kalerkantho

শুক্রবার । ২০ চৈত্র ১৪২৬। ৩ এপ্রিল ২০২০। ৮ শাবান ১৪৪১

ব্যক্তিত্ব

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

মিকেলেঞ্জেলো

ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি ও কবি মিকেলেঞ্জেলোর জন্ম ইতালিতে ৬ মার্চ ১৪৭৫ সালে। তাঁর বাবার নাম লুদভিকো দ্য লিওনার্দো বুওনারোত্তি সিমোনি এবং মা ফ্রাঞ্চেসকা। জীবৎকালেই তাঁকে শ্রেষ্ঠ জীবিত শিল্পী হিসেবে বিবেচনা করা হতো এবং ইতিহাসও তাঁকে সেভাবেই গণ্য করে। কয়েক প্রজন্ম ধরে তাঁর পূর্বপুরুষরা ফ্লোরেন্সে ক্ষুদ্র পরিসরে ব্যাংকিং ব্যবসা করতেন। পরবর্তী সময়ে মায়ের ক্রমাগত অসুস্থতার সময় এবং মৃত্যু-পরবর্তীকালে তিনি এক পাথর খোদাইকারীর পরিবারের সঙ্গে বসবাস করেন। সিঁড়িতে ম্যাডোনা স্থাপন তাঁর প্রথম উল্লেখযোগ্য কীর্তি। তিনি ১৭ বছর বয়সে পাতলা মার্বেলের ওপর খোদাই করে ভাস্কর্যটি তৈরি করেন। ম্যাডোনার কোলে বসা বাচ্চাটির শরীরে একটু বেঁকে বসার যে ভঙ্গিটি আমরা দেখতে পাই, সেটিই পরবর্তীকালে তাঁর কাজের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিকশিত হয়। ভ্যাটিকান শহরের গির্জায় রক্ষিত ভাস্কর্যটি ইতালীয় নবজাগরণের যুগের ভাস্কর্যশিল্পের এক অনবদ্য নিদর্শন। মার্বেলে তৈরি এ মূর্তিতে দেখা যায়, ক্রুশ থেকে নামানো যিশুর মৃতদেহ কোলে শোকস্তব্ধ মা মেরি। শোকস্তব্ধ মাতৃত্বের এক আশ্চর্য জীবন্ত প্রতিচ্ছবি এই ভাস্কর্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। পরে ছবিটি আরো বহু শিল্পীর প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছে। ১৫০৪-১৫০৬ সালের মধ্যে অঙ্কিত দোনি তোন্ডো তাঁর আরেক উল্লেখযোগ্য শিল্পকর্ম। এর বিষয়বস্তু হলো ‘পবিত্র পরিবার’, অর্থাৎ কুমারী মা মেরি, শিশু যিশু ও জোসেফ। ছবিটির বৃত্তাকার গঠন ও চরিত্রগুলোর জীবন্ত রূপের মধ্যে আগে উল্লিখিত তাদের তোন্ডোর ছাপ সহজেই চোখে ধরা পড়ে। ১৮ ফেব্রুয়ারি ১৫৬৪ সালে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা