kalerkantho

রবিবার । ১৯ জানুয়ারি ২০২০। ৫ মাঘ ১৪২৬। ২২ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

১০ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিন

 

বীরশ্রেষ্ঠ মোহাম্মদ রুহুল আমিনের জন্ম ফেনী জেলার বেগমগঞ্জে ১৯৩৫ সালের জুন মাসে। তাঁর বাবার নাম মোহাম্মদ আজহার পাটোয়ারী এবং মা জোলেখা খাতুন। ছোটবেলায় তাঁর পড়াশোনা শুরু হয় পাড়ার মক্তবে, পরে বাঘচাপড়া প্রাইমারি স্কুল এবং আমিষাপাড়া হাই স্কুলে। ১৯৫৩ সালে তিনি নৌবাহিনীতে জুনিয়র মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন। ১৯৫৮ সালে তিনি পেশাগত প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন এবং ১৯৬৫ সালে মেকানিক্যাল কোর্সের জন্য নির্বাচিত হন। সফলভাবে কোর্স সমাপ্তির পর তিনি ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার নিযুক্ত হন। ১৯৬৮ সালে তিনি চট্টগ্রামে পিএনএস বখতিয়ার নৌঘাঁটিতে বদলি হন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন এবং এপ্রিল মাসে ত্রিপুরা সীমান্ত অতিক্রম করে ২ নম্বর সেক্টরে যোগদান করেন। পরে তাঁদের কলকাতায় আনা হয়। তিনি নিয়োগ পান পলাশের ইঞ্জিন রুম আর্টিফিশার হিসেবে। ৬ ডিসেম্বর মোংলা বন্দরে পাকিস্তানি নৌঘাঁটি পিএনএস তিতুমীর দখলের উদ্দেশ্যে ‘পদ্মা’, ‘পলাশ’ ও মিত্রবাহিনীর গানবোট ‘পানভেল’ ভারতের হলদিয়া নৌঘাঁটি থেকে রওনা হয়। ৮ ডিসেম্বর সুন্দরবনের আড়াই বানকিতে বিএসএফের প্যাট্রল ক্রাফট ‘চিত্রাঙ্গদা’ তাঁদের বহরে যোগ দেয়। ৯ ডিসেম্বর কোনো বাধা ছাড়াই তাঁরা হিরন পয়েন্টে প্রবেশ করেন। ১০ ডিসেম্বর তাঁরা মোংলা বন্দরের উদ্দেশে রওনা হন এবং কোনো বাধা ছাড়াই দুপুর ১২টায় খুলনা শিপইয়ার্ডে পৌঁছেন। এ সময় আকাশে জঙ্গি বিমান দেখা যায়। তিনি পলাশেই অবস্থান নেন এবং আপ্রাণ চেষ্টা চালান গানবোটকে সচল রাখতে। শেষ মুহূর্তে তিনি পাকিস্তানি সেনাদের গুলিতে নিহত হন।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা