kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৪ চৈত্র ১৪২৬। ৭ এপ্রিল ২০২০। ১২ শাবান ১৪৪১

ব্যক্তিত্ব

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

ইভান পাভলভ

শারীরতাত্ত্বিক ও চিকিৎসক ইভান পেত্রোভিচ পাভলভের জন্ম রাশিয়ার রয়জান নামক গ্রামে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮৪৯ সালে।  তাঁর বাবা ছিলেন গ্রামের একজন ধর্মযাজক। বাবার ইচ্ছানুযায়ী স্নাতক পাস করার পর তিনি গ্রামের কাছাকাছি এক ধর্মবিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ১৮৭৫ সালে শারীরবিদ্যা বিষয়ে কৃতকার্য হন এবং চিকিৎসাবিদ্যায় ডাক্তারি পড়তে মনোনিবেশ করেন। ১৮৮০ সালে তিনি ডাক্তারি পাস করেন। শৈশব থেকেই তিনি অস্বাভাবিক বুদ্ধিগত প্রতিভা প্রদর্শন করেন, যার নাম দেন ‘গবেষণার জন্য প্রেরণা’। তিনি গুরুমস্তিষ্কের অনেক প্রতিবর্ত ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদান করেন। ১৯২২ সালে তাঁর ফলাফলগুলো ভাষণ আকারে প্রকাশিত হয়। ১৯০৪ সালে পৌস্টিকপ্রণালীর ওপর গবেষণার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। চিকিৎসক হওয়ার পর ১৮৮৬ সালে তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গে চাকরির আবেদন করেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে তিনি চাকরিটা পাননি। পরবর্তী সময়ে গবেষণার কাজে লিপজিগ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লাডউইকের সঙ্গে কাজ করেন। সেখানে বিজ্ঞানী ওনডটের সঙ্গে পরিচিত হন। ১৮৯০ সালে সেন্ট পিটার্সবার্গে যে কলেজে ডাক্তারি পড়েছিলেন, সেই কলেজে অধ্যাপনার কাজ পান। তিনি মূলত গবেষণাধর্মী কাজই বেশি করতেন। তাঁর প্রধান খ্যাতি কুকুরের সাপেক্ষ প্রতিবর্ত ক্রিয়ার গবেষণাকে কেন্দ্র করে। এ গবেষণার মাধ্যমে মানুষ ও পশুর মস্তিষ্কের সঙ্গে বাইরের উত্তেজকের সম্পর্কের বিধান আবিষ্কার করা হয়। তাঁর সাপেক্ষ প্রতিবর্ত ক্রিয়ার তত্ত্বের ভিত্তিতে আধুনিক মনোবিজ্ঞানে বস্তুবাদী এবং আচরণবাদী গবেষণা ও ব্যাখ্যা বিশেষভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৬ সালে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা