kalerkantho

রবিবার । ১ কার্তিক ১৪২৮। ১৭ অক্টোবর ২০২১। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

গাড়িচালকদের খালেদার বাড়ি ঘেরাও থেকে ফেরাল পুলিশ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৩ ডিসেম্বর, ২০১৩ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গাড়িচালকদের খালেদার বাড়ি ঘেরাও থেকে ফেরাল পুলিশ

খালেদা জিয়ার বাসা ঘেরাও করার উদ্দেশ্যে গতকাল মহাখালী থেকে মিছিল বের করে সম্মিলিত গাড়িচালক সমাজ। ছবি : কালের কণ্ঠ

'ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হবে, খালেদা জিয়া ঘেরাও হবে' স্লোগান নিয়ে গতকাল সোমবার আনুমানিক এক হাজার গাড়িচালক বিএনপি চেয়ারপারসন ও বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার বাড়ি ঘেরাওয়ের চেষ্টা করে। মহাখালী থেকে মিছিল নিয়ে তারা গুলশানে পৌঁছাতে পারলেও সেখানে পুলিশ তাদের পথ আটকে দেয়। এ সময় চালকরা রাজপথে শুয়ে পড়ে খালেদা জিয়াসহ অবরোধ কর্মসূচির বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা খালেদা জিয়ার বাড়ি ঘেরাও করে তাঁকে এই বার্তাটি দিতে চেয়েছিল যে হরতাল ও অবরোধের মতো কর্মসূচি দেশের লাখ লাখ পরিবহন শ্রমিকের জীবন দুর্বিষহ করে তুলেছে। আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের অনেকে স্ত্রী-সন্তানদের তিন বেলা খাবার পর্যন্ত জোগাতে পারছে না। ফলে তারা বাধ্য হয়ে হরতাল-অবরোধ কর্মসূচি আহ্বানকারী দলের চেয়ারপারসনের বাড়ি ঘেরাওয়ের কর্মসূচি দিয়েছে।

অবরোধ-হরতালে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবহন খাত অচল হয়ে পড়েছে। বিভিন্ন সূত্র মতে, দিনে শুধু দূরপাল্লার পরিবহনেই ২৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হচ্ছে। পরিবহন শ্রমিকদের একটি বড় অংশ অর্ধাহারে-অনাহারে দিন যাপন করছে। সংসার চালাতে গিয়ে ধারদেনা করছে তারা।

জানা যায়, গতকাল সকাল সোয়া ১১টার দিকে 'সম্মিলিত গাড়িচালক সমাজ'-এর ব্যানারে মহাখালী বাস টার্মিনাল থেকে চালকদের মিছিলটি বের হয়। মিছিল থেকে ওই সময় 'দুনিয়ার মজদুর এক হও', 'আমার ভাই মরল কেন, খুনি খালেদা জবাব দে', কখনো আবার 'ঘেরাও ঘেরাও ঘেরাও হবে, খালেদা জিয়া ঘেরাও হবে' স্লোগান দিতে থাকে শ্রমিকরা। মিছিলটি কাকলী মোড় পার হয়ে গুলশান-২ নম্বর মোড়ে পৌঁছালে পুলিশ তাদের বাধা দেয়। গাড়িচালকরা ওই সময় ব্যর্থ হয়ে রাস্তায় শুয়ে পড়ে স্লোগান দিতে থাকে।

গুলশান থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা কালের কণ্ঠকে বলেন, 'আমরা নিরাপত্তার স্বার্থে এই পদক্ষেপ নিয়েছি।' মিছিলে প্রায় এক হাজার গাড়িচালক অংশ নেয়।

মিছিলে অংশ নেওয়া ট্যাক্সিক্যাব চালক রবিউল কালের কণ্ঠকে জানান, তাঁর গাড়ি গত ২৮ নভেম্বর বিজয়নগর এলাকায় পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এ সময় তাঁর হাতও পুড়ে যায়। আওয়ামী মোটরচালক লীগের তেজগাঁও থানার সেক্রেটারি আবুল কালাম আজাদ বলেন, 'আমরা ড্রাইভার। আমাদের ওপর কেন আক্রমণ? হরতাল বা অবরোধের আগের দিন কেন গাড়ি পোড়ানো হয়? আমরা এর জবাব চাই।'



সাতদিনের সেরা