kalerkantho

বৃহস্পতিবার  । ১৯ চৈত্র ১৪২৬। ২ এপ্রিল ২০২০। ৭ শাবান ১৪৪১

আমরা বরকতের ভাই...

আবুল কাসেম ফজলুল হক

২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৮ মিনিটে



আমরা বরকতের ভাই...

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায়ই দেখা দিয়েছিল উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনাবলির তুলনায় উনসত্তরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি-মার্চের ঘটনাবলি ছিল অনেক অনেক গুণ বড়। ছয় দফা আন্দোলনকালেই সরকারপক্ষ থেকে চলানো হয়েছিল আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। এ ঘটনার ঐতিহাসিক গুরুত্বও কম নয়। অথচ সেটির কথা এখন সবাই ভুলে গেছেন

 

স্মৃতি অবলম্বন করে কথা বলতে গেলে অনেক সময় ভুল হয়। তবু কখনো কখনো স্মৃতি সম্বল করে কথা বলতে হয়। তাতে ভুল দেখা দিলে অন্যরা তা সংশোধন করে দিতে পারেন। যে কথাগুলো আমি বলতে যাচ্ছি তাতে যদি কোনো ভুল থাকে, তাহলে যে কেউ তা সংশোধন করে দিয়ে কৃতজ্ঞতাভাজন হতে পারেন। মনে পড়ে, ১৯৬০-এর দশকে, বোধ হয় ১৯৬২ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত প্রতিবছর ১ থেকে ২০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রতিদিন দৈনিক সংবাদ পত্রিকায় প্রথম পৃষ্ঠার ওপরের এক কোণে ‘আমরা বরকতের ভাই, আমরা সালামের ভাই’—এই শিরোনামে কেউ একজন আনুমানিক তিন শ-সাড়ে তিন শ শব্দের একটি আবেগপূর্ণ লেখা লিখতেন। আবেগ ছিল আন্তরিকতাপূর্ণ, তথ্যনির্ভর ও যুক্তিনির্ভরও। তাতে মূল্যবোধের প্রকাশ থাকত। তাতে বাংলা ভাষাকে উর্দুর পাশাপাশি পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষারূপে প্রতিষ্ঠা করার, বাংলা ভাষার ঐতিহ্য ও সম্ভাবনা মধুসূদন, বঙ্কিম, রবীন্দ্রনাথ, শরত্চন্দ্র, নজরুল প্রমুখের মহান সব সৃষ্টি, বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্য এবং বাঙালি জাতীয়তাবাদের কথা থাকত। গণতন্ত্রের প্রয়োজনের কথা সব সময় থাকত। বলা হতো, পাকিস্তান পাঁচ জাতির রাষ্ট্র—বাঙালি, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, বালুচ ও পাঠান। বলা হতো ঐতিহ্যগত দিক দিয়ে এই পাঁচটি জাতিরই স্বাতন্ত্র্য আছে। পাকিস্তানের রাষ্ট্রকাঠামোতে এই পাঁচ জাতির স্বতন্ত্র বিকাশের সুযোগ রাখা দরকার। বাঙালি সংস্কৃতির সমৃদ্ধ, ঐতিহ্য ও বিপুল সম্ভাবনার কথা বলা হতো। বাংলা ভাষা, বাংলা সাহিত্য ও বাঙালির জ্ঞান-বিজ্ঞানের কথা বলা হতো। ঐতিহ্যগত দিক দিয়ে মিল থাকা সত্ত্বেও পশ্চিম বাংলার সংস্কৃতি থেকে পূর্ব বাংলার সংস্কৃতির ভিন্নতার কথা বলা হতো। আকাশবাণী কলকাতা থেকে রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, বাঙালি সংস্কৃতির শ্রেষ্ঠত্ব ও হিন্দু-মুসলিম ঐক্যের প্রয়োজন সম্পর্কে প্রেরণাদায়ক অনেক কথা বলা হতো। দেব দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিদিন রাত সাড়ে ১০টায় ‘সংবাদ পরিক্রমা’ নামে স্বরচিত সংবাদভাষ্য প্রচার করতেন, তাতে প্রধানত থাকত পূর্ব বাংলার বাঙালি জাতীয়তাবাদের কথা এবং ঢাকার লেখক-শিল্পীদের কর্মকাণ্ডের কথা। তাতে পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের বিরোধিতা এবং পূর্ব বাংলায় বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রতি সমর্থন থাকত। দেব দুলাল বন্দ্যোপাধ্যায় নামটি ছিল আমাদের অতি প্রিয়। তাঁর কণ্ঠস্বর, বাচনভঙ্গি, বক্তব্য, বক্তব্য প্রকাশের রীতি, ইতিহাসচেতনা, ভবিষ্যত্দৃষ্টি—সবই ছিল মনোমুগ্ধকর। তখন টেলিভিশনের দিন আসেনি; দিল্লিতে, কলকাতায় টেলিভিশন চালু হয়েছে ১৯৮০-র দশকের শেষ দিকে। ঢাকায় টেলিভিশন সেন্টারের উদ্বোধন হয়েছে ১৯৬৪ সালের ৩০ ডিসেম্বরে। টেলিভিশন নিয়ে ঢাকা অন্তত ২০ বছর এগিয়েছিল।

মুসলিম লীগ, আইয়ুব সরকার এবং পাকিস্তানবাদীরা এসবের বিরোধী ছিল। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের সরাসরি বিরোধিতা তারা বন্ধ করে ১৯৫২ সালের পর থেকেই। তবে রাষ্ট্রভাষারূপে বাংলা ভাষার প্রতিষ্ঠা তারা আন্তরিকভাবে চাইত না। ক্ষমতাসীনদের কথায় ও কাজে বৈপরীত্য ছিল। তাঁরা বলতেন, রাষ্ট্র গঠনের প্রয়োজনে জাতি বা ঘধঃরড়হ অপরিহার্য। তাঁদের বক্তব্য ছিল পাকিস্তানকে উন্নতিশীল রাষ্ট্ররূপে গড়ে তোলার জন্য দরকার সারা পাকিস্তানের জনগণের মধ্যে সুদৃঢ় ঐক্য। রাষ্ট্র গঠনের উদ্দেশ্যে জনগণের মধ্যকার ওই ঐক্যকে তাঁরা জাতীয়তাবাদ বলতেন। পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের জন্য তাঁরা জনগণের মুসলিম পরিচয়ের ওপর গুরুত্ব দিতেন। সংবিধানে বিসমিল্লাহ রাখতে চাইতেন। কিন্তু ইসলামের কথা প্রায় বলতেন না। পাকিস্তানকে ইসলামী রাষ্ট্ররূপে গড়ে তোলার কথা তাঁরা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার আগে কিংবা পরে কখনো বলতেন না। জিন্নাহ, লিয়াকত আলী, নাজিমুদ্দীন—এঁরা কেউই ধার্মিক ছিলেন না। ধর্মভিত্তিক দল ছিল একমাত্র জামায়াতে ইসলামী। জামায়াত জিহাদে বিশ্বাসী ছিল। তমদ্দুন মজলিশ, ছাত্রশক্তি ও খিলাফতে রব্বানি যে ইসলামের কথা বলত, ইসলামের যে ব্যাখ্যা দিত, আলেমসমাজ তাকে সম্পূর্ণ ভুল বলত। রেডিও পাকিস্তান থেকে প্রতিদিন সকালে কোরআন তিলাওয়াতের পরেই যে সংবাদভাষ্য প্রচার করত, তাতে ভারতকে বলতেন পাকিস্তানের ‘এক নম্বর শত্রু’। পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের জন্য ভারতবিদ্বেষ ও হিন্দুবিদ্বেষকে তাঁরা অপরিহার্য মনে করতেন। এই বিদ্বেষ তাঁরা জনমনে জাগিয়ে রাখার চেষ্টা করতেন।

বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার প্রায় অর্ধশতাব্দী পরে আমাদের রাজনীতি পাকিস্তানকালের মানসিকতা থেকে কতটা মুক্ত হয়েছে? মুসলিম লীগ সরকারের প্রচার থেকে আজকের বাংলাদেশ সরকারের প্রচার কতটা ভিন্ন? ‘আমরা বরকতের ভাই, আমরা সালামের ভাই’ শীর্ষক লেখার মধ্যে যে বক্তব্য থাকত, সেকালে আরো অনেকেই তা নানা ভাষায়, নানারূপে প্রকাশ করতেন। তাতে বাংলা ভাষার প্রতি, বাঙালি সংস্কৃতির প্রতি, বাঙালির ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি—সর্বোপরি পূর্ব বাংলার বাঙালি জাতীয়তাবাদের প্রতি ভক্তি-শ্রদ্ধার প্রকাশ থাকত। তখন জাতীয় চিন্তা ছিল পূর্ব বাংলাভিত্তিক। তবে পাকিস্তান-পূর্বকালের, ব্রিটিশ শাসন-পূর্বকালের বাঙালির গোটা ইতিহাসকেই পূর্ব বাংলার বাঙালি সংস্কৃতির ও বাঙালি জাতির ঐতিহ্যরূপে গ্রহণ করা হতো। এসব বর্জন করতেন মুসলিম লীগ-পাকিস্তানবাদীরা। তাঁরা বাংলার শুধু মুসলিম ইতিহাসকে বিবেচনায় ধরতে চাইতেন। রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, বাঙালি সংস্কৃতি ও বাঙালি জাতীয়তাবাদের যে উপধারার কথা আমরা বলছি তা গ্রহণ করে চলা, তার পক্ষে কাজ করা, মত প্রকাশ করা তখন কঠিন ব্যাপার ছিল। যিনি যে পেশায়ই থাকুন না কেন, এই ধারায় চিন্তা ও কাজ করার জন্য তাঁকে আর্থিক দিকসহ নানা দিক দিয়ে ক্ষতি স্বীকার করতে হতো। জেল-জুলুম ছিল। মুসলিম লীগ ও এনএসএফের গুণ্ডা-বদমায়েশদের দ্বারা অপমানিত ও নিগৃহীত হতে হতো। ছয় দফা আন্দোলনের কালে, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের আগে রাজনৈতিক দিক দিয়ে একেবারে দমবন্ধ অবস্থা ছিল। উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গোটা পূর্ব বাংলা গণবিস্ফোরণে ফেটে পড়ল। গণ-অভ্যুত্থানের দুই মাস আগেও বোঝা যায়নি যে দুঃশাসকরা কঠোর দমননীতি দ্বারা নিজেদের কবর নিজেরাই খুঁড়ে চলছিল।

রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের ধারাবাহিকতায়ই দেখা দিয়েছিল উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান। ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের ঘটনাবলির তুলনায় উনসত্তরের জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি-মার্চের ঘটনাবলি ছিল অনেক অনেক গুণ বড়। ছয় দফা আন্দোলনকালেই সরকারপক্ষ থেকে চলানো হয়েছিল আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা। এ ঘটনার ঐতিহাসিক গুরুত্বও কম নয়। অথচ সেটির কথা এখন সবাই ভুলে গেছেন। নানাভাবে ইতিহাস বিকৃত হয়ে যাচ্ছে।

সেই বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের সময় (১৯০৫-১১) যে গণজাগরণ দেখা দিয়েছিল, তা ধারাবাহিকভাবে চলমান ছিল ১৯৭০-এর দশক পর্যন্ত। এর মধ্যে আন্দোলনের পর আন্দোলন চলমান ছিল। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর প্রথম বছরগুলোতে ছিল তীব্র দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন। ব্রিটিশ শাসনের অবসান, জমিদারি ব্যবস্থার বিলোপ, রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন, যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা আন্দোলন (১৯৫৪-৫৮), উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, একাত্তরের মার্চের সর্বাত্মক জাতীয় অভ্যুত্থান, স্বাধীনতাযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশে দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলন ইত্যাদির মধ্য দিয়ে বিকশিত হয়েছে গণজাগরণ।

কিন্তু ১৯৮০-র দশকে এসে এ দেশের জনগণ হারিয়ে ফেলেছে গণজাগরণের সেই চেতনা। ১৯৮০-র দশক থেকে এ দেশে যেসব আন্দোলন হয়েছে, সেগুলোতে গণজাগরণের বৈশিষ্ট্য থাকেনি। সেগুলো পরিণত হয়েছে নিছক সরকার উত্খাতের আন্দোলনে। এগুলো পর্যবসিত হয়েছে নগ্ন ক্ষমতার লড়াইয়ে। বাংলাদেশের সংবিধানে যা-ই লেখা থাকুক, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি গ্রহণ করেছে মুক্তবাজার অর্থনীতি। তাদের দলীয় নীতি সংবিধান পরিপন্থী, রাষ্ট্রীয় আদর্শের বিরোধী। সামরিক শাসন কোনোক্রমেই অভিপ্রেত ছিল না। সামরিক শাসন অবশ্যই গণতন্ত্রের ব্যর্থতার লক্ষণ। গণতন্ত্র থাকলে সামরিক শাসন আসতে পারে, তবে সামরিক শাসনের মধ্যেও গণতন্ত্রের সম্ভাবনা তিরোহিত হয়নি। তখন সরকার উত্খাতের ও ক্ষমতা দখলের আন্দোলন ছিল। গণতন্ত্রের বক্তৃতা-বিবৃতি থাকলেও গণতন্ত্রের প্রস্তুতি কিংবা চিন্তা ছিল না। রাজনীতিতে শুধু অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি ছিল। কিন্তু নিরাজনৈতিকীকরণের প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে রাজনীতিই শেষ হয়ে যায় এবং গণতন্ত্রের সম্ভাবনা তিরোহিত হয়ে যায়। নিরাজনৈতিকীকরণ কার্যকর করতে হয়েছে বাইরে থেকে সাম্রাজ্যবাদী শক্তির দ্বারা। আত্মসমালোচনার ও আত্মশুদ্ধির মনোভাব দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এবং দলীয়ভাবে তৎপরতা বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে নেই। রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক চরিত্র নেই। জনগণ রাজনীতিবিরোধী হয়ে পড়েছে। শুধু ভোটের রাজনীতি দিয়ে কী হবে?

ব্রিটিশ শাসনবিরোধী স্বাধীনতা আন্দোলনকালের, পাকিস্তানকালের, বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের, গণতন্ত্রের, স্বাধীন রাষ্ট্ররূপে আন্দোলনকে গড়ে তোলার এবং বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষারূপে প্রতিষ্ঠা করার চিন্তাচেতনা ও আবেগ বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেই। বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলনের চেতনা, রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের চেতনা, যুক্তফ্রন্টের ২১ দফা আন্দোলনের (১৯৫৪-৫৮), আওয়ামী লীগের ছয় দফা আন্দোলনের চেতনা, মওলানা ভাসানীর ও বামপন্থীদের সংগ্রামী স্পৃহা, উনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমরা হারিয়ে ফেলেছি। ইতিহাসকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে জাতীয় স্বার্থ, রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও জনজীবনের স্বার্থের বদলে কিছু লোকের হীনস্বার্থে। আমরা ঘুমিয়ে আছি—কুম্ভকর্ণের ঘুম। আমাদের জাগতে হবে। ‘আমরা বরকতের ভাই, আমরা সালামের ভাই।’ ‘আমরা আসাদের ভাই, আমরা মতিউরের ভাই’ বলে আমাদের জানতে হবে ইতিহাস থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কালের নতুন স্লোগান ও নতুন লক্ষ্য নির্ধারণ করে, নতুন কর্মসূচি ও নতুন নতুন কর্মসূচি নিয়ে আমাদের সামনে চলতে হবে। বিশ্বায়নের সাম্রাজ্যবাদী নীতি নিয়ে সভ্যতাবিরোধী বৃহৎ শক্তিবর্গের অধস্তন হয়ে চলা অন্যায়। আমাদের সেই শক্তি অর্জন করতে হবে, যে শক্তির বলে আমরা স্বাধীন জাতীয় ও রাষ্ট্রীয় নীতি নিয়ে চলতে পারব। বাংলাদেশকে আমাদের অর্থাৎ বাংলাদেশের জনগণের স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্ররূপে গড়ে তুলতে পারে। বাংলা ভাষাকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা করে প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

লেখক : প্রগতিশীল চিন্তাবিদ

সাবেক অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা