kalerkantho

রবিবার । ০৮ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১০ রবিউস সানি ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

বিষ্ণু দে

কবি, প্রাবন্ধিক ও চিত্রসমালোচক বিষ্ণু দের জন্ম কলকাতার পটলডাঙ্গায় ১৯০৯ সালের ১৮ জুলাই। তাঁর বাবার নাম অবিনাশচন্দ্র দে। ১৯২৭ সালে তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউট থেকে ম্যাট্রিক পাস করেন। ১৯৩০ সালে বঙ্গবাসী কলেজ থেকে আইএ, ১৯৩২ সালে সেন্ট পলস কলেজ থেকে ইংরেজিতে বিএ অনার্স এবং ১৯৩৪ সালে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৩৫ সালে কলকাতার রিপন কলেজে যোগদান করেন। পর্যায়ক্রমে তিনি মৌলানা আজাদ কলেজ ও কৃষ্ণনগর কলেজে অধ্যাপনা করেন। ১৯২৩ সালে কল্লোল পত্রিকা প্রকাশের ফলে যে নতুন সাহিত্য উদ্যম ও ব্যতিক্রমী শিল্প চেতনার সৃষ্টি হয়, তিনি ছিলেন তার অন্যতম উদ্যোক্তা। ১৯৩০ সালে কল্লোল পত্রিকা বন্ধ হয়ে গেলে তিনি সুধীন্দ্রনাথ দত্তের পরিচয় পত্রিকার সঙ্গে যুক্ত হন এবং ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত এর সম্পাদকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নিজেও নিরুক্ত নামে একটি পত্রিকা সম্পাদনা করেন। শিল্প, সংগীত ও সংস্কৃতির নানা বিষয়ে তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত রচনা অভিনন্দিত হয়েছে। গদ্য ও পদ্যে তাঁর বহুসংখ্যক গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ : ‘উর্বশী ও আর্টেমিস’, ‘চোরাবালি’, ‘সাত ভাই চম্পা’, ‘রুচি ও প্রগতি’, ‘সাহিত্যের ভবিষ্যৎ’, ‘নাম রেখেছি কোমল গান্ধার’, ‘রবীন্দ্রনাথ ও শিল্পসাহিত্যে আধুনিকতার সমস্যা’ প্রভৃতি। ‘ছড়ানো এই জীবন’ নামে তাঁর একটি স্মৃতিচারণামূলক গ্রন্থ আছে। তিনি ছিলেন ত্রিশোত্তর বাংলা কবিতার নব্যধারার আন্দোলনের প্রধান পাঁচজন কবির অন্যতম। সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, জ্ঞানপীঠ পুরস্কারসহ নানা পুরস্কার লাভ করেছেন। ১৯৮২ সালের ৩ ডিসেম্বর তিনি মারা যান।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা