kalerkantho

শনিবার । ০৭ ডিসেম্বর ২০১৯। ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৯ রবিউস সানি ১৪৪১     

কর আইনের সংস্কার দরকার

ড. মোহাম্মদ আবদুল মজিদ

২২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



কর আইনের সংস্কার দরকার

আয়কর মেলা নিঃসন্দেহে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। কেননা আমরা কর আহরণের যে পর্যায়ে রয়েছি, তাতে দেখা যায় বহু লোক এখনো কর প্রদানের ব্যাপারে আগ্রহী হয়ে উঠতে পারেনি। অবশ্য অনেকের অনাগ্রহের কিছু কারণও রয়েছে। আবার অনেকের এড়িয়ে যাওয়ার প্রবণতা রয়েছে, বিদ্যমান রয়েছে আইনগত ও পদ্ধতিগত জটিলতাও। কর মেলা আয়োজনের মাধ্যমে এ বিষয়গুলো যদি করদাতাদের সহজে জানানোর ব্যবস্থা করা হয়, তাহলে মানুষের মধ্যে কর প্রদানের সচেতনতা যেমন বৃদ্ধি পায়, তেমনি তারা কর দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করতে পারে। এ ছাড়া তৃতীয় বিষয়টি হচ্ছে, এর ফলে করদাতা ও কর আহরণকারীর মধ্যকার দূরত্বও কমে আসবে। আমরা অনেকে মনে করছি, অনলাইনে কর দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হলে বিষয়টি আরো বেশি সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু এটি যতক্ষণ না হচ্ছে কর মেলা আয়োজন আগ্রহী করদাতাদের জন্য একটি সুযোগ উপস্থাপন করে। কর মেলা আয়োজনের মাধ্যমে বিষয়টির ব্যাপ্তি বেড়েছে ঠিকই, তবে এর আসল উদ্দেশ্য পূরণের যে লক্ষ্যমাত্রা তা পিছিয়ে যাচ্ছে কি না, তার দিকে লক্ষ রাখার বিষয় আছে। যেমন—২০০৮ সালে যে মৌলিক বিষয়গুলোর ওপর নির্ভর করে কর মেলা আয়োজনের প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়, সেখানে উদ্দেশ্য ছিল দুর্গম-দূরবর্তী এবং উঠতি অর্থনৈতিক অঞ্চলের করদাতারা যাঁরা কর অফিসে আসতে নানা সীমাবদ্ধতায় পারেন না বা স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন না কিংবা কর অফিস থেকে যাঁদের পরিবীক্ষণ পরিদর্শন সহজতর নয় তাঁদের কথা বিবেচনা করেই অর্থাৎ করদাতার দোরগোড়ায় উভয় পক্ষের সম্মিলন ঘটানো। কারণ কর অফিসগুলো সাধারণত বড় ও মফস্বল শহরে অবস্থিত। আর ওই অঞ্চলের করদাতাদের অনেকেই মফস্বল শহর থেকেও আরো দূরে অবস্থান করেন। দূরবর্তী অঞ্চলে যে করদাতা রয়েছেন, তাঁদের জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঠিক করার মাধ্যমে কর অফিসের কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হয়ে কর সম্পর্কে তাঁদের বিভিন্ন তথ্য জানাবেন। উদ্দেশ্য, তাঁরা যেন উৎসবমুখর পরিবেশে স্বাচ্ছন্দ্যে কর প্রদান করতে পারেন। এ ক্ষেত্রে মূল উদ্দেশ্য ঠিকই আছে, তবে কর মেলা সব উপজেলা পর্যায়ে না হয়ে বড় শহর, যেমন—ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় ও জেলা শহরে ঘটা করে আয়োজিত হচ্ছে। মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবৃত্ত শ্রেণির অনেকেই আগ্রহী হয়ে কর প্রদান করছেন; কিন্তু এর সঙ্গে আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে লক্ষণীয়, কর মেলা হচ্ছে বিভিন্ন ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতার জন্য এখানে করপোরেট এবং কম্পানির কর প্রদান ব্যবস্থা নেই, সম্ভবও নয়। এখন দেখতে হবে এই ব্যক্তি-শ্রেণির করদাতারা কোন পর্যায় রয়েছেন। সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কিন্তু কর প্রদান বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। আর রয়েছেন কম্পানিভুক্ত নন এমন ব্যবসা-বাণিজ্য ও সহায়-সম্পত্তির মালিক। যাঁদের ব্যাংকে অনেক হিসাব খোলা রয়েছে; কিন্তু কর বিভাগের খাতায় তাঁদের নাম নেই।

কর মেলা আয়োজন অবশ্যই ইতিবাচক। সেই সঙ্গে দেখতে হবে কর মেলা আয়োজনের উদ্দেশ্য কিভাবে কতটা পূরণ হচ্ছে। দুই বছর ধরে দেখা যাচ্ছে পর্যায়ক্রমে নতুন জেলা ও উপজেলায় কর মেলা আয়োজনের পুনোদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন জেলা ও উপজেলায় কর মেলা আয়োজনের ওপর জোর দিতে হবে। এ ছাড়া বড় বড় শহরে বছরে একবার বড় পরিসরে মেলা আয়োজন নয়, বছরজুড়ে করদাতারা যেন কর অফিসে গিয়ে কর প্রদানের উপযুক্ত পরিবেশ পেতে পারেন, কর মেলার মতো সেবা পেতে পারেন, সে ব্যবস্থা বলবৎ করতে হবে। কর মেলায় বেশি ভিড় হওয়ার নেপথ্যে এটিও একটি কারণ কি না, নিয়মিত কর প্রদানে আগ্রহীরা কর অফিসে না গিয়ে কর মেলায় আগ্রহী হচ্ছেন। এটি থেকেও এ শিক্ষা নেওয়ার বিষয় রয়েছে যে প্রতিটি কর অঞ্চলে যে তথ্য ও সেবা কেন্দ্র রয়েছে, সেগুলোর কার্যকারিতা বাড়ছে কি না। অর্থাৎ মানুষের কাছাকাছি যাওয়ার যে উদ্যোগগুলো কর মেলায় করা হচ্ছে, তার অনুরূপ অবস্থাও যেন কর অফিসে গড়ে ওঠে। তাহলেই মানুষের কাছাকাছি যাওয়ার উদ্দেশ্য পূরণ হবে। এ ছাড়া নতুন যে করদাতা মেলায় এসে কর প্রদানের পদ্ধতিগুলো শিখে কর জমা দিয়ে যাচ্ছেন, পরের বছর তিনি যদি কর মেলায় না এসেই তাঁর কর জমা দিতে পারেন, তাহলে সেটি হবে কর মেলার সাক্ষাৎ সার্থকতা। কিন্তু যদি দেখা যায়, প্রতিবছরই করহার রীতি-পদ্ধতি-নিয়ম ও সুযোগ-সুবিধার পরিবর্তনের কারণে প্রতিবছরই করদাতাকে নতুন করে জানতে ও শিখতে আসতে হয়। কর দেওয়ার পদ্ধতিটিকে যদি সহনশীল ও টেকসই করতে হয়, তাহলে বারবার হার ও কর হিসাব কষার পরিবর্তন করা ঠিক নয়। কর আইনের ধারা-উপধারায় ঘন ঘন পরিবর্তন আনা উচিত নয়। তাহলে করদাতাদের এবং কর আইন প্রয়োগকারী উভয় পক্ষেরই তা অনুসরণ ও প্রয়োগে গলদঘর্ম হতে হয় না, এমনকি তৃতীয় কোনো পেশাজীবীর পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজনটা কমে আসে। কর পরিশোধে ব্যয় বৃদ্ধি পেলে কিংবা কর আহরণে উদ্বুদ্ধ করতে বা সহায়তাদানের ব্যয় বৃদ্ধি পেলে নিট রাজস্ব আয় কম হবে। অন্য জটিল বিষয়টি হচ্ছে, প্রতিবছর জুনে বাজেট পেশ হয় এবং এর সঙ্গেই একটি অর্থ বিল দেওয়া হয়। নিয়ম অনুযায়ী অর্থ বিল পেশ করার সঙ্গে সঙ্গেই এটি কার্যকর হয়। ধরা যাক, সঞ্চয়ের ওপর করের হার পরিবর্তন হলো। ফলে করদাতা যখন রিটার্ন জমা দিচ্ছেন তখন নতুন আইন অনুযায়ী তা দিতে হচ্ছে। কিন্তু বিগত বছরে আগে থেকে তিনি এই হার পরিবর্তনের বিষয়টি অবহিত ছিলেন না বা তাঁর কোনো প্রস্তুতি ছিল না। কর পরিমাণ নির্ধারণ ও প্রদানের বিষয়টি অনিশ্চয়তায় থাকায় ব্যবসা-বাণিজ্যে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যা যেমন, তেমনি কর আরোপে প্রয়োগ, প্রক্রিয়া ও হিসাবায়নের ক্ষেত্রেও জটিলতা বাড়তেই থাকবে। উভয় কারণে রাজস্ব স্বার্থ বিঘ্নিত হয়। করদাতাকে একযাত্রায় প্রশিক্ষিত, উৎসাহিত, অবহিত ও কর প্রদানে শামিল করা যায় না। প্রতিবছর অর্থ বিলের মাধ্যমে কর আইনে অনেক বেশি পরিবর্তন আনা হয়। এসব অনুসরণে করদাতারা কেন, কর কর্মকর্তাও থিতু হতে অসুবিধায় পড়েন। সমন্বয় ও ভারসাম্য রাখতে পারা কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিবছর অর্থবিধিতে এত পরিবর্তন আনা হয় যে ওই পরিবর্তনের ভিত্তিতে একটি ব্যাখ্যামূলক বড় পরিপত্র এনবিআরকে জারি করতে হয়। আর তা করতে গিয়ে সময়ক্ষেপণ হয়েই যায়। সেপ্টেম্বরের কর জমা দেওয়ার সময়সীমাকে নভেম্বরে নিয়ে যাওয়ার তিনটি কারণ। এক. কর পরিপত্র জারি করতে গিয়ে সেপ্টেম্বর মাস চলে আসে। এদিকে জুনের প্রথম সপ্তাহে অর্থবিধি জারি করা হয়। তাহলে ব্যাখ্যামূলক করপত্রটি করতে এত সময় লাগবে কেন! এটি যদি জুলাইয়ের মধ্যে দেওয়া যায়, তাহলে সেপ্টেম্বরে কর দেওয়া সম্ভব হয়। বরং এটি পরের বছরের সেপ্টেম্বরের জন্য করা যেতে পারে। ব্যাখ্যাপত্র দিতে যথেষ্ট সময় নেওয়া হয়। কর মেলা নভেম্বরে না করে অন্তত অক্টোবরে করতে পারলে রাজস্ব আহরণ স্বার্থের কার্যকারিতা আরো বৃদ্ধি পেত।

এ ক্ষেত্রে আমাদের পদ্ধতিগত সংস্কারগুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে দেখতে হবে যে কর জমা দেওয়ার প্রক্রিয়াকে লোকেরা কেন জটিল মনে করছে? কেন কর প্রদানের ক্ষেত্রে মানুষ কর মেলা ঘিরে আগ্রহী হচ্ছে? কারণ তারা কর মেলায় সব প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যাগুলো সহজে পাচ্ছে। কর মেলার গুরুত্বকে বড় করে দেখার জন্যই মেলার উপযোগিতা পর্যলোচনা প্রয়োজন। এক. মেলাটি ব্যক্তি করদাতাদের নিয়ে, যাঁরা মোট করদাতার মাত্র ৩০ শতাংশ। অন্যদিকে করপোরেট কর, যা মোট ৭০ শতাংশ। মাত্র ৩০ শতাংশ ব্যক্তি করদাতাদের জন্য এত বড় কর মেলা আয়োজন করা হচ্ছে। এ আয়োজন ঘিরেও তৃতীয় পক্ষ থেকে কথা উঠেছে যে কর মেলায় সবাই এসে তাড়াহুড়া করে কর জমা দিয়ে যাচ্ছে; যার মাধ্যমে করের অ্যাসেসমেন্ট সঠিকভাবে হচ্ছে কি না সংশয় দানা বাঁধছে। এর মানে এখানে তৃতীয় পক্ষের স্বার্থ রয়েছে। তাদের আয় কমে যাচ্ছে। কর মেলায় সহজে কর জমা দেওয়ার বিষয়টিকে তারা অন্যভাবে ব্যাখ্যা করছে, যা নিয়ে ভাবনার প্রয়োজন রয়েছে। গত দুই বছরে এমন অনেক প্রতিবেদন আছে যে কর মেলায় কর প্রদানের পরও পরবর্তী সময়ে করদাতাকে কর অফিসে ডেকে পাঠানো হয়েছে, করের সার্টিফিকেট নিতে তাঁকে নতুন করে আসতে বলা হচ্ছে। একদিকে কর মেলায় কর জমা দিতে উৎসাহিত করা হচ্ছে আবার পরবর্তী সময়ে অনেককে কর অফিসে আসতে হচ্ছে। তাই কর মেলার উদ্দেশ্যগুলোকে আমলে নিতে হবে। নতুন যে করদাতা কর মেলায় এসে এ বছর কর জমা দিয়েছেন, তাঁকে যেন আগামী বছর নতুন নিয়মের কারণে আবার কর মেলায় না আসতে হয়, সে বিষয়টির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। কর প্রদানের ক্ষেত্রে প্রতিবছরই নতুন নতুন পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জটিলতাগুলো বাড়ছে। একটি আর্থিক আইন জারি করলে সর্বনিম্ন পাঁচ থেকে সাত বছর তা বহাল থাকা উচিত। তাহলে সবাই আইনটি সম্পর্কে অবগত থাকবে। প্রতিবছর যদি প্রতিবিধানের পরিবর্তন করা হয়, তাহলে লোকেরা ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারবে না। ফলে ফাঁকি দিতে চাইবে। কর মেলা নিয়ে অন্য যে বিষয়টি রয়েছে তা হলো, মেলায় যাঁরা অংশগ্রহণ করছেন, তাঁদের বেশির ভাগ মধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবী। যাঁরা বেশি পরিমাণে কর প্রদান করেন বা যাঁরা বড় ব্যবসায়ী তাঁরা এখানে আসছেন না। তাঁদের আসার যৌক্তিকতাও নেই। কারণ তিনি কর মেলায় এসে তাঁর সব হিসাব দেখাতে পারবেন না। সুতরাং কর মেলায় কোন শ্রেণির মানুষ আসছে, তা দেখতে হবে।

কর মেলা থেকে কতটা আয়কর আদায় হচ্ছে, তা ফলাও করে প্রচারের চল চালু হচ্ছে। বিষয়টি এমন নয় যে কর মেলা হচ্ছে বিধায় কর বাড়ছে। বরং আমাদের দেখতে হবে, কতজন নতুন টিআইএন নিয়েছেন, এ বছর কয়জন নতুন করদাতা যোগ হলেন এবং তাঁদের জমা দেওয়া করের পরিমাণ কত। দীর্ঘদিন ধরে নতুন আয়কর আইন হবে বলে শুনছি। আমরা এখনো ১৯৮৪ সালের ইনকাম ট্যাক্স অর্ডিন্যান্স অনুসারে চলছি। এটি কিন্তু আইন নয়, একটি অধ্যাদেশ, যা ব্রিটিশ আইনটির রেপ্লিকা। সবাই জানেন বিদ্যমান আয়কর অধ্যাদেশটি বর্তমানের এই বাংলাদেশের জন্য যথাযথ নয়। নব্বইয়ের দশক থেকে বাংলাদেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে অংশগ্রহণ থেকে শুরু করে মানুষের অর্থনৈতিক ব্যাপ্তি বেড়েছে। এপর্যায়ে পুরনো আয়কর আইন দিয়ে মুক্তবাজার অর্থনীতির মানুষের কর আদায়ের প্রসঙ্গগুলোকে খুব সহজ করা যাচ্ছে না। ১৯৯০ সাল থেকে এ পর্যন্ত প্রতিবারই আমরা আয়কর আইন নিয়ে কথা বলছি; কিন্তু সংসদে উত্থাপনে বিলম্ব হয়েই যাচ্ছে। নতুন আইন পাস করা হচ্ছে না। অথচ বারবার খসড়া আইনের খসড়াই হচ্ছে। কার্যকর হচ্ছে না। এটি না করে ভবিষ্যতের কথা ভেবে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে আইন তৈরি করতে হবে এবং দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। তাহলেই প্রত্যাশা পূরণ হবে। যেমন—ভ্যাট আইন। সাধারণ মানুষের আশঙ্কা থাকছে যে তারা যে ভ্যাট প্রদান করছে, তা সরকারের কাছে পৌঁছাচ্ছে কি না কিংবা ব্যবসায়ীরা এখানে স্বচ্ছতা ধরে রাখছেন কি না। এ বিষয়গুলো স্পষ্ট করতেই আইনের সংস্কার। কিন্তু এই আইনের সংস্কার প্রবর্তন করতে গিয়ে অনেক সময়ক্ষেপণ করার মানে হচ্ছে জনগণকে এবং রাজস্ব আহরণ স্বার্থকে আরো বেশি অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়া। আইনের সংস্কার সব সময় জনগণের স্বার্থেই হয় বা হওয়া দরকার।

লেখক : সরকারের সাবেক সচিব

এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা