kalerkantho

ব্যক্তিত্ব

৯ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তী

ব্রিটিশবিরোধী বিপ্লবী ও লেখক ত্রৈলোক্যনাথ চক্রবর্তীর জন্ম ময়মনসিংহে ১৮৮৯ সালে। কৈশোরেই তিনি রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত হন। স্কুলে অধ্যয়নকালে তিনি ১৯০৬ সালে অনুশীলন সমিতিতে যোগ দেন। বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের জন্য ১৯০৮ সালে গ্রেপ্তার হন। ফলে তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষালাভ সম্ভব হয়নি। ১৯১২ সালে এক হত্যা মামলার আসামি হিসেবে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। পরে যথার্থ প্রমাণের অভাবে তিনি মুক্তি পান। তিনি গোপন সংগঠন গড়ে তোলেন। ১৯১৪ সালে কলকাতায় তাঁকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে বরিশাল ষড়যন্ত্র মামলার আসামি হিসেবে আন্দামানে নির্বাসনে পাঠায়। পরে মুক্তি পেয়ে তিনি কলকাতায় আসেন এবং ‘জাতীয় স্কুল’ পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯২৭ সালে আবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে ব্রহ্মদেশের মান্দালয় জেলে প্রেরণ করা হয়। ১৯২৮ সালে মুক্তি পেয়ে তিনি হিন্দুস্থান রিপাবলিকান আর্মিতে যোগ দেন। ১৯২৯ সালে তিনি লাহোর কংগ্রেসে অংশ নেন। ১৯৩০-১৯৩৮ সময়ে তিনি কারাগারে অন্তরীণ ছিলেন। ১৯৩৮ সালে মুক্তি পেয়ে তিনি রামগড় কংগ্রেসে অংশ নেন। ‘ভারত ছাড়’ আন্দোলনের সময় ১৯৪২ সালে আবার তিনি গ্রেপ্তার হন। ১৯৪৬ সালে মুক্তি পেয়ে নোয়াখালীতে সাংগঠনিক তৎপরতায় লিপ্ত হন। দেশভাগের পর তিনি ঢাকায় প্রকাশ্য রাজনীতিতে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রার্থী হিসেবে তিনি পূর্ববাংলা প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনে তাঁর কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপিত হয়। সমকালীন রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে তিনি দুটি স্মৃতিচারণামূলক গ্রন্থ রচনা করেন। ৯ আগস্ট ১৯৭০ সালে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। 

 

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা