kalerkantho

সোমবার। ২৭ জানুয়ারি ২০২০। ১৩ মাঘ ১৪২৬। ৩০ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

কবীর চৌধুরী

শিক্ষাবিদ ও লেখক কবীর চৌধুরীর জন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১৯২৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি। তাঁর পৈতৃক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিলের গোপাইরবাগে। তাঁর বাবার নাম খানবাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরী ও মা উম্মে কবীর আফিয়া চৌধুরী। তিনি ১৯৩৮ সালে ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকে ম্যাট্রিক এবং ঢাকা ইন্টারমিডিয়েট কলেজ থেকে ১৯৪০ সালে এইচএসসি পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর দুটিতেই প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেন। ফুলব্রাইট বৃত্তি নিয়ে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের মিনেসোটা বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্কিন সাহিত্য এবং সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে লোকপ্রশাসনের ওপর উচ্চতর গবেষণা সম্পন্ন করেন। কর্মজীবন শুরু শিক্ষকতা দিয়ে। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজির অধ্যাপক ছিলেন। ১৯৯৮ সালে তাঁকে জাতীয় অধ্যাপক সম্মানে ভূষিত করা হয়। তিনি বাংলা একাডেমির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর সাহিত্যকর্ম বহুমুখী ও বস্তুনিষ্ঠ। তাঁর রচিত, সম্পাদিত ও অনূদিত গ্রন্থের সংখ্যা দুই শতাধিক। তিনি ইংরেজি ও বাংলা দুই ভাষায় রচনা ও অনুবাদ করেছেন। বাঙালি পাঠকদের বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে পরিচিত করে তোলা, অন্যদিকে বাংলা সাহিত্যকে ইংরেজি অনুবাদের মাধ্যমে বিদেশি পাঠকদের সামনে তুলে ধরা ছিল তাঁর অনুবাদকর্মের সাফল্য। প্রগতিশীল, সেক্যুলার গণতান্ত্রিক রাজনীতির প্রবক্তা হিসেবে তিনি খ্যাতিখান। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ—‘অ্যাবসার্ড নাটক’, ‘মার্কিন উপন্যাস ও তার ঐতিহ্য’, ‘ইউরোপের দশ নাট্যকার’, ‘শেকসপিয়ার ও তাঁর মানুষেরা’, ‘অভিব্যক্তিবাদী নাটক’ প্রভৃতি। তিনি স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার, একুশে পদকসহ নানা পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। ২০১১ সালের ১৩ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা