kalerkantho

বুধবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১৩ রবিউস সানি     

ব্যক্তিত্ব

১৫ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ইয়োহানেস কেপলার

জার্মান গণিতবিদ ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী ইয়োহানেস কেপলারের জন্ম জার্মানির স্টুটগার্টে ১৫৭১ সালের ২৭ ডিসেম্বর। তিনি সপ্তদশ শতকের জ্যোতির্বিজ্ঞান বিপ্লবের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাঁর আগে গ্রহের গতিপথ নির্ণয় করা হতো জ্যোতিষ্কগুলোর খণ্ডগোলক অনুসরণ করে। তাঁর মতে, গ্রহীয় গতিসূত্র খণ্ডগোলক নয়, গ্রহগুলো ঘুরছে উপবৃত্তাকার কক্ষপথ অনুসরণ করে। পরে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাঁর লেখা ‘অ্যাস্ট্রোনমিয়া নোভা’, ‘হারমোনিকেস মুন্দি’ ও ‘এপিতোমে অ্যাস্ট্রোনমিয়াই কোপেরনিকানাই’ বইয়ের নীতিগুলোকেই তাঁর সূত্র হিসেবে নাম দেন। তাঁর সূত্রগুলো নিউটনের ‘মহাকর্ষ’ তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে রচিত। তিনি ছিলেন অস্ট্রিয়ার গ্রাৎস শহরের সেমিনারি স্কুলের গণিতের শিক্ষক। পরে জ্যোতির্বিজ্ঞানী টাইকো ব্রাহের সহকারী হন। তিনি সম্রাট দ্বিতীয় রুডলফ ও তাঁর দুই উত্তরসূরির রাজগণিতবিদ ছিলেন। তিনি লিনৎস শহরে গণিতের শিক্ষক এও জেনারেল ভালেনস্টাইনের উপদেষ্টা হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি প্রতিসরণ দুরবিনের উন্নত সংস্করণ নির্মাণ করেন, যা ‘কেপলারীয় দুরবিন’ নামে পরিচিত। কেপলার তাঁর আবিষ্কারগুলোকে ধর্মীয় যুক্তির মাধ্যমে সিদ্ধ করার চেষ্টা করেছিলেন। তিনি মনে করতেন, ঈশ্বর একটি মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিশ্বজগৎ সৃষ্টি করেছেন এবং প্রাকৃতিক কার্যকারণ অনুসন্ধানের মাধ্যমেই শুধু সেই পরিকল্পনা কিছুটা বোঝা সম্ভব। এ জন্য তাঁর গবেষণাকে জ্যোতির্বিজ্ঞান না বলে জ্যোতির্বিদ্যা বলাই যুক্তিসংগত। তিনি তাঁর নতুন জ্যোতির্বিদ্যার নাম দিয়েছিলেন সেলেস্টিয়াল ফিজিকস। তাঁর নামে মহাকাশ মানমন্দির, নক্ষত্র, মঙ্গল ও চাঁদের খাদ ও ধর্মীয় উৎসবের দিনের নামকরণ হয়েছে। ১৬৩০ সালের ১৫ নভেম্বর তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা