kalerkantho

সোমবার । ৪ ফাল্গুন ১৪২৬ । ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০। ২২ জমাদিউস সানি ১৪৪১

গণতন্ত্রের দায় ও রাজনীতির দায়িত্ব

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.)

১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



গণতন্ত্রের দায় ও রাজনীতির দায়িত্ব

ঢাকার দুটি সিটি করপোরেশনের নির্বাচন হয়ে গেল এ মাসের ১ তারিখে। সংগত কারণেই এর উত্তাপ থাকবে আগামী জাতীয় নির্বাচন পর্যন্ত। রাজধানীর নির্বাচন বলে কথা। নির্বাচনের দিন এবং নির্বাচনী প্রচারকালে গতানুগতিক কিছু অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ ব্যতিরেকে পরিবেশ ছিল খুবই শান্তিপূর্ণ, যদিও ভোট কম পড়া নিয়ে অনেক কথা হচ্ছে। ফল প্রকাশের পর বিএনপির পক্ষ থেকে যথারীতি বলা হলো ভোটে কারচুপি হয়েছে। তাদের লোকজনকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে, বাড়ি থেকে বের হতে দেওয়া হয়নি ইত্যাদি ইত্যাদি, যা যেকোনো নির্বাচনে হেরে যাওয়ার পর বিএনপি সব সময় বলে থাকে আর কি। আমাদের রাজনৈতিক, এমনকি সামাজিক ও আইন-আদালতের অঙ্গনে এটি আমরা এখন দেখে অভ্যস্ত যে হেরে যাওয়ার যন্ত্রণায় চোখ বন্ধ করে প্রতিপক্ষের ওপর, আর নয়তো বিচারকের ওপর একতরফাভাবে দোষ চাপিয়ে এক ধরনের সান্ত্বনা খোঁজার চেষ্টা করা হয়। তাতে ক্ষতি ছাড়া লাভ কিছু হয় না। বিএনপি নিজেদের শক্তি পরীক্ষার জন্য নির্বাচনের পরের দিন তামাদি রাজনৈতিক কর্মসূচি হরতালের ডাক দেয়। তাতে লেজুড় হয় ড. কামাল হোসেনের ঐক্যফ্রন্ট।

সবচেয়ে বড় বিষয় ছিল, বিএনপির এক মায়ের পেটের ভ্রাতা জামায়াতকে কোথাও দেখা যায়নি। জামায়াতের ক্যাডার বাহিনী তো এখনো বহাল তবিয়তে আছে। ২ তারিখে ঢাকা শহরের চিত্র দেখে সবাই বলেছে, বিএনপির হরতালের ডাক জনমানুষ কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয়ে মাঠে মারা গেছে। এতে বরং বিএনপির অক্ষমতা ও ব্যর্থতার চিত্রটিই মানুষ আবার দেখতে পেল। বিএনপি বরাবরই সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে ব্যর্থ হয়েছে। সামরিক শাসকের প্রবর্তিত রাজনীতিতে অন্ধের মতো আঁকড়ে থাকার কারণেই যে তারা ক্রমেই অধঃপতিত হচ্ছে, সেই উপলব্ধি তাদের মধ্যে আসছে না। হরতাল, মাঠ দখল, রাস্তা দখল এবং জনগণকে হরতাল পালন করতে বাধ্য করার মতো পরিস্থিতি আর নেই। ভাইব্রান্ট ও বেগমান অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষ নিজের কাজকর্ম ফেলে, দোকানপাট, গাড়িঘোড়া বন্ধ রাখাকে খামাখা অর্থহীন কাজ মনে করছে। তা ছাড়া বিএনপি তো এমন কোনো রাজনৈতিক দল নয়, যাদের শাসনামলে মানুষ এখনকার চেয়ে ভালো ছিল। হরতাল, জ্বালাও-পোড়াওয়ের রাজনীতি বাংলাদেশ থেকে বিদায় হয়ে গেছে। মৃতকে কবর থেকে কেউ টেনে তুলে সামনে আনলে তার দুর্গন্ধে মানুষ বরং উল্টো দিকে যাবে।

১ তারিখের নির্বাচনে সার্বিক ভোটার উপস্থিতি কম ছিল। কিন্তু যত ভোট পড়েছে তার প্রায় ৩৩ শতাংশেরও ঊর্ধ্বে ভোট বিএনপি পেয়েছে। ১৯৯১ ও ১৯৯৬ সালের জাতীয় নির্বাচন, যে নির্বাচন দুটি নিয়ে কোনো পক্ষ থেকেই বড় কোনো অভিযোগ নেই, সেই দুটি নির্বাচনেও কাস্টিং ভোটের ৩৩ শতাংশের ঊর্ধ্বে বিএনপি পায়নি। তাতে প্রমাণিত হয় বিএনপির প্রার্থীকে ভোট দিতে কেন্দ্রে যাঁরা এসেছেন তাঁরা সঠিকভাবে ভোট দিতে পেরেছেন। কারো বদ ইচ্ছা থাকলেও তা কাজে আসেনি। এটিই ইভিএমের অর্জন। নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদারের কথামতো এবার ইভিএমের কারণেই অন্তত আগের রাতে ভোটের বাক্স ভরে দেওয়া অথবা নির্বাচনের দিন বলপূর্বক ব্যালট পেপার স্টাফিংয়ের অভিযোগ থেকে নির্বাচন কমিশন রক্ষা পেয়েছে এবং কারো বদ ইচ্ছা থাকলেও মাত্রাতিরিক্ত ভোট কাস্টিং দেখাতে পারেনি। নির্বাচন কমিশনে মাহবুব তালুকদারের অবস্থান ও তাঁর রাজনৈতিক টিল্টের কথা সবাই জানেন। সুতরাং তিনি যখন এমন কথা বলেন তখন অন্যরা ইভিএমের চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করলে বুঝতে হবে তাতে ‘দিলমে কুচ কালা হায়’। কারো কারো আঙুলের ছাপ মেলাতে সময় লেগেছে বা কারো মেলেনি, তার ফিরিস্তি গেয়ে কেউ কেউ ইভিএমের রফাদফা করেছেন। এই প্রপাগান্ডার পক্ষে পাল্লা এতই ভারী যে কিছু প্রগতিশীল লেখক ও বুদ্ধিজীবীও তার সঙ্গে সুর মিলিয়েছেন। আমার মনে হয়েছে, তাঁরা হয়তো আউট অব দ্য বক্স হতে চাননি। কিন্তু তাঁরা জানেন, সক্রেটিস থেকে শুরু করে ভলতেয়ার, জ্যঁ পল সার্ত্রে ও বার্ট্রান্ড রাসেলের মতো মনীষীরা সব সময় আউট অব দ্য বক্স কথা বলেছেন বলেই হাজার-শত বছর পরে মানুষ তাঁদের কথা শুনতে এত আগ্রহী। পশ্চিমা পরাশক্তির আশীর্বাদপুষ্ট একটি এনজিও প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার একটি ইংরেজি পত্রিকার উপসম্পাদকীয় পাতার প্রায় পুরোটাজুড়ে ইভিএমের বদনাম করে বলার চেষ্টা করেছেন, বিএনপি ভোটারদের কেন্দ্রে না আসার এটিই নাকি অন্যতম প্রধান কারণ।

সর্বমোট প্রায় সাড়ে ১৪ লাখ ভোট কাস্ট হয়েছে। এর মধ্যে আঙুলের ছাপ মেলেনি বা সময় লেগেছে—তার সংখ্যা হয়তো ০.৫ শতাংশের বেশি হবে না, যা সব বিবেচনায় নেগলিজেবল, অথচ এটিকেই সবচেয়ে বড় করে সামনে আনা হয়েছে। দুই সিটি করপোরেশন মিলে গড়ে ভোট পড়েছে প্রায় ২৭ শতাংশ। তাতে প্রমাণিত হয়, আওয়ামী লীগেরও বিশালসংখ্যক ভোটার কেন্দ্রে আসেননি। বিএনপির ভোটারদের কেন্দ্রে না আসার জন্য যদি ভয়ভীতি কাজ করে থাকে, তাহলে আওয়ামী লীগের ভোটারদের কী হলো। তাঁরা ভোটকেন্দ্রে এলেন না কেন? বিগত সব নির্বাচনের পরিসংখ্যান অনুসারে শুধু আওয়ামী লীগের ভোটাররা ভোট দিলেই তো প্রায় ৪০ শতাংশ ভোট কাস্ট হওয়ার কথা। সুতরাং ভোটার কম উপস্থিতির জন্য ইভিএম ও ভয়ভীতির যুক্তিটি টেকে না।

আসলে বাংলাদেশের দলীয় রাজনীতির দৈন্যদশা, তার সঙ্গে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও বৈশ্বিক বাস্তবতাকে উপেক্ষা করে সংকীর্ণ দোষারোপের সংস্কৃতিতে আমরা আবদ্ধ হয়ে পড়েছি বলে আমার কাছে মনে হয়। অন্য কোনো দিকে না তাকিয়ে ভোটার কম উপস্থিতির জন্য কেউ কেউ সম্পূর্ণ দোষ চাপিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের ওপর। অতি সহজ কাজ। ‘যা কিছু হারায় গিন্নি বলে কেষ্টা বেটাই চোর’! নির্বাচন কমিশনের দায় ও ব্যর্থতা রয়েছে। তবে সব পাল্টাপাল্টি যুক্তিতর্ক কাটাকাটি করার পর দেখা যাবে, শুধু ভোটার উপস্থিতি কম হওয়া ছাড়া এবারের ভোট নিয়ে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার মতো আর কোনো অকাট্য যুক্তি বা অজুহাত নেই। সুতরাং একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে একমুখী ও একতরফা অভিযোগ যখন কেউ উত্থাপন করে তখন তাদের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠা স্বাভাবিক। ভোটার কম উপস্থিতি নিয়ে কথা। এই যে আওয়ামী লীগের এত বিশালসংখ্যক ভোটার কেন্দ্রে এলেন না, এর দায়দায়িত্ব তো আওয়ামী লীগকেও নিতে হবে। আওয়ামী লীগের থানা ও ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিশ্চয়ই প্রত্যেক ভোটার সম্পর্কে জানেন। কারা কেন্দ্রে যাননি এবং কেন যাননি। সাংগঠনিকভাবে হয়তো আওয়ামী লীগ বিষয়টি জানার চেষ্টা করবে। কিন্তু বাইরে থেকে সেটি আমরা জানতে পারব না। তবে পর্যবেক্ষকের দৃষ্টিতে বলতে হলে বলতে হবে দলের তৃণমূল পর্যন্ত প্রতিটি স্তরে কোন্দল, দ্বন্দ্ব, বিশৃঙ্খলা ও আদর্শের প্রতি দায়বদ্ধতার অভাব এবং ইদানীং আবার জামায়াত-বিএনপির অনুপ্রবেশ—সব কিছুর বিরূপ প্রভাবে আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশ ভোটকেন্দ্রে আসা থেকে বিরত থেকেছে। এই যে যারা আসেনি তারা কখনো বিএনপিকে ভোট দেবে না। তার জন্য কেন্দ্রে না আসাকে শ্রেয় এবং দলের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনার বিরুদ্ধে নীরব প্রতিবাদ বলে মনে করা হয়েছে। তা ছাড়া বিএনপির চরম রাজনৈতিক দৈন্যদশা, অক্ষমতা এবং নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের নিষ্ক্রিয়তা দেখে আওয়ামী লীগের স্থায়ী ভোটারদের একাংশের কাছে মনে হতে পারে নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মতো অবস্থা বিএনপির নেই, আমি না গেলেও অন্য যাঁরা যাবেন তাঁদের ভোটেই আওয়ামী লীগের প্রার্থী জিতে যাবেন।

এবারের মেয়র প্রার্থীদের মধ্যে তুলনামূলক বিচারে বিএনপির দুই প্রার্থীর চেয়ে সব দিক থেকেই আওয়ামী লীগের দুই প্রার্থী অনেক এগিয়ে ছিলেন। সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কেন্দ্রে ভোটার আনার প্রধান দায়িত্ব পালন করে থাকেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। তাই ভোটার উপস্থিতি কম হওয়ার কারণ হিসেবে হতে পারে সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলর প্রার্থী সঠিকভাবে চেষ্টা করেননি অথবা নিজের দুর্বলতা ও বদনামের কারণে তাঁর প্রতি ওই এলাকার মানুষের কোনো আগ্রহ নেই। আওয়ামী লীগের ভোটাররা যেসব কারণে ভোটকেন্দ্রে আসেননি, তার প্রায় সব কারণই বিএনপির বেলায়ও প্রযোজ্য। বিএনপি বরাবরই সময়ের সঙ্গে তাল মেলাতে ব্যর্থ হওয়ায় আওয়ামী লীগবিরোধী স্থায়ী ভোটাররা ক্রমেই নিষ্ক্রিয় ও নিশ্চুপ হয়ে যাচ্ছেন। বিএনপিকে ভোট দিয়ে কোনো লাভ হবে না, বিএনপি জিততে পারবে না। সুতরাং হেরে যাওয়া দলকে জেনে-বুঝে ভোট দিয়ে জয়ী হওয়া প্রার্থীর রোষানলে পড়ার চেয়ে ভোটদানে বিরত থাকাই শ্রেয়। আওয়ামী লীগকে যাঁরা ভোট দেবেন না, যাঁরা একসময়ে বিএনপির স্থায়ী ভোটার ছিলেন, তাঁদের একটি অংশ উপরোক্ত পথ বেছে নিলে তাতে আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। এটিই এখন সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা। বিগত নির্বাচনগুলোতে বিএনপির সমর্থকরা দেখেছে, জয়ী হওয়ার চেয়ে নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে এবং বর্তমান সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন নির্বাচন সুষ্ঠু ও সঠিক কখনো হবে না—এটি প্রমাণ করাই বিএনপির মুখ্য উদ্দেশ্য। সুতরাং বিএনপির ভোটাররা মনে করে থাকতে পারেন, ভোটকেন্দ্রে না গেলেই বরং সব কূল রক্ষা হয়। তারপর ২০১৪ সাল থেকে নয়, ২০০১-২০০৬ মেয়াদে জামায়াতকে নিয়ে সরকার পরিচালনা থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত একের পর এক যেসব রাজনৈতিক ব্লান্ডার বিএনপি করেছে, তা এককথায় সীমাহীন। নেতৃত্বের চরম একগুঁয়েমিতা, অদূরদর্শিতা এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বাস্তবতাকে অগ্রাহ্য করার মধ্য দিয়ে আজ বিএনপি একটি পতিত অবস্থায় পড়েছে। ফলে নিজেদের স্থায়ী ভোটার হিসেবে চিহ্নিত গোষ্ঠী আজ বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের প্রতি আস্থা হারিয়ে চুপচাপ ঘরে বসে থাকাকে বেছে নিলে সেটিকে অস্বাভাবিক বলা যায় না। আরেকটি বড় ফ্যাক্ট রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শবিরোধী রাজনীতির জন্য নতুন প্রজন্মের বড় একটি অংশ বিএনপির প্রতি ক্রমেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে।

রাজনৈতিক দলের দুর্বলতা ও ব্যর্থতার বাইরে ভোটার কম উপস্থিতির পেছনে কিছু সামাজিক ও অর্থনৈতিক কারণও ইদানীং বাংলাদেশে দেখা যাচ্ছে। অর্থনৈতিক সচ্ছলতা বৃদ্ধির সঙ্গে সব স্তরের মানুষের মধ্যে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যতাবোধ বাড়ছে। মনঃপূত না হলে অন্যের কথায় কাউকে ভোট দিতে যাওয়ার পরিস্থিতি কমে যাচ্ছে। তা ছাড়া তথ্য-প্রযুক্তির প্রভাবে নতুন প্রজন্মের একটি অংশ সামষ্টিকতার  চেয়ে নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকার দিকে ঝুঁকছে। অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ও ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্যবোধের বিষয়টি উন্নত বিশ্বের নির্বাচনেও ভোট কম পড়ার অন্যতম একটি কারণ। কিন্তু বাংলাদেশ এখনো ওই পর্যায়ে আসেনি। বাংলাদেশের উঠতি গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখতে হলে মানুষকে নির্বাচনমুখী করা ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই। সব পক্ষকে মনে রাখা দরকার, আজ যা নিশ্চিত মনে হচ্ছে, কাল তা অনিশ্চিত হয়ে পড়তে পারে। জোর করে বা হুকুম দিয়ে জনগণকে ভোটকেন্দ্রে আনা যাবে না। তোষামোদিও এ ক্ষেত্রে কাজ দেবে না। এর জন্য রাজনৈতিক দলের সাংগঠনিক শক্তি ও শৃঙ্খলা এবং সব স্তরের, বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাদের জনগণের সঙ্গে ইন্টার-অ্যাকটিভ সম্পৃক্ততাই পারে ভোটারদের কেন্দ্রে আনতে। সত্যিকার অর্থে রাজনীতি করতে হলে সব স্তরের নেতাদেরই জনগণের প্রশ্ন শুনতে ও তার উত্তর দিতে হবে। শুধু বাগাড়ম্বরতা ও মিডিয়ার সামনে ফটোসেশন করে কোনো লক্ষ্য অর্জন করা যাবে না। গণতন্ত্রকে বাঁচানোর দায় সবার। তবে এটি রাজনৈতিক বিষয়। রাজনৈতিক দায়িত্ব। সুতরাং রাজনীতিকেই এই দায়িত্ব পালন করতে হবে।

 

লেখক : রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

[email protected]

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা