kalerkantho

বুধবার । ২০ নভেম্বর ২০১৯। ৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ২২ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

ব্যক্তিত্ব

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ

সাংবাদিক ও লেখক সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের জন্ম ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার খোশবাসপুরে ১৪ অক্টোবর ১৯৩০ সালে। প্রথম জীবনে বাড়ি থেকে পলাতক কিশোরের জীবন অতিবাহিত করেছেন। বাবার সঙ্গে বর্ধমানের কর্ডলাইনে নবগ্রাম রেলস্টেশনের কাছে কিছুদিন ছিলেন। সেখানে গোপালপুর মুক্তকেশী বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করেন। সেই নবগ্রাম গোপালপুরের প্রেক্ষাপটে তিনি লিখেছিলেন ‘প্রেমের প্রথম পাঠ’ উপন্যাস। গোপালপুর থেকে পাস করে তিনি ভর্তি হন বহরমপুর কলেজে। রাঢ় বাংলার লোকনাট্য আলকাপের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নাচ-গান-অভিনয়ে অংশ নিয়ে জেলায় জেলায় ঘুরেছেন। তিনি ছিলেন আলকাপ দলের ওস্তাদ ও নাচ-গানের প্রশিক্ষক। তিনি কলকাতায় পাকাপাকিভাবে থাকতে শুরু করেন ষাটের দশকের শুরুতে। দীর্ঘদিন আনন্দবাজার পত্রিকায় সাংবাদিক হিসেবে চাকরি ও লেখালেখি সমানতালে চালিয়ে গেছেন। তাঁর জ্ঞান ও অধীত বিদ্যা এবং প্রগতিশীল মুক্তচিন্তা তাঁকে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী হিসেবে বিদ্বানসমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তাঁর লেখকসত্তায় জড়িয়ে ছিল রাঢ়ের রুক্ষ মাটি। মুর্শিদাবাদের পাশের জেলা বীরভূম। যেখানে লাভপুর গ্রামে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম। একই জল-হাওয়ায় দুজন বেড়ে উঠেছেন। তারাশঙ্কর বলতেন, ‘আমার পরেই সিরাজ, সিরাজই আমার পরে অধিষ্ঠান করবে।’ তিনি গল্প, উপন্যাস, গোয়েন্দা কাহিনিসহ নানা ধরনের লেখা লিখেছেন। ‘অলীক মানুষ’ তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস। এ উপন্যাসটি তাঁকে খ্যাতির চূড়ান্ত শিখরে উন্নীত করেছে। কিশোর পাঠকদের জন্য লিখেছেন ‘গোয়েন্দা কর্নেল’ নামের চরিত্র। তিনি আনন্দ পুরস্কার, সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, বঙ্কিম পুরস্কার, ভুয়ালকা পুরস্কারসহ নানা পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ৪ সেপ্টেম্বর ২০১২ সালে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা