kalerkantho

ব্যক্তিত্ব

৪ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

আবুল হাসান

কবি ও সাংবাদিক আবুল হাসানের জন্ম গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ার বর্ণি গ্রামে মাতুলালয়ে ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট। তাঁর প্রকৃত নাম আবুল হোসেন মিয়া এবং সাহিত্যিক নাম আবুল হাসান। তাঁর পৈতৃক নিবাস পিরোজপুর জেলার নাজিরপুরের ঝনঝনিয়া গ্রামে। তাঁর বাবা আলতাফ হোসেন মিয়া ছিলেন একজন পুলিশ অফিসার। ১৯৬৩ সালে ঢাকার আরমানিটোলা সরকারি বিদ্যালয় থেকে তিনি এসএসসি পাস করেন। পরে বরিশাল বিএম কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে বিএ শ্রেণিতে ভর্তি হন; কিন্তু পরীক্ষা শেষ না করেই ১৯৬৯ সালে দৈনিক ইত্তেফাকের বার্তা বিভাগে যোগদান করেন। পরে তিনি গণবাংলা (১৯৭২-৭৩) ও দৈনিক জনপদে (১৯৭৩-৭৪) সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। তিনি অল্প বয়সেই একজন সৃজনশীল কবি হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। মাত্র এক দশকের কাব্য সাধনায় তিনি আধুনিক বাংলা কাব্যের ইতিহাসে এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করেন। আত্মত্যাগ, দুঃখবোধ, মৃত্যুচেতনা, বিচ্ছিন্নতাবোধ, নিঃসঙ্গচেতনা, স্মৃতিমুগ্ধতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা তাঁর কবিতায় সার্থকভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। ১৯৭০ সালে এশীয় কবিতা প্রতিযোগিতায় তিনি প্রথম হন। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ : রাজা যায় রাজা আসে (১৯৭২), যে তুমি হরণ করো (১৯৭৪) ও পৃথক পালঙ্ক (১৯৭৫)। মৃত্যুর পর কাব্যনাট্য ওরা কয়েকজন (১৯৮৮) ও আবুল হাসান গল্প-সংগ্রহ (১৯৯০) প্রকাশিত হয়। ১৯৭৫ সালে তিনি কবিতার জন্য মরণোত্তর বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৮২ সালে বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক লাভ করেন। ১৯৭৫ সালের ২৬ নভেম্বর তিনি মারা যান।

[বাংলাপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য