kalerkantho

বুধবার । ২৩ অক্টোবর ২০১৯। ৭ কাতির্ক ১৪২৬। ২৩ সফর ১৪৪১                 

ব্যক্তিত্ব

১০ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

এস এম সুলতান

চিত্রকর এস এম সুলতানের জন্ম নড়াইলে এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে ১৯২৩ সালের ১০ আগস্ট। তাঁর বাবা ১৯২৮ সালে তাঁকে নড়াইলের ভিক্টোরিয়া কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি করে দেন। পাঁচ বছর চলে সেই শিক্ষা। এরপর বাবার সঙ্গে রাজমিস্ত্রির কাজ শুরু করেন, কাজের ফাঁকে চলে সেসব দালানের ছবি আঁকা। ১৯৩৮ সালে তিনি কলকাতায় যান। এ সময়ই তিনি প্রখ্যাত শিল্প-সমালোচক এবং কলকাতা আর্ট স্কুলের গভর্নিং বডির সদস্য শাহেদ সোহরাওয়ার্দীর সান্নিধ্যে আসেন। তাঁর পৃষ্ঠপোষকতায় ১৯৪১ সালে তিনি কলকাতা আর্ট স্কুলে ভর্তি হন। তিন বছর পর তিনি বেছে নেন ফ্রিল্যান্স শিল্পীর জীবন। তিনি প্রকৃতিকে ভালোবাসতেন রোমান্টিক কবির আবেগ দিয়ে এবং অস্বীকার করেছেন যান্ত্রিকতাপিষ্ট নাগরিক জীবনকে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় ইংরেজ ও মার্কিন সৈন্যদের ছবি এঁকে ও ছবি বিক্রি করে জীবন ধারণ করেছেন। ১৯৪৬ সালে সিমলায় তাঁর আঁকা ছবির প্রথম প্রদর্শনী হয়। ১৯৫০ সালে চিত্রশিল্পীদের এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি আমেরিকা যান এবং বিভিন্ন শহরে তাঁর ছবির প্রদর্শনী করেন। ১৯৫১ সালে করাচি চলে যান। সেখানে পারসি স্কুলে শিল্পশিক্ষক হিসেবে যোগদান করেন। ১৯৫৩ সালে নড়াইলে ফিরে নন্দন কানন নামের প্রাইমারি ও হাই স্কুল এবং একটি আর্ট স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৭৬ সালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি এক প্রদর্শনীর আয়োজন করে। এ প্রদর্শনীটিই তাঁকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দেয়। এ ছবিগুলোই সুলতানকে নিম্নবর্গীয় মানুষের প্রতিনিধি এবং তাদের নন্দনচিন্তার একজন রূপকার হিসেবে উপস্থাপন করে। ১৯৯৪ সালের ১০ অক্টোবর তিনি মারা যান।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা