kalerkantho

বুধবার । ২৬ জুন ২০১৯। ১২ আষাঢ় ১৪২৬। ২৩ শাওয়াল ১৪৪০

দুই পা হারিয়ে কাঁদছেন রবিউল

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

১০ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



দুই পা হারিয়ে কাঁদছেন রবিউল

শাটল ট্রেনে কাটা পড়ে দুই পা হারানো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রবিউলের চিকিৎসা ও ভবিষ্যৎ নিয়ে দিশাহারা পরিবার। বৃদ্ধ বাবা আবুল হোসাইন ছেলের ভবিষ্যৎ চিন্তায় হাসপাতালে হা-হুতাশ করছেন। ওদিকে ছেলের পা হারানোর খবরে টেকনাফের গ্রামের বাড়িতে বেহুশ হয়ে পড়ে আছেন মা। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রবিউলের ছোট ভাই শফিক কালের কণ্ঠকে বলেন, ভাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে ও জ্ঞান ফিরেছে। ভালোভাবে কথা বলতে পারছেন না। শুধু কাঁদছেন আর বলছেন—আমি শেষ! এ জীবন দিয়ে আমার কী হবে? মরে গেলেই ভালো হতো। আমি এ জীবন চাই না!’

পরিবার সূত্রে জানা যায়, কৃষক পরিবারের সন্তান রবিউল। ছয় ভাই ও এক বোনের মধ্যে রবিউল চতুর্থ। বয়সের ভারে ন্যুব্জ বাবা এখন আর কৃষিকাজ করতে পারেন না। বড় দুই ভাই প্রবাসে থাকেন। তাঁদের আলাদা সংসার রয়েছে। রবিউল ও ছোট এক ভাই মিলে টিউশনি করে লেখাপড়ার খরচ চালানোর পাশাপাশি পরিবারের দেখাশোনা করে আসছিলেন। সবাই আশায় বুক বেঁধেছিলেন—কিছুদিনের মধ্যেই মাস্টার্স ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে রবিউল চাকরি করে সংসারের হাল ধরবেন। মর্মান্তিক এ দুর্ঘটনা সেই আশাকে হতাশার সাগরে ডুবিয়ে দিয়েছে। এখন রবিউলের চিকিৎসা আর অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে দিশাহারা সবাই।

 

মন্তব্য