kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

কাপাসিয়ায় প্রকাশ্যে ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণের অভিযোগ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, গাজীপুর   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলায় প্রকাশ্যে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে এক স্কুলছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সঙ্গে থাকা চাচাত ভাইকে মারধর করে ওই ছাত্রীকে নিয়ে গজারি বনের ভেতর যায় সন্ত্রাসীরা। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে এলাকাবাসী। গতকাল সোমবার দুপুরে উপজেলার চক বড়হড় গ্রামে ঘটে এ ঘটনা। তবে পুলিশ বলছে, তারা কিছুই জানে না। উদ্ধারের পর ওই ছাত্রীকে প্রথমে কাপাসিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে তাকে গাজীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এলাকাবাসী ও স্বজনরা জানায়, ছাত্রিটি কাপাসিয়ার ঈদগাহ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ে। তাদের বাড়ি উপজেলার উত্তরখামের গ্রামে। বাবা পেশায় রিকশাচালক। গতকাল দুপুর ১টার দিকে স্কুল থেকে পাশের চক বড়হড় গ্রামে খালার বাড়ি বেড়াতে যাচ্ছিল ছাত্রীটি। সঙ্গে ছিল চাচাত ভাই শফিকুল ইসলাম। পথে চক বড়হড় হাফিজিয়া মাদ্রাসার সামনে পৌঁছালে মোটরসাইকেলে আরোহী তিন যুবক তাদের গতি রোধ করে। তারা হলো চক বড়হড় গ্রামের মৃত ফজলুল হক খানের ছেলে জহিরুল (৩০), আমজাদ হোসেন চান মিয়ার ছেলে মহসিন খান (২৫) ও জয়নুদ্দিনের ছেলে সবুজ খান (২৪)। কিছু বুঝে ওঠার আগেই জহিরুলের নেতৃত্বে বাকিরা শফিকুলকে মারধর করে ধারালো অস্ত্রের মুখে ছাত্রীটিকে তুলে নিয়ে যায়। শফিকুলের ভাষ্য মতে, তাকে মারধরের সময় পাশের মাদ্রাসাসহ আশপাশে অনেক মানুষ ছিল। সে চিৎকার করলেও কেউ এগিয়ে আসেনি।

এলাকাবাসী জানায়, শফিকুলের কাছে ঘটনা জেনে তারা ছাত্রীটিকে উদ্ধারে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। দুই ঘণ্টা পর পাশের গজারি বনের ভেতরে তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় পাওয়া যায়। লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই তিনজন পালিয়ে যায়। উদ্ধারের পর ছাত্রীটিকে স্থানীয় গ্রামপুলিশ স্বপনের বাড়ি নিয়ে প্রাথমিক শুশ্রূষা দেওয়া হয়। এ সময় হঠাৎ জহিরুল, মহসিন ও সবুজ সেখানে হাজির হয়ে ফের ছাত্রীটিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়। তবে গ্রামবাসীর প্রতিরোধের মুখে তারা পালিয়ে যায়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য দেলোয়ার হোসেন জানান, খবর পেয়ে তিনি এবং ইউনিয়ন পরিষদের আরেক সদস্য রেহান উদ্দিন ঘটনাস্থল গিয়ে ওই ছাত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠান।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা