kalerkantho

শনিবার । ৫ আষাঢ় ১৪২৮। ১৯ জুন ২০২১। ৭ জিলকদ ১৪৪২

রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়

অনিশ্চয়তায় শুরু শীতকালীন ছুটি

রংপুর অফিস   

১৯ ডিসেম্বর, ২০১৪ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের আন্দোলন চলছে। কিভাবে এ পরিস্থিতির সমাধান হবে তাও অজানা। এরই মধ্যে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে শীতকালীন ছুটি। খুলবে ৩০ ডিসেম্বর, ক্লাস চলবে ৩১ তারিখ থেকে। অবশ্য উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের কারণে ক্যালেন্ডার অনুযায়ী ক্যাম্পাস খোলা যাবে কি না তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

গতকাল ছিল ছুটির আগে শেষ কর্মদিবস। এদিন দুপুরে উপাচার্যপন্থী কর্মচারী ও বহিরাগতদের সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন উপাচার্যবিরোধী শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করেন, বিজয় দিবসে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির ব্যানারে স্বাধীনতা স্মারকে ফুল দিতে গেলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম নূর-উন-নবীর নির্দেশে কয়েকজন কর্মচারী ও বহিরাগতরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় উপাচার্যের নির্দেশে পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিপেটাও করে।

ন্যক্কারজনক এ ঘটনার নিন্দা ও হামলায় জড়িতদের শাস্তি দাবি করে শিক্ষকরা বলেন, অযোগ্য ও স্বেচ্ছাচারী উপাচার্যকে অপসারণের যে আন্দোলন চলছে তা বানচাল করার জন্য উপাচার্য নিজেই পরিকল্পিতভাবে এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. সাইদুল হক। বক্তব্য দেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. পরিমল চন্দ্র বর্মণ, গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আর এম হাফিজুর রহমান প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, পদোন্নতি পাওয়া শিক্ষকদের অর্জিত সময় থেকে পদমর্যাদাসহ অন্যান্য প্রাপ্যতা, সহযোগী অধ্যাপক/অধ্যাপক পদে পদোন্নতি ও অন্যান্য দাবিতে ২৭ অক্টোবর থেকে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে শিক্ষক সমিতি। আন্দোলনের অংশ হিসেবে শিক্ষকরা প্রশাসনিক ও একাডেমিক পদগুলো থেকে গণপদত্যাগ, উপাচার্যকে বয়কট, প্রশাসনিক ভবন বন্ধ করে দেওয়াসহ নানা কর্মসূচি পালন করেছেন। সবশেষে তাঁরা উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন।

আন্দোলনের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব কার্যক্রম কার্যত অচল হয়ে আছে। শিক্ষকরা প্রশাসনিক ও একাডেমিক পদগুলো থেকে পদত্যাগ করায় এক মাসেরও বেশি সময় ধরে বিভাগ, অনুষদ ও বিভিন্ন দপ্তর চলছে অভিভাবকহীনভাবে।

এদিকে গত ৯ নভেম্বর উপাচার্য তাঁর একক সিদ্ধান্তে ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত ঘোষণা করেন। ফলে ছয়টি অনুষদের ২১টি বিভাগে ভর্তীচ্ছু ৯০ হাজার ৪০২ জন শিক্ষার্থী বিপাকে পড়েছে। শীতকালীন ছুটি শুরু হয়ে যাওয়ায় তাদের অনিশ্চয়তাও প্রকট আকার ধারণ করেছে।

 



সাতদিনের সেরা