kalerkantho

মঙ্গলবার। ৫ মাঘ ১৪২৭। ১৯ জানুয়ারি ২০২১। ৫ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ব্যক্তিত্ব

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

নিখিল সেন

নাট্যকার ও সংস্কৃতিকর্মী নিখিল সেনগুপ্তের জন্ম ১৬ এপ্রিল ১৯৩১ সালে বরিশালে। তাঁর পুরো নাম নিখিল সেনগুপ্ত হলেও তিনি নিখিল সেন এবং নিখিলদা নামেই পরিচিত। তাঁর বাবার নাম যতীশ চন্দ্র সেনগুপ্ত ও মা সরোজিনী সেনগুপ্ত। মাধ্যমিক পাস করে উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি কলকাতা সিটি কলেজে ভর্তি হন এবং কলকাতা থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করে আবার বরিশালে ফিরে আসেন। তিনি অভিনয়শিল্পী, আবৃত্তিশিল্পী, ভাষাসৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ হিসেবেও পরিচিত ছিলেন। আবৃত্তিতে অবদানের জন্য ২০১৫ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেছেন। ১৯৪১ সাল থেকে বরিশালের সাংস্কৃতিক কার্যক্রম, বিশেষ করে থিয়েটার ও আবৃত্তিতে জড়িত ছিলেন। তিনি ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত বরিশাল শিল্পী সংসদের একজন প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। ১৯৫২ সালে ‘বরিশাল থিয়েটার’ নামে একটি সাংস্কৃতিক দল গঠন করেন। ‘সিরাজের স্বপ্ন’ নাটকে অভিনয় করার মধ্য দিয়ে নাট্যজীবন শুরু করেন। পরবর্তীকালে অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেন। ২০০৫ সাল পর্যন্ত তিনি ২৮টি মঞ্চনাটকে দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—মনোজ মিত্রের ‘সাজানো বাগান’, মমতাজউদদীন আহমদের ‘নীলদর্পণ’ এবং মামুনুর রশীদের ‘ওরা কদম আলী’। তিনি কমিউনিস্ট আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনে যোগদান করেন এবং পাকিস্তানি শাসনামলে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হলে তিনি যুদ্ধে যোগদান করেন। তিনি শিল্পকলায় একুশে পদকসহ নানা পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা