশনকে নির্বাচনসংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করতে হবে। সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনাক্রমে একটি জাতীয় সনদ বা সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হওয়া দরকার বলেও মনে করে সুজন।

এ ছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর ঐকমত্য ছাড়া হঠাৎ করে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করা ঠিক হবে না বলে মনে করে সংগঠনটি।

গতকাল বুধবার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে ‘রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশনে কেমন জনপ্রতিনিধি পেলাম’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে সুজন এই বক্তব্য তুলে ধরে।

সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র ও কাউন্সিলর পদে যাঁরা নির্বাচিত হলেন তাঁদের সম্পর্কে বিশ্লেষণধর্মী বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী দিলীপ কুমার সরকার।

সংবাদ সম্মেলনে সুজন নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, আঞ্চলিক সমন্বয়কারী মুর্শিকুল ইসলাম শিমুল ও ঢাকা মহানগর কমিটির সহসভাপতি নাজিম উদ্দিন।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, “সার্বিক বিবেচনায় রাজশাহী ও সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বহুলাংশে ‘খুলনা মডেলের’ই পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। ‘খুলনা মডেলের’ প্রধান বৈশিষ্ট্যসমূহ ছিল : আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় ক্ষমতাসীনদের প্রধান প্রতিপক্ষকে মাঠছাড়া করা; বিএনপি প্রার্থীর পোলিং এজেন্টদের দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করা; নির্বাচনের দিনে জোরজবরদস্তি করা ও নির্বাচন কমিশনের নির্বিকার থাকা।”

সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেন, ‘খুলনা মডেলেই ৩০ জুলাই তিনি সিটিতে নিয়ন্ত্রিত নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ নির্বাচনগুলো আমাদের প্রত্যাশা পূরণ করেনি। প্রত্যাশা পূরণ হয়নি সচেতন নাগরিকদের। ফলে আস্থাহীনতা বেড়েছে নির্বাচন কমিশনের প্রতি।’ আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে জাতীয় সনদ বা সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর হওয়ার দরকার আছে বলে মন্তব্য করেন সুজন সম্পাদক। তিনি বলেন, নির্বাচনের সময় এবং আগে-পরে কী ধরনের পরিবেশ-পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে, কার কী ভূমিকা হবে, সরকার গঠনের পর সরকারি ও বিরোধী দলের ভূমিকা কী হবে, সনদের শর্ত ভঙ্গ করলে কী হবে—সে বিষয়ে উল্লেখ থাকবে ওই স্মারকে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা