kalerkantho

ব্যক্তিত্ব

৮ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়

সংগীতজ্ঞ ভীষ্মদেব চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম পশ্চিমবঙ্গের হুগলী জেলায় ৮ নভেম্বর ১৯০৯ সালে। তাঁর বাবার নাম আশুতোষ চট্টোপাধ্যায় এবং মা প্রভাবতী দেবী। তিনি যখন জন্মগ্রহণ করেন সেই মুহূর্তে তাঁর বাবা মহাভারতের ভীষ্মপর্ব পড়ছিলেন। তাই তিনি ছেলের নাম রাখেন ভীষ্মদেব। ছোট থেকেই কলের গান শুনে নিয়ে নিখুঁতভাবে গাওয়ার স্বভাবজাত দক্ষতা ছিল তাঁর। বাড়ির মানুষ অবাক হয়ে যেত তাঁর প্রতিভা দেখে। তাঁরা তখন থাকতেন উত্তর কলকাতার বলরাম দে স্ট্রিটে। সেখানে একদিন যাত্রা হয় রামায়ণের কাহিনি নিয়ে ‘সীতাহরণ পালা’। সেই যাত্রায় বেশ কিছু রাগরাগিণীনির্ভর গান ছিল। তিনি তখন নিতান্ত শিশু হলেও অসামান্য দক্ষতায় গানগুলো শিখে নেন। নগেন দত্তের কাছে তাঁর প্রথম প্রথাগতভাবে গান শেখা শুরু। ক্যালকাটা ট্রেনিং আকাদেমি থেকে প্রবেশিকা পাস করে ভর্তি হন আইএ ক্লাসে বিদ্যাসাগর কলেজে। শারীরিক অসুস্থতার কারণে পরীক্ষা দিতে পারেননি। তবে আন্ত কলেজ সংগীত প্রতিযোগিতায় পেয়েছিলেন বেস্টম্যান পুরস্কার। এর কিছুদিন পর প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম রেকর্ড ‘কি করে লোকেরই কথায়’। তাঁর প্রথাগত শিক্ষার প্রধান ব্যক্তিত্ব ছিলেন খলিফা বদল খাঁ। ওস্তাদ ফৈয়াজ খাঁর কাছেও কিছুদিন গান শিখেছিলেন। ১৯৪০ সালে তিনি হঠাৎই পরিবার-পরিজন ছেড়ে চলে যান পণ্ডিচেরিতে অরবিন্দ আশ্রমে। ১৯৪৮ সালে কলকাতায় ফিরে এলেও হয়ে যান এক অন্য মানুষ। ক্ষীণকায় চেহারা। এলোমেলো বড় বড় চুল। কথা প্রায় বলেনই না। ব্যক্তিজীবনে তিনি ছিলেন নিরহংকারী ও আত্মপ্রচারবিমুখ। নিজে কিছু গান ও কবিতা লিখেছিলেন। ৮ আগস্ট ১৯৭৭ সালে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা