kalerkantho

শনিবার । ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৬ রবিউস সানি               

ব্যক্তিত্ব

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

হেমাঙ্গ বিশ্বাস

সংগীতশিল্পী ও সুরকার হেমাঙ্গ বিশ্বাসের জন্ম সিলেটে ১৪ ডিসেম্বর ১৯১২ সালে। হবিগঞ্জ হাই স্কুল থেকে ম্যাট্রিক পাস করার পর তিনি শ্রীহট্ট মুরারিচাঁদ কলেজে ভর্তি হন। ১৯৩২ সালে তিনি কমিউনিস্ট পার্টির সংস্পর্শে আসেন। ১৯৩৫ সালে কারাবন্দি থাকাকালে তিনি যক্ষ্মা রোগে আক্রান্ত হন। পরে যাদবপুর হাসপাতালে কিছুকাল চিকিৎসাধীন থাকেন এবং সে কারণে তিনি মুক্তি পান। ১৯৪৮ সালে তেলেঙ্গানা আন্দোলনের সময় তিনি গ্রেপ্তার হন। ১৯৫৩ সালে বোম্বাইতে অনুষ্ঠিত আইপিটির সপ্তম সর্বভারতীয় সম্মেলনে তাঁর নেতৃত্বে আসামের ৪০ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। ১৯৩৮-৩৯ সালে যৌথভাবে তিনি ভারতীয় গণনাট্য সংঘ গঠন করেন। পঞ্চাশের দশকে এই সংঘের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন। ১৯৪২ সালে বাংলার প্রগতিশীল লেখক-শিল্পীদের আমন্ত্রণে তিনি প্রথম কলকাতায় আসেন সংগীত পরিবেশন করতে। ১৯৪৩ সালে তাঁর উদ্যোগে সিলেট গণনাট্য সংঘ তৈরি হয়। স্বাধীনতার আগে ভারতীয় গণনাট্য সংঘের গানের সুরকারদের মধ্যে তিনিই ছিলেন প্রধান। সে সময় তাঁর গান—‘তোমার কাস্তেটারে দিও জোরে শাণ, কিষান ভাই তোর সোনার ধানে বর্গী নামে’ প্রভৃতি গান আসাম ও বাংলায় সাড়া ফেলে। ১৯৫৬ সালে তিনি চীনে যান চিকিৎসার জন্য। ১৯৬১ সালে স্থায়ীভাবে চলে আসেন কলকাতায় এবং চাকরি নেন দেশ পত্রিকার সম্পাদকীয় দপ্তরে। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে মতপার্থক্য হলে তিনি কাজ ছেড়ে দেন। ১৯৭১ সালে মাস সিঙ্গার্স নামে দল গঠন করে তিনি গ্রামে গ্রামে গান গেয়ে বেড়িয়েছেন। লোকসংগীতকে কেন্দ্র করে গণসংগীত সৃষ্টির ক্ষেত্রে তাঁর অবদান উল্লেখযোগ্য। ২২ নভেম্বর ১৯৮৭ সালে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা