kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

৫ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দী

রাজনীতিক হোসেন শহীদ সোহ্রাওয়ার্দীর জন্ম পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলায় ১৮৯২ সালে। তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি (সম্মান) ও বিসিএল ডিগ্রি এবং পরে লন্ডনের গ্রেইজ ইন থেকে ব্যরিস্টার-এট-ল সম্পন্ন করেন। ১৯২০ সালে ইংল্যান্ড থেকে ভারতে ফিরেই তিনি রাজনীতিতে অংশ নেন। তিনি তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত থেকেছেন। ১৯২৪ সালে কলকাতা করপোরেশনের ডেপুটি মেয়র, ১৯৩৭ সালের নির্বাচনোত্তর ফজলুল হক কোয়ালিশন মন্ত্রিসভার শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রী, ১৯৪৩-১৯৪৫ সালে খাজা নাজিমুদ্দীন মন্ত্রিসভায় বেসামরিক সরবরাহ মন্ত্রী, ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তান আমলে ১৯৫৪-৫৫ সালে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-১৯৫৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি ছিলেন এক প্রতিভাবান রাজনৈতিক সংগঠকও। ১৯২৬ সালে তিনি ইনডিপেনডেন্ট মুসলিম পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৩৭ সালের নির্বাচনের আগে তিনি কলকাতায় ইউনাইটেড মুসলিম পার্টি নামে একটি দল গঠন করেন। ১৯৪৯ সালে পাকিস্তানের প্রথম ও প্রধান বিরোধী দল আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। ১৯৬২-১৯৬৩ সালের আইয়ুববিরোধী সম্মিলিত জোটের আন্দোলনে তিনি মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। দেশভাগের পর অন্যদের সঙ্গে তিনি তখনই পূর্ব পাকিস্তানে আসেননি। তিনি কলকাতায় থেকে যান এবং গান্ধীর সঙ্গে শান্তি মিশনের কর্মকাণ্ডে নিজেকে নিয়োজিত করেন। তিনি সাংবিধানিক শাসনে বিশ্বাসী ছিলেন। তাই ১৯৫৪ সালে দলীয় আপত্তি উপেক্ষা করে মোহাম্মদ আলীর মন্ত্রিসভায় আইনমন্ত্রী হিসেবে যোগ দেন। তিনি একজন বাস্তববাদী রাজনীতিক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন। ১৯৬৩ সালের ৫ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা