kalerkantho

শনিবার  । ১৯ অক্টোবর ২০১৯। ৩ কাতির্ক ১৪২৬। ১৯ সফর ১৪৪১         

ফতুল্লায় ইমনের ৯ টুকরা লাশ

১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি    

১৫ জুন, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় স্কুলছাত্র ইমন হোসেনের ৯ টুকরা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় করা মামলায় ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। গতকাল রবিবার বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নারায়ণগঞ্জের মুখ্য বিচার বিভাগীয় হাকিম আদালতে অভিযোগপত্রটি দাখিল করা হয়। ২০১৩ সালের ১৩ জুন ইমনকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে হত্যার পর লাশ ৯ টুকরা করে ফেলে দেওয়া হয়। পরে ২২ জুন বাড়ির অদূরে একটি ক্ষেত থেকে টুকরা করা লাশ উদ্ধার করা হয়।
ইমন হোসেন (১৩) ফতুল্লার চরাঞ্চল বক্তাবলীর কানাইনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে চর রাধানগর এলাকার ইসমাইল হোসেন ওরফে রমজান মিয়ার ছেলে।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই আবদুর রাজ্জাক জানান, হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও আসামিদের ১৬৪ ধারায় আদালতে দেওয়া জবানবন্দির ওপর ভিত্তি করে ১০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি জানান, অভিযোগপত্রটি আদালতে জেনারেল রেকর্ডিং শাখা দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগপত্র গ্রহণ বিষয়ে আদালত শুনানির দিন পরে জানাবেন।
অভিযুক্তরা হলো ইমনের আত্মীয় আবদুস সামাদের ছেলে সিরাজ (৪৫), আহম্মদ আলী (৫৫), আমান উল্লাহর ছেলে নাহিদ (২১), আহম্মদের ছেলে খোরশেদ আলম (১৮), সেন্টু মিয়া (২৫), মন্টু মিয়া (২২), সিরাজুল ইসলাম সিরাজের স্ত্রী সালমা (৪২), আমান উল্লাহর স্ত্রী আয়েশা (৪০), সিরাজুল ইসলাম সিরাজের ছেলে মামুন (২৪) ও আহমেদের স্ত্রী হুসনা (৪৭)।
জানা গেছে, ২০১১ সালে ইমনের বড় ভাই ইকবালের (সিঙ্গাপুরপ্রবাসী) সঙ্গে চাচা আহম্মদ আলীর ঝগড়া হয়। একপর্যায়ে ইকবালের লাঠির আঘাতে আহাম্মদ আলীর মাথা ফেটে যায়। এরপর থেকেই তাদের দুই পরিবারের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগেছিল। ওই ঘটনার পরে ইকবালকে দেখে নেওয়ার হুমকি দেওয়ায় তাকে সিঙ্গাপুর পাঠিয়ে দেয় পরিবার। প্রায় দুই বছর পর ইকবালের পরিবারের ওপর প্রতিশোধ নিতে ইমনকে হত্যার পরিকল্পনা করে আহাম্মদ আলী। সে অনুযায়ী, ২০১৩ সালের ১৩ জুন রাতে ইমনকে হত্যা করা হয়।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা