kalerkantho

শুক্রবার । ২৪ জানুয়ারি ২০২০। ১০ মাঘ ১৪২৬। ২৭ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী

লেখক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরীর জন্ম ফরিদপুরের পাংশা উপজেলার মাগুরাডাঙ্গা গ্রামে, ১৮৮৮ সালে। তাঁর বাবার নাম এনায়েতুল্লাহ চৌধুরী। পাংশা এমই স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি রাজবাড়ী সূর্যকুমার ইনস্টিটিউশনে ভর্তি হন এবং সেখান থেকে এন্ট্রান্স পাস করেন। পরে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হয়ে চতুর্থ বার্ষিক শ্রেণি পর্যন্ত পড়ার পর চক্ষুরোগে আক্রান্ত হয়ে কলেজ ত্যাগ করেন। ১৯১৪ সালে তিনি চট্টগ্রামের জোরওয়ারগঞ্জ উচ্চ ইংরেজি বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরের বছর রাজবাড়ী সূর্যকুমার ইনস্টিটিউশনে এবং ১৯১৮ সালে পাংশার জর্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিযুক্ত হন। কংগ্রেস রাজনীতির সঙ্গে তিনি ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। ১৯২০-২১ সালে অসহযোগ ও খিলাফত আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে তিনি কারাবরণ করেন। এর ফলে তাঁর শিক্ষকজীবনেরও অবসান ঘটে। পরবর্তী সময়ে তিনি কলকাতায় গিয়ে সাংবাদিকতার কাজে যোগ দেন এবং বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য সমিতির (১৯১১) সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত হন। তাঁর ও কবি গোলাম মোস্তফার যুগ্ম সম্পাদনায় ১৯২৭ সালে সমিতির মুখপত্র মাসিক সাহিত্যিক প্রকাশিত হয়। সমকালের বিভিন্ন সাময়িকীতে সমাজ, শিক্ষা, ধর্ম, দর্শন ও নীতি বিষয়ে তাঁর অনেক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়। তাঁর প্রধান রচনা : ‘ধর্মের কাহিনী’, ‘নূরনবী’, ‘শান্তিধারা ও মানব মুকুট’। তাঁর রচনার মূল উপজীব্য ইসলামী দর্শন ও সংস্কৃতি। গাম্ভীর্যপূর্ণ ভাব, মাধুর্যপূর্ণ ভাষা ও বলিষ্ঠ বক্তব্যের সমন্বয়ে তাঁর রচনাশৈলী অনন্য। সুবক্তা হিসেবেও তাঁর খ্যাতি ছিল। ১৯৪০ সালের ১৫ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা