kalerkantho

সোমবার । ১৮ নভেম্বর ২০১৯। ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২০ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

২২ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

 

জীবনানন্দ দাশ

কবি জীবনানন্দ দাশের জন্ম বরিশাল শহরে ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি। তাঁর বাবার নাম সত্যানন্দ দাশ এবং মা কুসুমকুমারী দাশ। তিনি ১৯১৫ সালে বরিশাল ব্রজমোহন স্কুল থেকে ম্যাট্রিক, ১৯১৭ সালে বিএম কলেজ থেকে আইএ এবং ১৯১৯ সালে কলকাতার প্রেসিডেন্সি কলেজ থেকে ইংরেজিতে অনার্সসহ বিএ পাস করেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২১ সালে ইংরেজিতে এমএ ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯২২ সালে কলকাতা সিটি কলেজে ইংরেজির টিউটর হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়। ১৯২৮ সালে সেই চাকরির অবসানের পর ১৯২৯ সালে তিনি সদ্য প্রতিষ্ঠিত বাগেরহাট প্রফুল্লচন্দ্র কলেজে যোগ দেন। দিল্লির রামযশ কলেজেও কিছুদিন অধ্যাপনা করেছেন। কিছুকাল বেকার থেকে ১৯৩৫ সালে তিনি বরিশালের বিএম কলেজে যোগদান করেন। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের কিছু আগে তিনি কলেজ থেকে ছুটি নিয়ে সপরিবারে কলকাতায় চলে যান। তিনি ছিলেন তিরিশের দশকের অন্যতম কবি। মূলত কবি হলেও তিনি অজস্র ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও লিটারারি নোট রচনা করেন। তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ঝরাপালক’ প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো হচ্ছে—‘ধূসর পাণ্ডুলিপি’, ‘বনলতা সেন’, ‘মহাপৃথিবী’, ‘সাতটি তারার তিমির’ ও ‘রূপসী বাংলা’। ঔপন্যাসিক ও গল্পকার হিসেবে তাঁর স্বতন্ত্র প্রতিভা ও নিভৃত সাধনার উন্মোচন ঘটে মৃত্যুর পরে। উল্লেখযোগ্য উপন্যাস—‘মাল্যবান’, ‘সুতীর্থ’, ‘জলপাইহাটি’, ‘বাসমতীর উপাখ্যান’ ইত্যাদি। ১৯৫৩ সালে তিনি নিখিলবঙ্গ রবীন্দ্রসাহিত্য সম্মেলনে পুরস্কৃত হন। ১৯৫৪ সালে তাঁর ‘শ্রেষ্ঠ কবিতা’ গ্রন্থটি ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করে। ১৯৫৪ সালের ২২ অক্টোবর ট্রাম দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা