kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

ইন্দোনেশীয় মন্ত্রীর রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন

তোফায়েল আহমদ ও জাবেদ ইকবাল, কক্সবাজার   

২১ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইন্দোনেশীয় মন্ত্রীর রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির পরিদর্শন

গতকাল ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো মারসুদিকে নিয়ে হেলিকপ্টারযোগে কক্সবাজারের উখিয়ায় কুতুপালং শরণার্থী শিবির পরিদর্শনে যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী। ছবি : কালের কণ্ঠ

মিয়ানমার থেকে আসা রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতি সরেজমিন পরিদর্শন করেছেন ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী রেতনো এল পি মারসুদি। তিনি গতকাল মঙ্গলবার সকালে কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা শিবির সভাকক্ষে মিয়ানমার থেকে সদ্য অনুপ্রবেশকারী ২০ জন রোহিঙ্গা নারী-পুরুষের সঙ্গে কথা বলেন।

এ সময় বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাসান মাহমুদ আলী, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, ঢাকায় নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূতসহ সরকারি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ইউএনএইচসিআর, আইওএমসহ এনজিও প্রতিনিধিরাও উপস্থিত ছিলেন।

আজিজুল মোস্তফা নামের এক রোহিঙ্গা মন্ত্রীদের জানান, তিনি মিয়ানমারের মংডু কেয়ারী প্রাং এলাকার হাফেজুল ইসলামের ছেলে (২৫)।

বিজ্ঞাপন

ডান পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার হামলায়। সে অবস্থায় নাফ নদ পাড়ি দিয়ে চিকিৎসার জন্য আসেন টেকনাফ। কক্সবাজারের উখিয়া কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে পৌঁছে চিকিৎসা নেন। চিকিৎসকের পরামর্শে সম্পূর্ণভাবে কেটে ফেলা হয় তাঁর ডান পা। হুইল চেয়ারনির্ভর হয়ে পড়েন তিনি।

একইভাবে নিজের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা দেন মোহাম্মদ ইলিয়াছ। তিনি মংডু কেয়ারী প্রাং এলাকার লিয়াকত আলীর ছেলে (১৯)। তিনিও গুলিবিদ্ধ হন। ইন্দোনেশিয়া ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে গুলিবিদ্ধ ইলিয়াছ জানান, তিনি স্থানীয় বাজারে বাবার সঙ্গে দোকানদারি করতেন। হঠাৎ সেনাবাহিনী তাঁদের ওপর গুলিবর্ষণ করে। তাঁর বাঁ পায়ে গুলি লাগে। তিনি কোনোমতে পালিয়ে একটি ধান ক্ষেতে আশ্রয় নেন। দালালের মাধ্যমে বাংলাদেশে আসেন।



সাতদিনের সেরা