kalerkantho

শনিবার ।  ২১ মে ২০২২ । ৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৯ শাওয়াল ১৪৪৩  

নতুন বছরে নতুন করে ভাবুন...

২১ ডিসেম্বর, ২০১৬ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



নতুন বছরে নতুন করে ভাবুন...

বিএমআই যন্ত্র : স্বাস্থ্য ঠিক আছে কি না তা বুঝতে অধিকাংশ মানুষই বিএমআই মেশিনের দ্বারস্থ হন। কিন্তু বিএমআই পদ্ধতি কি সব সময় সঠিক তথ্য দেয়? উচ্চতার সঙ্গে ওজনের সমন্বয় ঠিক থাকা মানে এই নয় যে আপনি সুস্থ। ১৮৩০ সালের এই প্রযুক্তির ওপর ২০১৭ সালে গিয়ে পুরোপুরি নির্ভরশীল হওয়া যাবে না। তাই নতুন বছর বিশেষজ্ঞের কাছে চলে যান।

বিজ্ঞাপন

গ্লুটেন বিমুখ : গ্লুটেন এড়িয়ে চললেই সুস্থতা হাসিল করতে পারবেন, এমন কোনো কথা নেই। সেলিয়াক ডিজিসের মতো বিরল রোগ যাদের রয়েছে, কেবল তাদেরই গ্লুটেন এড়িয়ে চলা উচিত। এই নিষেধাজ্ঞা সবার জন্য প্রযোজ্য নয়।

আলমন্ড মিল্ক : অনেকেই এক গ্লাস দুধের বিকল্প হিসেবে আলমন্ড মিল্ক খাওয়ার অভ্যাস করে ফেলেছেন। এটা বেশ স্বাস্থ্যকর। কিন্তু কতটা? এক গ্লাস আলমন্ড দুধে ২ শতাংশ আলমন্ড থাকে। এতে কোনো প্রোটিন নেই। তাই আবারও এক গ্লাস দুধ খাওয়া শুরু করুন।

শুধুই জুস : অনেকেই ফল ও শাকসবজি জুস করে খেতেই পছন্দ করেন। এতে পরিপূর্ণ পুষ্টি মেলে ঠিকই। কিন্তু জুস খেলে পাকস্থলী পরিপূর্ণ হয় না। বরং এমনি ফল ও সবজি খেলে ক্ষুধা মেটে।

ডিমের কেবল সাদা অংশ : ডিমের কুসুম ছাড়া কেবল সাদা অংশ খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন অনেকে। সাদা অংশে প্রোটিন থাকে। কিন্তু অন্যান্য পুষ্টিকর উপাদান থাকে কুসুমে। গবেষণায় বলা হয়েছে, খাদ্য থেকে আসা কোলেস্টেরল রক্তের কোলেস্টেরলে খুব প্রভাব ফেলে না। তাই দেহে বেশি কোলেস্টেরল না থাকলে পুরো ডিম খেতে পারেন।

‘সি’ নির্ভরতা : ঠাণ্ডা-সর্দি দূর করতে বিভিন্ন খাবার আছে। কিন্তু কেবল ভিটামিন সির ওপর ভরসা করার অভ্যাস বাদ দিন। এই ভিটামিন গ্রহণেরও মাত্রা রয়েছে। একজন মানুষের প্রতিদিন দুই হাজার মিলিগ্রামের বেশি ভিটামিন খাওয়া ঠিক নয়।  

আঙুল ফোটানো : হাত ও পায়ের আঙুল ফোটানো কেবল বিরক্তিকরই নয়, এটা হাড়ের সংযোগস্থলের জন্য ক্ষতিকর—এই ধারণা বহু পুরনো। সাম্প্রতিক গবেষণায় বলা হয়েছে, এ কাজটি বরং হাড়ের সংযোগস্থলের পিচ্ছিলতার জন্য দারুণ কাজের হতে পারে।

মাইক্রোওয়েভ : অনেক গবেষণায় বলা হয়, মাইক্রোওয়েভ ওভেনে রান্না করলে খাদ্যের পুষ্টি উপাদান নষ্ট হয়। তাই এই যন্ত্রে রান্না করেন না অনেকে। কিন্তু খবরটি মিথ্যা। রান্না করতে যন্ত্রটি শক্তির তরঙ্গ ব্যবহার করে। এতে খাবারের মলিকিউলে দ্রুত কম্পনের সৃষ্টি হয়।  

ফ্লসিং : অনেকেই বলেন, সপ্তাহে একবার দাঁত ফ্লস করতে হয়। কিন্তু বার্তা সংস্থা এপির সাম্প্রতিক এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লসিংয়ের কার্যকারিতা নিয়ে এখনো কোনো গবেষণাই হয়নি। তাই প্রমাণিত হওয়ার আগে ফ্লসিং না করার সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন।

বিজনেস ইনসাইডার অবলম্বনে

সাকিব সিকান্দার



সাতদিনের সেরা