kalerkantho

রবিবার। ১০ নভেম্বর ২০১৯। ২৫ কার্তিক ১৪২৬। ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়

 

গোয়েন্দা গল্পলেখক ও ঔপন্যাসিক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম ভারতের উত্তর প্রদেশের জৌনপুরে ৩০ মার্চ ১৮৯৯ সালে। তাঁর রচিত প্রথম সাহিত্য প্রকাশিত হয় ২০ বছর বয়সে, যখন তিনি কলকাতায় বিদ্যাসাগর কলেজে আইন নিয়ে পড়াশোনা করছিলেন। পড়াশোনার সঙ্গেই তিনি সাহিত্যচর্চাও করতে থাকেন। তাঁর সৃষ্ট গোয়েন্দা চরিত্র ‘ব্যোমকেশ বক্সী’ আত্মপ্রকাশ করে ১৯৩২ সালে। ১৯৩৮ সালে তিনি বোম্বের বোম্বে টকিজে চিত্রনাট্যকাররূপে কাজ শুরু করেন। ১৯৫২ সালে সিনেমার কাজ ছেড়ে স্থায়ীভাবে পুনেতে বসবাস শুরু করেন। পরবর্তী ১৮ বছর তিনি সাহিত্যচর্চায় অতিবাহিত করেন। তাঁর সৃষ্ট সবচেয়ে জনপ্রিয় চরিত্র ‘ব্যোমকেশ বক্সী’। ব্যোমকেশ একজন ডিটেক্টিভ। নিজেকে তিনি সত্যান্বেষী বলে পরিচয় দিতে পছন্দ করেন। ১৯৩২ সালে ‘পথের কাঁটা’ উপন্যাসে ব্যোমকেশের আত্মপ্রকাশ। প্রথমে তিনি অজিতের কলমে লিখতেন। কিন্তু পরে তৃতীয় পুরুষে লিখতে শুরু করেন। এ ছাড়া তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে আছে বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপন্যাস। যেমন—‘কালের মন্দিরা’, ‘গৌর মল্লার’, ‘তুমি সন্ধ্যার মেঘ’, ‘তুঙ্গভদ্রার তীরে’ ইত্যাদি। সামাজিক উপন্যাস : ‘জাতিস্মর’, ‘বিষের ধোঁয়া’। তিনি ছোটগল্প ও শিশুসাহিত্য রচনায়ও পারদর্শী ছিলেন। তাঁর জীবনে বোম্বের সিনেমার খুব বড় ভূমিকা ছিল। তিনি যে ছবিগুলোতে চিত্রনাট্যকারের কাজ করেছেন সেগুলো হলো ‘দুর্গা’ (১৯৩৯), ‘কঙ্গন’ (১৯৩৯), ‘নবজীবন’ (১৯৩৯) ও ‘আজাদ’ (১৯৪০)। তাঁর বিভিন্ন রচনা অবলম্বনে তপন সিংহ, সত্যজিৎ রায়সহ অনেকে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন। তিনি রবীন্দ্র পুরস্কার, শরত্স্মৃতি পুরস্কার, মতিলাল পুরস্কারসহ নানা পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেছেন। ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৭০ সালে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা