kalerkantho

শুক্রবার । ৪ আষাঢ় ১৪২৮। ১৮ জুন ২০২১। ৬ জিলকদ ১৪৪২

পেট্রাপোলে সন্দেহভাজন বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

আসামে আরো এক জঙ্গি ধরা

নিজস্ব প্রতিবেদক, কলকাতা   

১৯ ডিসেম্বর, ২০১৪ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ভারতের পেট্রাপোলে সন্দেহভাজন এক বাংলাদেশি যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ভারতীয় অভিবাসন দপ্তরের গোয়েন্দারা। তার কাছে ভারতবিরোধী ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে বলে দাবি করছেন গোয়েন্দারা। তাকে ১৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। অন্য দিকে, বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে জঙ্গিচক্রের আরেক সদস্যকে আসাম থেকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্য পুলিশ।

পেট্রোপোলে গ্রেপ্তার বাংলাদেশি যুবকের নাম বরক উল্লাহ। তার বাড়ি ফরিদপুর জেলার শালখা থানার কানাই গ্রামে। বৈধ ভিসা নিয়ে বেনাপোল-পেট্রোপল সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশের পর দুই দিন আগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। সন্দেহ হওয়া ভারতীয় অভিবাসন দপ্তরের গোয়েন্দারা তাকে জেরা করেন। অসংলগ্ন উত্তর দেওয়ায় দেহ তল্লাশির পর সঙ্গে থাকা ল্যাপটপ খুলে দেখা হয়। তাতে ভারতবিরোধী নানা ভিডিও ফুটেজ পাওয়া যায়। রাষ্ট্রবিরোধী কার্যকলাপের অভিযোগে ইতিমধ্যে তার বিরুদ্ধে বনগা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এ নিয়ে যোগাযোগ করা হলে উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় জানান, যুবককে জেরা করা হচ্ছে। তবে এর বেশি কিছু জানাতে রাজি হননি তিনি। যদিও স্থানীয় গণমাধ্যমের দাবি, গ্রেপ্তার ওই যুবককে এনআই হেফাজতে নেওয়া হবে। তাকে বর্ধমান কাণ্ডে জড়িত বলেও সন্দেহ করা হচ্ছে। যদিও এনআইএর সূত্রে এ রকম কোনো তথ্য অস্বীকার করা হয়।

তবে রাজ্য পুলিশের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা জানান, বর্ধমান কাণ্ডের পর বৈধভাবে ভারতে আসা বিদেশি বিশেষ করে বাংলাদেশি কাউকে সন্দেহ করা হলেও জেরা করা হচ্ছে। ধৃত বরকত উল্লাহ সন্দেহভাজন বাংলাদেশি। তবে জঙ্গি কি না সেটা এখনো বোঝা যাচ্ছে না।

এদিকে বর্ধমান বিস্ফোরণ কাণ্ডেও আসাম থেকে আরো একজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেপ্তার করেছে রাজ্যের পুলিশ। গত বুধবার আসামের নলবাড়ি জেলার চর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার নাম রফিকুল ইসলাম।

আসাম পুলিশ জানিয়েছে, রফিকুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। রফিকুল বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডের অন্যতম চক্রী বলে জিজ্জাসাবাদ শেষে জানিয়েছে পুলিশ। অসমের নলবাড়ি ভাঙনমারি এলাকার একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করত সে।

জানা গেছে, বর্ধমান কাণ্ডের অন্যতম মাস্টার মাইন্ড সাহানুর আলমকে জেরার পরই গোয়েন্দারা জানতে পারেন রফিকুল ইসলামের কথা। এরপর তার খোঁজে বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি শুরু করে আসাম পুলিশের স্পেশাল অপারেশন ইউনিট। অবশেষে রফিকুল ইসলামের হদিস পায় পুলিশ। এর আগে ২০০৮ সালে রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে আসাম পুলিশ। পরে জামিনে মুক্তি পায় সে।

 



সাতদিনের সেরা