kalerkantho

শুক্রবার  । ১৮ অক্টোবর ২০১৯। ২ কাতির্ক ১৪২৬। ১৮ সফর ১৪৪১              

ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা

প্রযুক্তি ও সেবা পেতে ভারতীয় কম্পানির সঙ্গে চুক্তি সই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৫ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রযুক্তি ও সেবা পেতে ভারতীয় কম্পানি আইএল অ্যান্ড এফএস লিমিটেডের সঙ্গে চুক্তি করেছে সরকার। গতকাল সোমবার বিকেলে সচিবালয়ে ভূমি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এই চুক্তি সই করা হয়েছে।

প্রতারণা, জালিয়াতিসহ ভূমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে নাগরিকদের নানামুখী সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে সরকার এ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ১৫৫ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্পের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে দেশের সাতটি জেলার ৪৫টি উপজেলাকে ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সম্পৃক্ত করা হচ্ছে। প্রকল্পের অধীনে একটি সেন্ট্রাল ডাটাবেইজ তৈরি করবে ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর। ২০১৬ সাল নাগাদ এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা গেলে পরে সারা দেশে ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশনের আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

গতকাল সচিবালয়ে এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় কম্পানিটির সঙ্গে চুক্তি সই করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী শামসুর রহমান শরীফ ডিলু, প্রতিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাভেদ, ভূমি সচিব সফিউল আলম, ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এম জলিল ও বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের ডেপুটি হাইকমিশনার সন্দ্বীপ চক্রবর্তী এবং ভারতীয় কম্পানর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তর্রা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের পক্ষে ডিজিটাল ভূমি জরিপ ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক জিল্লুর রহমান এবং ভারতীয় কম্পানির পক্ষে আসিফ কুমার চুক্তিতে সই করেন।

অনুষ্ঠানে ভূমিমন্ত্রী বলেন, ভারত বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদানের কথা বাংলাদেশ চিরদিন স্মরণ করবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ভূমি ব্যবস্থাপনা হয়রানিমুক্ত করার অভিপ্রায় ছিল বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন। এ প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে মানুষের সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিব জানান, ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজেশন করার লক্ষ্যে ভারতীয় ওই কম্পানিটি বিশেষায়িত সফটওয়ার ও হার্ডওয়ার সরবরাহ করবে। আগামী সপ্তাহে কম্পানিটি বাংলাদেশে তাদের কার্যক্রম শুরু করতে পারবে।

দিনাজপুর, পাবনা, রাজশাহী, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, শেরপুর ও জামালপুর জেলার ৪৫টি উপজেলায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে।

ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটি ২০১১ সালে হাতে নেওয়া হলেও বিভিন্ন জটিলতার কারণে এ প্রকল্পে কোনো অভিজ্ঞ কম্পানি নিযুক্ত করা যাচ্ছিল না।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা