kalerkantho

ব্যক্তিত্ব

১ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ব্যক্তিত্ব

নীরদ সি চৌধুরী

লেখক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নীরদ সি চৌধুরীর জন্ম ময়মনসিংহে ২৩ নভেম্বর ১৮৯৭ সালে। তাঁর বাবার নাম উপেন্দ্র নারায়ণ চৌধুরী এবং মা সুশীলা সুন্দরী চৌধুরানী। তিনি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ ও কলকাতায় পড়াশোনা করেছেন। এফএ পরীক্ষা পাস করে তিনি কলকাতার রিপন কলেজে লেখক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে একত্রে ভর্তি হন। ১৯১৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীন স্কটিস চার্চ কলেজের ছাত্র হিসেবে তিনি ইতিহাসে সম্মানসহ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন এবং মেধাতালিকায় স্থান করে নেন। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে মাস্টার্সে ভর্তি হলেও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেননি। তাঁর কর্মজীবনের সূত্রপাত ব্রিটিশ-ভারতীয় সেনাবাহিনীর হিসাবরক্ষণ অধিদপ্তরে। চাকরির পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন ধরনের প্রবন্ধ রচনা করতে থাকেন। পরে চাকরি ত্যাগ করে সাংবাদিকতায় প্রবেশ করেন। তিনি ইংরেজি ও বাংলা সাময়িকী মডার্ন রিভিউ, প্রবাসী এবং শনিবারের চিঠিতে সম্পাদনাকর্মে সম্পৃক্ত ছিলেন। ১৯২৬ সালে দ্য মডার্ন রিভিউ পত্রিকায় রমানন্দ চ্যাটার্জির অধীনে সহকারী সম্পাদকের চাকরি গ্রহণ করেন। ১৯২৭-এ শনিবারের চিঠি সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ১৯৩৭ সালে শরৎচন্দ্র বসুর একান্ত সচিব হিসেবে চাকরি নেন এবং মহাত্মা গান্ধী, জওয়াহেরলাল নেহরু, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুসহ খ্যাতিমান রাজনৈতিক নেতাদের সংস্পর্শ পান। ১৯৭০ সালে ভারত ত্যাগ করে ইংল্যান্ডের অক্সফোর্ডে পাড়ি জমান। ১৯৯০ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে সম্মানসূচক ডক্টরেট ডিগ্রি প্রদান করে। তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ—আত্মঘাতী বাঙালি, বাঙালি জীবনে রমণী, আমার দেবোত্তর সম্পত্তি ইত্যাদি। ভারতের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার, আনন্দ পুরস্কারসহ নানা পুরস্কার ও সম্মাননায় তিনি ভূষিত হয়েছেন। ১ আগস্ট ১৯৯৯ সালে তিনি মারা যান।

[উইকিপিডিয়া অবলম্বনে]

মন্তব্য