kalerkantho

সোমবার । ২৭ জুন ২০২২ । ১৩ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৬ জিলকদ ১৪৪৩

টিআইবির গবেষণা প্রতিবেদন

ইউজিসির প্রতিবাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২১ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) গত রবিবার প্রকাশিত ‘সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক নিয়োগ : সুশাসনের চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক প্রতিবেদনের ব্যাপারে প্রতিবাদ পাঠিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। টিআইবির এ গবেষণা প্রতিবেদনটি দেশের প্রায় সব দৈনিকেই ফলাও করে প্রচার হয়। তবে ওই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশে ইউজিসির মতো একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্নের দাবি করা হয়েছে এবং টিআইবির বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ইউজিসি।

ইউজিসি গতকাল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ইতিমধ্যে টিআইবি তাদের গবেষণা প্রতিবেদনের এক কপি ইউজিসি চেয়ারম্যান বরাবর পাঠিয়েছে।

বিজ্ঞাপন

প্রতিবেদনের পৃষ্ঠা সাতের ২.২-এর শেষ অধ্যায়ে বলা হয়েছে ‘বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রভাষক নিয়োগে তাদের (মঞ্জুরি কমিশনের) তেমন কোনো ভূমিকা নেই। ’ প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় নিজ নিজ আইন দ্বারা পরিচালিত। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আইনি কাঠামোতে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকে। মঞ্জুরি কমিশন (তার নিজস্ব জনবল নিয়োগ ব্যতীত) কোনো বিশ্ববিদ্যালয় কিংবা অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানের নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত থাকে না। কাজেই ওই অনিয়মের সঙ্গে বাইরের অংশীজনের মধ্যে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের কর্মকর্তাদের কোনোভাবেই জড়িত থাকার সুযোগ নেই।

ইউজিসি বিজ্ঞপ্তিতে আরো জানায়, জাতীয় দৈনিকগুলোর হাতে দেওয়া প্রতিবেদনে অনিয়মে জড়িত অংশীজনের মধ্যে ইউজিসির কর্মকর্তাদের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। কিন্তু ইউজিসি কিভাবে জড়িত, তা প্রতিবেদনের কোথায়ও বলা হয়নি। টিআইবির প্রতিবেদনে দুই ধরনের বক্তব্য দেওয়ায় বোঝা যায়, তাদের প্রতিবেদনই স্ববিরোধী এবং ভিত্তিহীন। টিআইবি কী কারণে এবং কী উদ্দেশ্যে মঞ্জুরি কমিশনের মতো একটি স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানকে জড়িয়ে এহেন উদ্ভট, মনগড়া, কাল্পনিক ও স্ববিরোধী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তা ইউজিসির কাছে বোধগম্য নয়। একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠানের সুনাম, ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার দুরভিসন্ধিমূলক কাজ করে টিআইবি নিজেই নিজ প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।



সাতদিনের সেরা