kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

নতুন আঙ্গিকে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে

মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলী শিকদার (অব.)

৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১০ মিনিটে



নতুন আঙ্গিকে সমাধানের পথ খুঁজতে হবে

২২ আগস্ট দ্বিতীয় দফা প্রত্যাবাসনের চেষ্টা যেভাবে ও যে কারণে বিফলে গেল এবং ২৫ আগস্ট উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের বিশাল শোডাউনের মধ্য দিয়ে রোহিঙ্গা সংকট আরো জটিল হয়ে গেল বলে আমার মনে হয়। এর ফলে একটা সুষ্ঠু সমাধানের পথ নিয়ে ক্রমেই মানুষের মধ্যে নিরাশার সৃষ্টি হচ্ছে। উদ্বাস্তু সমস্যার সহজ সমাধানের উদাহরণ বিশ্ব অঙ্গনে খুব বেশি নেই। ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের সমাধান ৭০ বছরেও হয়নি, উদ্বাস্তুরাও নিজ ভূমিতে ফিরে যেতে পারেনি। বৈশিষ্ট্যগত পার্থক্য থাকলেও ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সমস্যা সমাধানের পথে যে ধরনের অন্তরায় বিদ্যমান, সেগুলোর সঙ্গে বার্মিজ (মিয়ানমার)-রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের অন্তরায়ের অনেকটা সাদৃশ্য রয়েছে। এ দুটি সমস্যা সমাধানের পথে মাইক্রো পর্যায়ে বহু রকম কারণ থাকলেও ম্যাক্রো পর্যায়ে অর্থাৎ একেবারে মৌলিক শিকড়ের কারণ দুটি। প্রথমত, ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যে যেমন চরম অবিশ্বাস এবং অনাস্থার শিকড় অনেক গভীরে, তেমনি একই কথা প্রযোজ্য বার্মিজ ও রোহিঙ্গাদের বেলায়। দ্বিতীয়ত, অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও ভূ-রাজনীতির কৌশলের কারণে যুক্তরাষ্ট্র যেমন অন্ধভাবে কংক্রিট দেয়ালের মতো ইসরায়েলের পেছনে দাঁড়িয়ে আছে, তেমনি শুধু ভূ-রাজনীতির স্বার্থের কারণে মিয়ানমারের পেছনে অন্ধভাবে কংক্রিট দেয়ালের মতো দাঁড়িয়ে আছে চীন। আজ বৈশ্বিক ইসলামী জঙ্গিবাদের জন্ম, উত্থান ও বিস্তারের পেছনে ফিলিস্তিন জনগণের ওপর সীমাহীন নিপীড়ন, নির্যাতন, অবিচার ও বঞ্চনার ইতিহাস কম দায়ী নয়। কিন্তু বৈশ্বিক শক্তির ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের কাছে বিচারের বাণী নীরবে-নিভৃতে কেঁদে চলেছে।

রাখাইন থেকে সহজে প্রবেশ করার মতো একমাত্র প্রতিবেশী হওয়ার কারণে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা সংকটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। তাই এর সমাধানের জন্য বাংলাদেশকে উদ্যোগ নিতে হবে। সমাধানের মূল্যায়নপত্র তৈরির সময় শুধু ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহ বিবেচনায় নিলে সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথ বের হবে না। ঐতিহাসিক লিগেসির সন্ধানসহ ১৯৭৮ সাল থেকে এ পর্যন্ত সংঘটিত যেসব ঘটনা আস্থার সংকটকে প্রসারিত করেছে, সেগুলোর স্থায়ী সমাধান সব পক্ষকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে নিশ্চিত করতে হবে। সর্বপ্রথম রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সার্বিক পরিস্থিতির ওপর একটু নজর বুলিয়ে নিই। এক. প্রায় ১২ শতাংশ উদ্বাস্তু মানুষের লজিস্টিক ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থনে বাংলাদেশ অত্যন্ত সুষ্ঠুভাবে করে যাচ্ছে। ভিটামাটি থেকে উত্খাত হওয়ার বেদনা ছাড়া কক্সবাজারে রোহিঙ্গারা অনেকটা স্বস্তিকর অবস্থায় আছে। দুই. সাহায্য করার নামে বহু দেশি-বিদেশি সংস্থা ও এনজিও ক্যাম্পের ভেতরে ঢুকেছে। এর মধ্যে একটা বড় অংশ ছদ্মবেশে ক্যাম্পের ভেতরে বহু রকমের অপতৎপরতা চালাচ্ছে, যার কারণে সমাধানের পথে তৈরি হচ্ছে নিত্যনতুন সব বাধাবিঘ্ন। অসৎ উদ্দেশ্যে প্রবেশকারী এসব এনজিও এবং সংস্থার ওপর শুরু থেকেই তেমন কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। তিন. এই ছদ্মবেশী অসৎ উদ্দেশ্যধারী এনজিও এবং সংস্থার অপপ্রচারের কারণেই ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করা সম্ভব হলো না। ভাসানচরে নির্মিত বাসস্থান, খাদ্য, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা অধিকতর উত্তম হওয়া সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের সেখানে কেন নেওয়া গেল না এবং তারা যেতে রাজি হলো না কেন, ইত্যাদি কারণের দিকে তাকালেই বোঝা যায়, এই রোহিঙ্গাদের নিয়ে কত গোষ্ঠী তাদের হীনস্বার্থ উদ্ধার করে নিচ্ছে। চার. ২০১৭ সালের প্লাবনের মতো রোহিঙ্গা ঢল যখন আসতে থাকে, তখন কক্সবাজারের স্থানীয় জনগণ বিপুলভাবে উদারহস্তে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। দুই বছরের মাথায় এই চিত্রটি সম্পূর্ণ বিপরীত। পাঁচ. ২৫ আগস্ট এত বড় অবৈধ শোডাউন করার শক্তি উদ্বাস্তু রোহিঙ্গারা কিভাবে পেল? ফিঙ্গারপ্রিন্ট ও জাতীয় পরিচয়পত্র ছাড়া প্রায় পাঁচ লাখ মোবাইল সেট বাংলাদেশি সিমসহ উদ্বাস্তু রোহিঙ্গাদের হাতে চলে গেছে। ক্যাম্পের ভেতরে রোহিঙ্গারা নিজেদের বাজার স্থাপন করেছে, শত শত রোহিঙ্গা সেখানে ব্যবসা করছে। এভাবেই তারা সংঘবদ্ধ হচ্ছে এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করার সক্ষমতা অর্জন করছে। এসব কর্মকাণ্ড কী সমস্যা সমাধানের পথে অতিরিক্ত বাধা হয়ে আসবে কি না তা নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্তদের এখনই ভাবা উচিত। ছয়. রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলো ঘিরে দেশি-বিদেশি একটি গোষ্ঠী, যার সঙ্গে রোহিঙ্গাদের মধ্য থেকে গড়ে ওঠা সিন্ডিকেট, এরা সবাই মিলে মানবপাচার, ড্রাগ ও অস্ত্র চোরাচালানের মতো অবৈধ কাঁচা টাকার ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। রোহিঙ্গা সংকট যত দীর্ঘায়িত হবে, এই অবৈধ ব্যবসা আরো বেশি করে জমে উঠবে।

এত সময় ওপরে উল্লিখিত ক্রমিক এক থেকে ছয় পর্যন্ত বর্ণনায় কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলো ঘিরে রোহিঙ্গা পরিস্থিতির একটি চিত্র উঠে এসেছে। এবার সমাধানের পথে বড় দাগের অন্তরায়গুলোর ওপর একটু আলোকপাত করি। এক. একটা বিষয়ে সব পর্যবেক্ষক ও বিশ্লেষক একমত যে রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমার সরকারের কোনো সদিচ্ছা ও আন্তরিকতা নেই। এ পর্যন্ত ফেরত নেওয়ার ব্যাপারে মিয়ানমার যা করেছে তার সব কিছুই সুপরিকল্পিত নাটক ও লোক দেখানো কর্মকাণ্ডমাত্র। দুই. সবাই বলছে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে প্রবল চাপ প্রয়োগ না করা গেলে মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের ফেরত নেবে না। কিন্তু এপথে লেখার শুরুতেই যা বলেছি, চীনের অবস্থানের কারণেই আকাঙ্ক্ষিত চাপ সৃষ্টি করা এ পর্যন্ত সম্ভব হয়নি। অন্যদিকে বিশ্বের অন্যান্য শক্তিশালী পক্ষ—আমেরিকা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, তারা অনেক উচ্চবাচ্য করছে ঠিকই, কিন্তু কার্যকর হয় এমন কোনো ব্যবস্থা মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নেয়নি। কেন নেয়নি সে এক বড় প্রশ্ন। তিন. এরই মধ্যে আমরা দেখলাম দুইবার প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ বিফলে গেছে, তাতে প্রমাণ হলো—এই দুটি উদ্যোগ যেভাবে এবং যে প্রক্রিয়ায় নেওয়া হয়েছে তা ত্রুটিপূর্ণ ছিল। তাই এ ধরনের উদ্যোগ  আগামী দিনে ফল দেবে তা মনে হয় না। চার. ২২ আগস্টের নির্ধারিত প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার পর ২৫ আগস্ট ক্যাম্পে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের পক্ষ থেকে যে ধরনের শোডাউন করা হলো তাতে প্রত্যাবাসনের পথ আরো পিচ্ছিল হয়ে গেল। কেন পিচ্ছিল হয়ে গেল তার বিস্তারিত বিবরণ কয়েক দিন আগেই অন্য একটি সহযোগী দৈনিকে লিখেছি। তাই আজ আর সেদিকে যাচ্ছি না। মিয়ানমার জেনে-শুনে-বুঝে উদ্দেশ্যমূলকভাবে সত্যকে অস্বীকার করছে।

বিশ্ব সম্প্রদায় থেকে শুরু করে সবাই জানে, এই রোহিঙ্গারা হাজার বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই রাখাইন অঞ্চলে বসবাস করছে। মিয়ানমার সরকারও এটা ভালো করেই জানে। রোহিঙ্গারা মিয়ানমার নাগরিক নয়, সেখানকার অধিবাসী নয়—এটা একেবারে ডাহা মিথ্যা কথা। নিজেদের অভ্যন্তরীণ সমস্যা সমাধানের ভ্রান্ত কৌশলের অংশ হিসেবে তারা এই প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছে। অন্যদিকে, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্টের পর কী হয়েছে শুধু সেটি বিবেচনা করলে হবে না। ১৯৭৮ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত যখন যে সরকার ছিল তারা এই সমস্যাটিকে কী দৃষ্টিতে দেখেছে এবং সব কিছু যথার্থভাবে হ্যান্ডেল করা হয়েছে কি না সেটিও (বাংলাদেশকে) বিবেচনায় আনতে হবে। একটা উইন উইন প্রতিকারে ব্যর্থ হয়ে মিয়ানমার যে পন্থায় বাংলাদেশকে জড়িয়ে সমস্যা সমাধান করতে চাইছে তা যে বুমেরাং হবে সেটাও মিয়ানমারের অজানা নয়। বাংলাদেশকে না জড়িয়ে বরং অভ্যন্তরীণ ইস্যু অভ্যন্তরে রেখে প্রতিবেশী হিসেবে এই সময় যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায়, তখন বাংলাদেশের সাহায্য ও সমর্থন নিয়ে মিয়ানমার দীর্ঘদিনের এই সমস্যার একটা স্থায়ী সমাধান করে ফেলতে পারত। এই পথে মিয়ানমার কেন গেল না তা আমার কাছে রহস্যজনক মনে হয়। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে, এবার মিয়ানমার একটা বড় বাজি ধরেছে। তার জন্য চীনকে সঙ্গে পেয়েছে। মিয়ানমার ও চীন যদি ভেবে থাকে ১২ লাখ ভলাটাইল বা বিস্ফোরণোন্মুখ জনগোষ্ঠীকে কক্সবাজারে দীর্ঘদিন রেখে দিয়ে তারা শান্তিতে থাকবে বা তাদের কোনো হিডেন লক্ষ অর্জনে সক্ষম হবে, তাহলে সেটা হবে একেবারে ভুল ধারণা।

লেখার শুরুতেই বলেছি, এই সমস্যাটির শিকড়ের মূল কারণ বার্মিজ ও রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মধ্যে শত শত বছরের অবিশ্বাস ও অনাস্থা। ১৪০৬ সালে রাখাইন রাজা নরা মিইখলাকে উত্খাত করে তৎকালীন বার্মিজ রাজা আরাকান দখল করে নেন। তখন বাংলার সুলতান জালাল উদ্দিনের সহায়তায় রাজা মিইখলা আবার রাজ্য ফেরত পান এবং বার্মিজরা ফিরে যেতে বাধ্য হয়। কিন্তু ১৭৮৪ সালে বার্মিজরা স্থায়ীভাবে আরাকান দখল করে নেয়। সেই থেকে আরাকান আজকের রাখাইন বার্মার অংশ হয়ে আছে। ১৭৮৪ সালে দ্বিতীয়বার দখল করার সময় আক্রমণকারী বার্মিজ বাহিনী স্থানীয় মুসলিম রোহিঙ্গা ও বৌদ্ধ, সবার ওপর সীমাহীন নির্যাতন, লুণ্ঠন, ধর্ষণসহ ভয়াবহ হত্যাযজ্ঞ চালায়। সেই থেকে আজ পর্যন্ত মাঝেমধ্যে কখনো কখনো দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে রিকনসাইল ও সমঝোতা হলেও প্রকৃতপক্ষে পুরনো রক্তক্ষরণের দুঃসহ স্মৃতি থেকে কোনো পক্ষই বের হতে পারেনি। অবিশ্বাস-অনাস্থার ধারাবাহিকতায় মিয়ানমার সরকার ১৯৮২ সালে পুরো রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নাগরিকত্বের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার পর সংকট ক্রমেই জটিল হয়ে আজকের অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে রাজনৈতিক শক্তি অর্জন এবং তা প্রদর্শন করে বিশ্ব সম্প্রদায়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনি কখনো। বরং তারা ভুল পথ এবং অদূরদর্শী কৌশলের অংশ হিসেবে কখনো কখনো সশস্ত্র  বিদ্রোহ ও তৎপরতা চালাতে চেষ্টা করেছে। এর ফলে মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে বিচ্ছিন্নতাবাদ ও সশস্ত্র বিদ্রোহের অভিযোগ আনতে পেরেছে। ১৯৮২  থেকে ২০১৭ সাল, গত ৩৫ বছর এভাবেই চলছে। ২০১৭ সালের ঘটনার মধ্য দিয়ে মিয়ানমার সরকার ও রোহিঙ্গা, উভয় পক্ষের জন্যই বিষয়টি পয়েন্ট অব নো রিটার্ন পর্যায়ে চলে গেছে।

বাংলাদেশ কোনো পক্ষ নয় অথবা মিয়ানমার সরকার ও রোহিঙ্গা, এই দুইয়ের কারো পক্ষে বা বিপক্ষে নয়। শুধু প্রতিবেশী হওয়ার কারণেই অনেক কিছুর দায় এসে পড়ে বাংলাদেশের ওপর। সংকট যেখানে এসে পৌঁছেছে তাতে শুধু দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান হবে না। তাই আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বৃহত্তর প্ল্যাটফর্মের কথা ভাবতে হবে। যে প্ল্যাটফর্ম একটি উইন উইন ফর্মুলা বের করবে এবং তার বাস্তবায়ন ও দেখভাল করবে। তাহলে সব পক্ষের মধ্যে আস্থা ফিরে আসবে। এ ক্ষেত্রে উদাহরণ হিসেবে ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার জন্য ২০১৫ সালে যে রকম প্ল্যাটফর্ম কাজ করেছিল, সেই আদলের একটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা সম্ভব হলে তার বিশ্বাসযোগ্যতা ও কার্যকারিতা অনেক বেশি হবে। তাতে মিয়ানমার ও বাংলাদেশের সঙ্গে পি ৫+১ কাঠামো, অর্থাৎ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য ও ভারতকে যুক্ত করা যেতে পারে। এমন একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম তৈরি হলে তার মাধ্যমে একটি উইন উইন সমাধান বের করা অনেক সহজ হবে।

লেখক : রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক

[email protected]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা