kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২১ নভেম্বর ২০১৯। ৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২৩ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

১৪ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

পুলিনবিহারী সেন

রবীন্দ্রবিশারদ পুলিনবিহারী সেনের জন্ম ময়মনসিংহে ১৯০৮ সালের ১১ আগস্ট। খুব ছোটবেলায় তিনি তাঁর মা বিজনবামিনী দেবীকে হারান। বাড়ির পণ্ডিত মশাই দেবেন্দ্রনাথ বিশ্বাসের কাছে পাঠাভ্যাস শুরু। ১৯২৫ সালে তাঁকে শান্তিনিকেতনে পাঠানো হয় এবং ম্যাট্রিক পাস করে তিনি বিশ্বভারতীর শিক্ষা ভবনে ভর্তি হন। শান্তিনিকেতনে আশ্রমের ঐতিহ্য ও নিয়ম অনুসারে তিনিও প্রতি বুধবার সকালে ‘উপাসনা গৃহ’ মন্দিরে উপাসনায় যোগ দিতেন। কবির ভাষণ শুনতেন নিবিষ্ট মনে। স্বতঃপ্রবৃত্ত হয়ে তিনি সেই ভাষণ খাতায় লিখতে শুরু করেন এবং কবিকে দেখান। রবীন্দ্রনাথ পড়ে দেখার পর তাঁকে বলেছিলেন, ‘চমৎকার লিখেছিস তো! তোর বাংলাজ্ঞান বেশ ভালো।’ অচিরেই তিনি কবির স্নেহ লাভ করেন। শান্তিনিকেতন থেকে তিনি যখন কলকাতায় পড়তে গিয়েছিলেন, নানাবিধ সাংস্কৃতিক ক্রিয়াকাণ্ডে নিজেকে ব্যাপৃত রাখতেন। স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে অর্থনীতিতে অনার্স ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে এমএ পাস করেন। প্রথমে বীমা কম্পানিতে চাকরি পেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর অন্তরে ছিলেন রবীন্দ্রনাথ। ১৩৩৫ সালে ‘প্রবাসী’ পত্রিকায় তাঁর কর্মজীবন শুরু। ১৯৩৯ থেকে তিনি বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগে যোগ দেন। বিস্মৃতপ্রায় রবীন্দ্র রচনার সূচি ও সংকলন তাঁর জীবনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য অবদান। রবীন্দ্র রচনা, রবীন্দ্রজীবন ও বিস্তৃত কর্মের তথ্যনিষ্ঠ পরিচয় লিপিবদ্ধ, তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণে তাঁর আজীবন সাধন ছিল। তিনি নিরবচ্ছিন্নভাবে রবীন্দ্রচর্চা ও গবেষণায় দৃষ্টান্ত রেখেছেন। তাঁর রবীন্দ্র গবেষণা, সংকলন ও সম্পাদনায় নতুন মাত্রা পেয়েছে। রবীন্দ্রজীবন ও সাহিত্যের ভাণ্ডারি হিসেবেও তাঁকে অভিহিত করা হয়। ১৯৮৪ সালের ১৪ অক্টোবর তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলস্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা