kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৭ অক্টোবর ২০১৯। ১ কাতির্ক ১৪২৬। ১৭ সফর ১৪৪১       

কামাল-আমীরকে প্রত্যাহার মাসদার হোসেন মামলা থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধিমালা নিয়ে ছয় সদস্যবিশিষ্ট আইনজীবীর বিবৃতির প্রতিবাদ করেছে বিচারকদের সংগঠন বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন। একই সঙ্গে ঐতিহাসিক মাসদার হোসেন মামলা থেকে ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম ও ড. কামাল হোসেনকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। গতকাল বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

জানা গেছে, অ্যাসোসিয়েশনের ধানমণ্ডি কার্যালয়ে গতকাল রাতে জরুরি সভায় দুই শতাধিক বিচারক উপস্থিত ছিলেন। ওই সভায় বলা হয়, স্বাধীনতার ৪৭ বছর অতিবাহিত হলেও অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়নি। বর্তমানে এই শৃঙ্খলাবিধির গেজেট প্রকাশ হয়েছে। সংবিধানসম্মত একটি বিধিমালা করার পর সুপ্রিম কোর্ট গ্রহণ করেছেন। এ নিয়ে ছয় সদস্যবিশিষ্ট আইনজীবী বিবৃতি-সমালোচনা সংবিধান পরিপন্থী। এ ছাড়া ছয় আইনজীবী মাসদার হোসেন মামলা নিয়ে রাজনীতিকরণের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন বলেও বিচারকদের সভায় আলোচনা হয়।

বিচারকরা বলেন, সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বিচারকদের শৃঙ্খলা বিধি বিবৃতিদাতা আইনজীবীরাও করেননি। ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, অ্যাডভোকেট হাসান আরিফ মন্ত্রী ও উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু তাঁরা কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। এখন শৃঙ্খলা বিধি নিয়ে সমালোচনা গ্রহণযোগ্য নয়।

জুডিশিয়াল সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অধস্তন আদালতের বিচারকদের শৃঙ্খলাবিধি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ কতৃক গৃহীত হওয়ার পর এ নিয়ে কোনো বিবৃতি বা নেতিবাচক মন্তব্য না করার জন্য আইনজীবীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ১ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্ট দিবস পালনের দিন ড. কামাল হোসেন, ব্যারিস্টার রফিক-উল হক, ব্যারিস্টার এম আমীর-উল ইসলাম, ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন, অ্যাডভোকেট এ এফ হাসান আরিফ ও ব্যারিস্টার ফিদা এম কামাল একটি যুক্ত বিবৃতি দেন। তাঁরা বলেন, এমন একটা সময়ে দিবসটি পালিত হচ্ছে যখন এ দেশের বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ অভিভাবক প্রধান বিচারপতির পদ শূন্য।

সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর ভিত্তিতে একটি উপযুক্ত স্বাধীন ও পৃথক বিচার বিভাগের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে তাঁরা বলেন, মাসদার হোসেন মামলার রায়ের মাধ্যমে অধস্তন আদালতকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক্করণের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালতের দিকনির্দেশনা বাস্তবায়ন আশা করেন তাঁরা। এর মাধ্যমে নির্বাহী বিভাগ সংবিধান ও সর্বোচ্চ আদালতে রায়ের প্রতি সম্মান দেখাবেন বলেও তাঁরা আশা প্রকাশ করেন।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা